সাতক্ষীরায় আবারও শুরু হয়েছে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

সাতক্ষীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দীর্ঘ কয়েক মাস পর আবারও শুরু হয়েছে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান। সাতক্ষীরা শহরের জলাবদ্ধাতার জন্য এসব অবৈধ স্থাপনাকে দায়ি করা হয়। শহরের বুক চিরে প্রবাহিত প্রাণসায়র খাল আজ অবৈধ স্থাপনার কারণে বিলীন হতে চলেছে। জলাবদ্ধতা থেকে শহরবাসিকে মুক্তি এবং প্রাণসায়ের খাল রক্ষায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বড়বাজার ব্রিজ এবং একই সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের পিছনে স্বপন কুমার শীলের বাড়ির পাশ থেকে পৃথক দু’টি বুলডোজার দিয়ে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের কাজ শুরু করা হয়। উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইদ্রজিৎ কুমার সাহা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী রাশেদ রেজা বাপ্পি।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইন্দ্রজিৎ কুমার সাহা বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের পিছন থেকে নারিকেলতলা পর্যন্ত প্রাণসায়ের খালের দু’ধারে রয়েছে জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পৌরসভার জায়গা। ইতোপূর্বে প্রাণসায়ের খাল খননের লক্ষ্য কয়েকবার খালের দু’ধার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এ নিয়ে প্রতিবন্ধকতা আছে কিনা একথা বলা যাবে না। তাই শুধুমাত্র জেলা প্রশাসনের জায়গা জবর দখলকারিদের চিহ্নিত করে শনিবার থেকে দু’টি বুলডোজার দিয়ে অবৈধ স্থাপনা ভাঙ্গার কাজ শুরু করা হয়েছে। মাছ ব্যবসায়ি বাবু খানের ঘর গ্যাস সংযোগের জটিলতা থাকায় তারা সময় চাওয়ায় ওই পর্যন্ত অভিযান বন্ধ রাখা হয়েছে। রবিবার সকাল থেকে আবারও অভিযান চলবে।

অভিযান পরিচালনাকালে প্রাণসায়র খালের জমি দখল করে গড়ে ওঠা বেশ কয়েকটি স্থাপনা অপসারণ করা হয়। এসময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদস্থ কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেছেন, তালিকাভূক্ত সকল স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। উচ্ছেদ অভিযানে সহযোগিতা কারার জন্য জেলা প্রশাসক জেলাবাসিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

এরআগে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে চলতি বছরের শুরুতে গ্রিন ‘সাতক্ষীরা-ক্লিন সাতক্ষীরা’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শুরু হয় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান। কিছুদিন বন্ধ থাকার পর আবারও অভিযান শুরু হয়েছে।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *