শনিবার, ২৬ মে ২০১৮, ০৯:২৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বড়দল ব্রিজ উদ্বোধনের আগেই এ্যাপ্রোজ সড়ক বসে গেছে কাদাকাটি হলদেপোতা মোড়ে সরকারি জমিতে ঘর নির্মাণ চলছে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন উপাধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ সাতক্ষীরা জেলা রেজিস্টারের দুনীতি পর্ব -১ প্রাণ মিল্ক জাতীয় স্কুল ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে অংশ নিতে ঢাকা যাচ্ছে সাতক্ষীরার ২০ সদস্যের দল কালিগঞ্জে এক মাদক সেবির ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদন্ড রথযাত্রা উপলক্ষ্যে কলারোয়ায় প্রস্তুতি সভা কলারোয়ায় মাদকসহ ৩ যুবক আটক কলারোয়ার লাঙ্গলঝাড়ায় কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা কলারোয়ার কাজীরহাট কলেজের একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন মধ্যপাড়া পাথর খনিতে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ অর্ধশত শ্রমিককে পুরুস্কৃত ইউএনওকে প্রত্যাহারের দাবিতে তালা উপজেলা পরিষদের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা সাতক্ষীরায় ৯ মাদক ব্যবসায়ীসহ আটক-৪৬ শামনগরে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা ছাত্রকে কাছে পেতে শিক্ষিকার তুলকালাম কাণ্ড বাসের অগ্রিম টিকিট ৩০ মে থেকে মাকে স্টেশনে ফেলে দিয়ে গেল ছেলে, কাঁদছেন বৃদ্ধা মা! ব্র্যাক এ নিয়োগ স্মরণশক্তি কমে যাওয়া একটি রোগ বঙ্গবন্ধু ভবনও করতে চাই: মমতা
আশাশুনি হাজীপুর স্কুলের শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে

আশাশুনি হাজীপুর স্কুলের শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে

মানিক চন্দ্র বাছাড়:
সাতক্ষীরারা আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নে জীবনের ঝুকি নিয়ে স্কুল করছেন হাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ১৩৫জন ছাত্র/ছাত্রী নিয়ে হাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জরাজীর্ণ ছোট্ট একটি টিনের ছাউনির ঘরে লেখাপড়া করছে শিক্ষার্থীরা।ছোট্ট একটি টিন ছাউনি তার ভিতরে বসার জায়গা পর্যন্ত নেই। তার উপর কাল বৈশাখীর ঝড়ে ঘরটি যে কোন সময় উড়ে যাওয়ার আতঙ্কে দিন যাপন করছে স্কুলের কোমলমতি ছোট ছোট শিশুরা।স্কুলটি ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করলেও ২০১৩ সালে স্কুলটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করেন।এর পর শিক্ষা অফিসে বার বার বলার সত্বেও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
এর মধ্যে গত ১৬ই মে বুধবার বেলা ২টার সময় প্রলংকারী ঘুর্নিঝড় ও বৃষ্টির কারণে শিক্ষার্থীরা স্কুলের মধ্যে ভয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে ও আড়ষ্ট হয়ে যায়।পরে শিক্ষকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুলের সকল ছাত্র/ছাত্রীদের নিয়ে পাশের বাড়িতে আশ্রয় নেয়।
ছাত্র/ছাত্রীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে, ঝড় উঠলেই আমরা আতঙ্কে থাকি,কখন যে টিন সেডটি উড়ে যাবে তার কোন নিশ্চিয়তা নেই।বৃষ্টি হলেই বই খাতা হাতে নিয়ে দাড়িয়ে থাকতে হয়।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক রথীন কুমার দাশ বলেন ,স্কুলের ছেলে মেয়েরা ভয়ে আতঙ্কে স্কুলেই আসতে চাইছেনা।সে জন্য স্কুলের ভবনটি খুবই প্রয়োজন।
এসএমসি কমিটির সভাপতি সালাউদ্দীন বকুল বলেন আমরা কয়েক বার শিক্ষা অফিসারের সরণাপন্ন হয়েছি কিন্তু কোন নতুন ভবন আজও পর্যন্ত আমরা পাই নাই।
এ ব্যাপারে আশাশুনি উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসা: সামছুন্নাহার বলেন , বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রাণলায়ে পত্র দেওয়া হয়েছে । আশা করছি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Dainiksatkhira.Com
Developed BY Dainik Satkhira