বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
‘মাদক সম্রাট তো সংসদেই আছে, তাদের ফাঁসিতে ঝোলান’: এরশাদ ছাত্রলীগের হামলায় কোটা সংস্কার নেতা সোহেল হাসপাতালে ‘মাদক ব্যবসায়ী’ সাজিয়ে বন্দুকযুদ্ধে হত্যার অভিযোগ র‌্যাবের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় ইয়ামাহা’র উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের সাতক্ষীরা রিপোর্টার হলেন আমিনা বিলকিস ময়না দৈনিক দক্ষিণের মশাল’র সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতিকে মোবাইলে হুমকি ও চাাঁদা দাবী আশাশুনির সদরে আন্তঃ ধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে কেমিক্যাল মিশ্রিত আম ভরে গেছে কলারোয়ায় আইন-শৃঙ্খলাসহ পৃথক ৩টি মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কলারোয়ায় মাহেন্দ্র-ইঞ্জিনভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ ব্যক্তি আহত বিভিন্ন খাতে সরকারি বরাদ্দের দশ ভাগ ও কাজ হয়না – জেলা প্রশাসক কালিগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টায় আটক -২ দাদার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় মুক্তামনি অবশেষে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে হেরে গেছে মুক্তামনি দৈনিক পত্রদূত সম্পাদক স. ম আলাউদ্দিন হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন লুৎফুন্নেছা বেগম দেবহাটার পারুলিয়া মায়াজাল শপিং সেন্টারের শুভ উদ্বোধন কুশখালীতে পলাশ অভিভাবক দলের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জে জাতীয় পার্টির মহিলা ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কলারোয়া পাইলট হাইস্কুলের উদ্যোগে আনন্দ র‌্যালী কলারোয়ায় নাশকতা মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেফতার
‘আমি এখনো মিস করি’

‘আমি এখনো মিস করি’

 বিনোদন ডেস্ক:
মিমি চক্রবর্তী। গ্লামার ও অভিনয় দক্ষতা দিয়ে জয় করে নিয়েছেন দর্শক ও ভক্তদের হৃদয়। ভারতের পশ্চিম বঙ্গের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার শৈশবের অনেকটা সময় কেটেছে অরুনাচল প্রদেশের দেওমালিতে।
পরবর্তী সময়ে আবারো পরিবারের সঙ্গে জলপাইগুড়িতে ফিরে আসেন মিমি। স্কুল জীবন এখানে থেকেই শেষ করেন। তাই জলপাইগুড়িতেও শৈশবের বড় একটি অংশ কেটেছে এই নায়িকার।
সময়ের সঙ্গে মানুষের জীবনে পরিবর্তন আসে। সেই পরিবর্তনের পথ ধরেই এখনো হেঁটে চলেছেন মিমি। শৈশব-কৈশোরে হইহুল্লোড় করে কাটানো মধুর স্মৃতি এখনো নস্টালজিয়া করে তুলে নায়িকাকে।
শৈশবে কাটানো জলপাইগুড়ির কোন খাবারটা আপনার পছেন্দের এমন প্রশ্নে জবাবে মিমি বলেন, জলপাইগুড়ির ফুচকা আমার অনেক পছন্দের ছিল এবং আমি এখনো মিস করি।
স্কুল জীবনেও প্রচুর দুষ্টুমি করতেন মিমি। তিনি বলেন, আমি প্রচণ্ড দুষ্টু ছিলাম। অন্য ক্লাসে গিয়ে অন্যের টিফিন খেয়ে নিতাম বা একজনের বই নিয়ে অন্যজনের ব্যাগে ঢুকিয়ে রাখতাম।
তবে শিক্ষকদের কাছে কোনোদিন ধরা পড়িনি। কারণ পড়াশোনার বাইরে আর যা কিছু স্কুলে হতো, সব কিছুতেই আমি থাকতাম। গেমস লিডার ছিলাম, কারণ খেলাধুলা ভালোবাসতাম। হাইজাম্প, লংজাম্প, ১০০ মিটার দৌড়, সব কিছুতেই নাম দিতাম। একটা সময় তো ক্লাস লিডারও ছিলাম।
এখন তো তারকা হয়ে গেছেন। তারকা হওয়ার পর পাড়ার মানুষদের আচরণ কি বদলে গিয়েছে? জবাবে মিমি বলেন, পাড়ার লোকেরা এখন বোধহয় মনে করেন, আমি অন্য কোনো মানুষ। সত্যি বলতে কী, এ আচরণ আমার খারাপই লাগে। কেন এটা মনে করেন, আমি তা বলতে পারব না। হয়তো পাড়ার লোকেরা ভাবেন, আমি অন্য জগতের মানুষ। আমি আর তাদের দুনিয়ার অংশ নই। ঠিক জানি না…।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Dainiksatkhira.Com
Developed BY Dainik Satkhira