নাশকতা মামলার আসামীর নেতৃত্বে সৈনিকলীগ নেতার নির্মাণাধীন ভবন ভাংচুর
সদরের ঘরচালায় নাশকতা মামলার আসামীর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ নেতার নির্মাণাধীন ভবন ভাংচুর ও মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। গত ২৮ জুলাই সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের ঘরচালায় এঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মোশাররফ হোসেন একই এলাকার মৃত নিজামউদ্দীন শেখের ছেলে ও বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য।
এঘটনায় ভুক্তভোগী সৈনিকলীগ নেতা মোশারফ হোসেন শেখ বাদী হয়ে আমলী আদালতে ৯ জনের নামে উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলা সূত্রে জানাগেছে, মোশারফ হোসেন ঘরচালা মৌজায় জে এলনং-৭২, এস এ খতিয়ান নং- ১১০৫,১১০০ এস এ দাগ,৩০১ ডি,পি, খতিয়ান ১১৮৮, বি এস, খতিয়ানের দাগ ৩৩৭ জমির ৯.৫০ একর পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি তিনি উক্ত সম্পত্তিতে পাকা বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেন। ইতোমধ্যে সেটি গ্রেড বীম পর্যন্ত সম্পন্নও করেছেন। কিন্তু গত ২৮ জুলাই সকাল ১১টার দিকে একই এলাকার রইছউদ্দীন মোড়লের ছেলে ২০১৩ সালের নাশকতাকারী নজরুল ইসলাম মোড়লের নেতৃত্বে আনারুল মোড়ল, পরীবক্স মোড়লের ছেলে আলীম মোড়ল, কন্যা আনোয়ারা খাতুন, রুহুল আমিন মোড়ল তার স্ত্রী হোসেন আরা, নজরুলের স্ত্রী তানজিলা, আনারুল মোড়লের স্ত্রী সাথী ও রইছউদ্দীন মোড়লের স্ত্রী শুকজানসহ১০/১৫ জন ব্যক্তি একত্রিত হয়ে শাবল, লোহার রড নিয়ে অবৈধভাবে মোশারফ হোসেনের সম্পত্তিতে প্রবেশ করে নির্মাণাধীন ভবনে গ্রেড বীম ভাংচুর করতে থাকে। এর প্রতিবাদ করতে তারা মোশারফ হোসেন, তার স্ত্রী,পুত্র ও জামাতাকে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে। এসময় তাদের ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে আসলে উল্লেখিত ব্যক্তিরা চলে যাওয়ার সময় বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি প্রদর্শন করেন। বর্তমানেও বিভিন্ন হুমকি ধমকি অব্যাহত রেখেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
এদিকে সৈনিকলীগ নেতার বাড়িতে নাশকতা মামলার আসামী কর্তৃক এধরনের ভাংচুর মারপিটের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সভাপতি মাহমুদ আলী সুমন ও সাধারণর সম্পাদক একেএম তৌহিদুর রহমান শাহীনসহ সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ।
এঘটনায় বল্লী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বর শামসুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয়টি অনেক আগেই মীমাংসিত হয়েছে। কিন্তু তারা এধরনের ঘটনা কেন ঘটিয়েছে সেটা আমার জানানেই।