কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্বামী পরিত্যক্তা মহিলার মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন
নিজস্ব প্রতিনিধি :
কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্বামী পরিত্যক্তা এক মহিলার বাড়ির মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও জোর পূর্বক মিটার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ০৯ এপ্রিল’ ১৮ তারিখে শহরের মাগুরা এলাকায় এঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী রাশিদা খাতুন জানান, বিগত ২০০৫ সালে পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড(পিডিবি) সাতক্ষীরা থেকে আমার মাতা রহিলা খাতুনের নামে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন বসবাস করে আসছিলেন তিনি। এদিকে গত ২০০৯ সালে আমার স্বামীর সাথে ছাড়াছাড়ি হলে আমি মাতার বাড়ী মাগুরায় বসবাস শুরু করি। সে সময় ভাই-বোনের সাথে বনাবনি না হওয়ার কারণে আমি আলাদা ভাবে বসবাস শুরু করি। সে কারণে আমার বিদ্যুৎ সংযোগ প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এর জের ধরে গত ২০১৪ সালে তৎকালিন এমপি এম এ জব্বার আমাকে পল্লী বিদ্যুতের মিটার সংযোগ প্রদান করেন। সে সময় মিটার সংযোগ গ্রহণ করার জন্য আমার মাতার নামীয় জমির পর্চা প্রদান করা হয়।
সে কারণে মিটারটি তার নামে হয়। সম্প্রতি পিডিবি বিদ্যুতের মাগুরা এলাকার বিল লেখক আরিফুল ইসলামের কু-নজর পড়ে আমার উপর। এর জের ধরে বিভিন্ন সময়ে সে আমাকে কু প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। তার কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আরিফুল আমাকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে এবং তার পরের মাস থেকে আমার মাতার নামীয় মিটারের বিল দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেতে থাকে। এমনকি ৫০ ইউনিট বিল উঠলেও সেমাসে বিল হয় ২ হাজার ৮৮৮ টাকা। এরপর গত ৯ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে আরিফুল পাওয়ার হাউজের লোকজন নিয়ে আমার বাড়িতে গিয়ে ওই সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে এবং মিটারটি খুলে নিয়ে যায়। অথচ এর আগে আমাদের কোন নোটিশ প্রদান বা জানানো হয়নি।
তাদের কাছে মিটার খুলে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন চেক করার জন্য নিয়ে যাচ্ছি। অথচ আরিফুল এখন বলে বেড়াচ্ছে আমাদের নামে নাকি মন্ত্রণালয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আর.ই হাবিবুর রহমান ও ইঞ্জিনিয়ার শফিয়ারের কাছে গেলে তারা কোন কথা না শুনে তাড়িয়ে দিচ্ছেন। এ ঘটনায় দোষী আরিফুলসহ সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ভুক্তভোগী রাহিলা খাতুন ও তার স্বামী পরিত্যক্ত কন্যা রাশিদা খাতুন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।