টাকার কা‌ছে যোগ্যতাও বড় অসহায়

মতামত

যা যাবার, তা চলে গেছে, সময় এসেছে ঘুরে দাঁড়ানোর, স্বপ্ন পূরণের , ধাক্কাগুলো ভুলে যান, শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ান l

সিংহের গতিবেগ ঘন্টায় প্রায় ৮০ কিলোমিটার, অন্যদিকে হরিণের গতিবেগ ঘন্টায় কখনও কখনও ৮৫ কিলোমিটার, এরপরও সিংহ হরিণকে শিকার করে, কি ভা‌বে জা‌নেন?

সিংহ যখন হরিণকে তাড়া করে, তখন হরিণটি দৌড়ানোর সময় বারবার পিছন ফিরে তাঁকায়, সিংহটি কতটুকু দূরে তা দেখার জন্য। তাঁকা‌নোর কারণেই হরিণের গতিবেগ কমে যায়।
অন্যদিকে সিংহটি সামনে দৌড়ানো হরিণটিকে দেখে মনে করে, এইতো, আরেকটু হলেই ধরে ফেলবো,

সিংহটির চালিকাশক্তি বেড়ে যায়। দিন শেষে সিংহটির ক্ষুধার কাছে হরিণটির বেঁচে থাকার তাড়না হেরে যায়।

ঠিক তেমনি আপনি যদি পিছন ফিরে তাকান, তাহলে কোনও দিনই সামনে এগুতে পারবেন না। সামনে এগুতে হলে, সামনে দেখা প্রয়োজন, সামনে মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন।

বাঘ যেমন তার শিকার কে আক্রমণ করার আগে দু’কদম পিছিয়ে যায় নিশানা ঠিক করার জন্য।

তীর কে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে ছোড়ার জন্য ধনুক বাকিয়ে তীর কে একটু পিছিয়ে নিতে হয়। লক্ষ্য ঠিক করার জন্য।

জীবনের নিয়মে,জয়ের লক্ষ্যে কখনো কখনো আপনাকে ব্যাকফুটে যেতে হতে পারে। ব্যাকফুটে চলে যাওয়া মানেই পিছিয়ে পরা নয়।

জীবন নামক ক্রিকেট খেলার প্রত্যেকটা বল ও ৪,৬ মারা যায় না, কখনো কখনো ব্যাকফুটে গিয়ে ডিফেন্সিভ শট ও খেলতে হয়, এটাও খেলার একটা অংশ,এটাই জীবন এবং জীবনের একটা অংশ বিশেষ।

এমন কোন জীবন নেই যে জীবনে ধাক্বা নেই, ধাক্কাগুলো ভুলে যান। শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ান।

প্রতিনিয়ত নিজেকে করুন পরীক্ষা, প্রতিনিয়ত চলবে ভালো থাকার প্রতীক্ষা।

লে খ ক:- সুজন ঘো ষ

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *