হয়রানির হাত থেকে বাঁচতে সংখ্যালঘু পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

0
392

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
জামায়াত কর্মীদের দিয়ে পুলিশি হয়রানি ও হয়রানিমূলক মামলার হাত থেকে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ছাতিয়ানতলা গ্রামের সাবেক সেনা সদস্যের স্ত্রী স্বর্ণলতা হাজরা। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে তিনি বলেন, একই গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম জামায়াতের সক্রিয় কর্মী। ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্র“য়ারি পরবর্তী সাতক্ষীরার বিভিন্ন স্থানে নাশকতামূলক কর্মকান্ডে তারা অংশগ্রহণ করে। তারা স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তার দু’ছেলে মহিতোষ ও পরিতোষের নামে রেকর্ডীয় সাড়ে ৬ বিঘা জমি জাল ডিক্রি ও জাল দলিলের মাধ্যমে দখলে রাখার জন্য ১৯৭১ সালের পর থেকে পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে দেওয়ানী ও ফৌজদারি মামলাও রয়েছে। জমি থেকে উচ্ছেদ করতে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে আদালতে ও থানায় একের পর এক হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হয়েছে। ২০০৯ সালের ২০ মে আত্বীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার সময় জামায়াতের ওই চক্রটি পুলিশকে ম্যানেজ করে তার ছেলে মহিতোষকে আটক করায়। পরদিন তাকে একটি ডাকাতি মামলায় চালান দেওয়া হয়। এরপর থেকে প্রতিপক্ষরা তার বিরুদ্ধে একের পর এক এক ডজনের ও বেশি মামলা দিয়েছে। এমনকি ছোট ছেলে পরিতোষের নামেও ৩টি মামলা দেওয়া হয়েছে। প্রতিপক্ষ রবিউল ইসলাম ও তার ২ ভাই তার ছেলেদের পৈত্রিক জমি ২০১১ সালের ২৯ ডিসেম্বর সাতক্ষীরার সাব রেজিষ্ট্রি অফিস থেকে একটি দলিল করে। দলিলে তাদের ৫ বিঘারও বেশি জমি জালিয়াতির মাধ্যমে লিখে নেয় তারা। এঘটনায় তিনি বাদী হয়ে প্রতিপক্ষ তিনজনসহ সাত জনের নামে জালিয়াতি (সিআরপি-৪০১/১৬) ও দেওয়ানী (৭২/১৬) আদালতে মামলা করেন। যা বর্তমানে বিচারাধীন। সর্বশেষ সবকটি মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়ে ২০১৪ সালের ২৬ আগস্ট সন্ধ্যায় মহিতোষ জেলা গেট থেকে বের হওয়ার সময় ডিবি পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে আসে। আমার পরিবারের সদস্য ও সাংবাদিকদের সহায়তায় মহিতোষ জীবনে বেঁচে গেলেও ২০১৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর তাকে একটি ডাকাতির চেষ্টা মামলায় (জিআর৭৭৯/২০১৪ সদর) গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। সে জামিনে মুক্তি পেয়ে গত ৭ মার্চ বাড়ি আসে। তারা পুলিশকে ম্যানেজ করে তাকেসহ তার পরিবারের সদস্যদের আবারো বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করার চেষ্টা করছে। এনিয়ে তারা মহিতোষকে ছাড়াও তার পরিবারের সদস্যদের ক্রস ফায়ারে দেওয়ার হুমকি ধামকি দিচ্ছে। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা যাতে মিথ্যা মামলা পুলিশ হয়রানি না করতে পারে সেজন্য প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ উর্দ্ধতন পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মহিতোষ হাজরার দু’ মেয়ে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ছাত্রী ইতি হাজরা ও সাতক্ষীরা টেকনিক্যাাল স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্রী তিথি হাজরা।

LEAVE A REPLY