সাধারণ মানুষের বন্ধু হিসেবে যিনি কাজ করতে চান

0
150

স্টাফ রিপোর্টারঃ

দিনে সর্বসাধারণের আইনি সেবা শেষে রাতেও ঘুরে বেড়ায় পথে প্রান্তরে যান সাধারণ মানুষের কাছে। সাধারণ মানুষের কোথাও কিছু হচ্ছে কীনা। কেউ কোনো সমস্যায় পড়েছেন কীনা। কেউ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন সৃষ্টি করছেন কীনা। সকাল থেকেই অফিসের কাজ শেষ হতে অনেক সময় বিকেল গড়িয়ে যায়। আবার কোথাও কোনো অঘটন ঘটলে সেটাও পরিদর্শন করতে হয়। সব মিলিয়ে ব্যস্ততার মধ্য দিয়েই কেটে যায় দিনগুলো। তার সঙ্গে আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাতক্ষীরা সদর সার্কেল মেরিনা আক্তার। তিনি বলেন, সকাল ১০টা থেকে অফিসে ৪টা বেজে যায়। অনেক সময় আরও বেশি সময় পার হয়ে যায়। সন্ধ্যায় বাসায় একটু বিশ্রাম নিয়ে রাত ১০টার দিকে বের হয়ে যায় এলাকায় ডিউটি করতে হয়। পুরো রমজান মাসজুড়ে রাত ৩টা পর্যন্ত আমার ডিউটি চলমান থাকে। সাতক্ষীরায় জামায়াত-শিবির অধ্যুষিত এলাকায় এত রাতে বাইরে থাকতে ভয় হয় কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমার ভয় হয় না। কোনো কিছুতেই যেন মনের মধ্যে কোনো ভীতি কাজ করে না। আমি মনে করি, আমার দায়িত্বে থাকা সাতক্ষীরা সদর থানা ও কলারোয়া থানার মধ্যে যেন কেউ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিরি বিঘ্ন ঘটাতে না পারে। দুষ্কৃতকারীরা চেষ্টা করবে বিঘ্ন ঘটানোর। আমাদেরও সচেষ্ট থাকতে হবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ও জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করার।

satkhira-sarkel-(2)20170601193514 copy

২০০৮ সালে পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন মেরিনা আক্তার। তিনি গোপালগঞ্জ জেলা সদরের শুকরাইল গ্রামের বাসিন্দা। সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেছেন চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি। এটি তার সপ্তম কর্মস্থল। এদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মেরিনা আক্তারের রাত্রিকালীন ডিউটিকে সাধুবাদ জানিয়ে কাটিয়া লস্কর পাড়ার মুক্তা বলেন, অপরাধীরা নির্বিঘ্নে অপরাধ কর্মকাণ্ড সংগঠিত করার জন্য রাতকেই বেশি বেছে নেয়। কিন্তু রাতে পুলিশি তৎপরতা থাকলে একদিকে যেমন অপরাধীরা অপরাধ সংগঠিত করতে পারবে না তেমনি পুলিশ জনগণের সেবক সেটারও সুফলন পাবে। পুলিশের কিছু উশৃঙ্খল সদস্যের কারণে এখন কিছু সদস্যের বদনাম করে। পুলিশ বাহিনীর সকলেই আন্তরিক হলেই পুলিশ যে জনগণের বন্ধু সেটার বাস্তবায়িত হবে।