সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির তথ্যকথা

1
194

মুনসুর রহমান:
১৯৬৮ সালের ২৬ শে ডিসেম্বর “satkhira has no public library’’– এই শিরোনামে তৎকালীন ইংরেজি দৈনিক মনিং নিউজ পত্রিকায় তবিবুর রহমান একটি নিউজ করেছিলেন। এ নিউজটি তৎকালীন মুসলিম লীগের সভাপতি এম এ বারী খাঁ তীক্ষè দৃষ্টি দিয়ে পড়েন এবং ভাবলেন সত্যিই আগামী প্রজম্মের ছেলে-মেয়েদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বাইরের বইয়ের জগৎ সম্পর্কে জানানোর জন্য একটি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। তাই তিনি এ লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করার জন্য ব্যাকুল হয়ে এম.এ গফুর (এম.এন.এ) এর কাছে যান এবং সবকিছু খুলে বলেন। তখন এম.এ গফুর (এম.এন.এ) একটি পরামর্শ সভা করার জন্য সিন্ধান্ত দেন। সে সিদ্ধান্ত মোতাবেক এম এ বারী খাঁ সন্ধ্যাবেলা তাঁর নিজ বাড়ীর সামনে বসার জন্য সকলকে আহবান জানান। সন্ধ্যা হওয়ার আগে সেখানে রূহুল আমিন, এম এ বারী খাঁ, এম এ গফুর (এম.এন.এ), শেখ শামছুর রহমান, এ্যাড. তোফাজউদ্দিন, এ্যাড. আব্দুল গফ্ফার, এ্যাড. মোহাম্মাদ আলী, এ্যাড. শামছুল হক(২) উপস্থিত হয়েছিলেন। সকলের সামনে এম এ বারী খাঁ সাতক্ষীরায় পাবলিক লাইব্রেরি করার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছিলেন এবং তা সকলে শ্রবন করে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার জন্য সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলেন। সেই আসরেই অবৈতিক ভাবে শেখ শামসুরকে সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আর সে সভায় এম এ গফুর (এম.এন.এ) লাইব্রেরির জন্য জমি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং এক পর্যায়ে লাইব্রেরি করার জন্য জমির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।  আর লাইব্রেরির ঘর তৈরির জন্য স্পটে এ্যাড. শামছুল হক(২) – ২০০, এম এ গফুর (এম.এন.এ) ২০০, এ্যাড. মোহাম্মাদ আলী ২০০, ওয়ারেশ খান ২০০, এ্যাড. তোফাজউদ্দিন ২০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং পরে তারা টাকা দিয়েছিলেন। সেই টাকা দিয়ে রাডুলীর ক্ষেত্রপাড়ার পাঁজা থেকে নৌকা যোগে ইট, সিমেন্ট মাটি এবং বালি আনা হয়েছিল।

তৎকালীন আওয়ামীলীগ নেতা রুহুল আমিনের বাড়িতে রাডুলীর কিছু মিস্ত্রী কাজ করার উদ্দেশ্য থাকতো। সে মিস্ত্রীরা সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির ঘরটি তৈরি করে দিয়েছিল। আর ঘর তৈরির পর খায়বার সরদারের ফার্নিচার এর দোকান (পুরাতন আইএফআইসি ব্যাংক ভবন) থেকে লাইব্রেরির বই রাখার জন্য একটি আলমারী ক্রয় করে। তখন আজাদ পাকিস্তান বুক ডিপোর মালিক  মতিয়ার রহমান, ইউনিভার্সাল লাইব্রেরির মাও: মতিয়ার রহমান, কামাল বুক ডিপোর মালিক মহিউদ্দিন, রউফ বুক ডিপোর মালিক রোহেল হক, ফ্রেন্ডস্ লাইব্রেরির মালিক ছরমান মিয়া, ইউনাইটেড বুক সেন্টারের মালিক কাজী আমজাদ হোসেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা মোতালেব এর বাবা মো: আব্দুল হামিদ সহ আরও নাম না জানা কয়েকজন ব্যক্তি প্রায় ত্রিশ খানা বই লাইব্রেরির সকল শ্রেণির পাঠকের পড়ার জন্য ফ্রি দিয়েছিলেন।

তারপর হঠাৎ করেই ১৯৬৯ সালের বর্ষাকালে লাইব্রেরির উদ্বোধনের দিন ঠিক করলেন তৎকালীন মুসলিমলীগের সভাপতি এম এ বারী খাঁ । এবং সকলের বসার জন্য রউফ বুক ডিপোর পাশের দোকান থেকে চেয়ার নিয়েছিলেন। আর উদ্বোধন  প্রস্তুতি না নিয়ে হঠাৎ করে সন্ধ্যার পরে এসে মহাকুমা প্রশাসক সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেছিলেন। সে সময় উপস্থিত ছিলেন এমএ গফুর (এম.এন.এ), এমএ বারী খাঁ, এ্যাড. তোফাজউদ্দিন, এ্যাড. সামছুল হক(২), শেখ শামছুর রহমান, ওয়ারেশ খাঁ, এ্যাড. মোহাম্মাদ আলী, খবির, রাশেদ ডাক্তারের ভাইপো, খিতিশ বাবুর ছেলে সব্রুত বসু (বিলু), বিঞ্চুর বাবুর ছেলে সীতু, ডা: মুজিবর, পৌরসভার  কর্মী মোশারফ সহ প্রায় চল্লিশ জন। আর সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরি উদ্বোধনের সময় উপস্থিত অতিথিদের আপ্যায়ন এর ব্যবস্থা করেছিলেন পৌরসভার কর্মী মোশারফ।

তৎকালীন আওয়ামীলীগ নেতা রুহুল আমিন বলেন, এমএ বারী খাঁ যেভাবে পরামর্শ দিতেন সেভাবে কাজ করেছিলেন শেখ শামছুর রহমান। সেজন্য তখন কোন কাগজে কলমে লেখা হয় নি। তাই ১৯৬৯ সালের কোন মাসের কোন তারিখে সাতক্ষীরা পাবলিক   লাইব্রেরি এর উদ্বোধন হয়েছিল তা বলা সম্ভব নয়। কিন্তু একথা বলা যায় যে, ১২.০৪.১৯৬৯ এ তৎকালীন ইরেজি দৈনিক মনিং নিউজ পত্রিকায় “satkhira has no public library’’– শিরোনামে আবারও একটি প্রতিবেদন বের হয়েছিল। সে অনুযায়ী আওয়ামীলীগ নেতা রুহুল আমিন বলেন, ১৯৬৯ সালের শেষার্ধে বর্ষাকালের সন্ধ্যা বেলায় তৎকালীন মহাকুমা প্রশাসক সফিউর রহমান ‘সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরি’ উদ্বোধন করেছিলেন। আর সে দিন থেকে লাইব্রেরির সভাপতি হিসেবে মহাকুমা প্রশাসক সফিউর রহমান এবং সম্পাদক হিসেবে  শেখ শামছুর রহমান দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাই সে সময় থেকে সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরি স্থাপনের তারিখ উনিশ শত ঊনসত্তর লেখা  হয়। আর সেই থেকেই লাইব্রেরিটি জ্ঞান পিপাসুদের জ্ঞান আহরণ ও ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষালাভের সহায়ক হিসেবে কাজ করে। তাই ঊনসত্তরের গণঅভ্যুথানের ফলে কালের উথাল-পাথাল পরিবেশ এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসের এক ভয়ঙ্কর পথ পাড়ি দিয়ে যারা লাইব্রেরিকে সমৃদ্ধ করেছিল। তারা আজ আর আমাদের মাঝে নেই। আর সাতক্ষীরা কেন্দয়ি পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠায় পেছনে যে সকল ব্যক্তি অবদান রেখেছিল তা বিরল। তাদের পরিচয় অনেকেই জানে না। আর মুক্তিযুদ্ধের সময় সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরিটি পিচ কমিটির অফিস ছিল। এবং ১৯৭১ সালের পুরো সময়টা সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির ঘর দখল করেছিল তৎকালীন থানা পিচ কমিটির সভাপতি সলেমান ও সাধারণ সম্পাদক মোক্তার। সে কারণে লাইব্রেরির অনেক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। তবে বিগত দিনে যে তথ্য উপায়ত্ত ছিল, তার উপর নির্ভর করে সাতক্ষীরার গণমানুষের সাতক্ষীরা কেন্দীয় পাবলিক লাইব্রেরির ইতিহাস জানানো জন্য এই লেখা।
১৪.০৩.১৯৭০ সালের পূর্বে যে কার্যবিবরণীটি প্রথম পৃষ্ঠা  পাওয়া যায় নি। তবে সেখানে একটি এ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত ছিল। সম্ভবত: এটিই লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাকালীন প্রথম লিখিত কমিটি। সেই কমিটিতে পদাধিকার বলে সভাপতি মহাকুমা প্রশাসক সফিউর রহমান ও  এম.এ. গফুর (এম.এন.এ) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বপালন করেছিলেন। এর যথার্থতা, গুরুত্ব ও প্রয়োজনের যৌক্তিকতা অনুভব করে নতুন আঙ্গিকে গঠনতন্ত্রটি সকলের অনুমোদন সাপেক্ষে গঠন করা হয়েছিল। তখন অ্যাড. সামছুল হক-২ এর উপর লাইব্রেরির হিসাব নিরিক্ষণের দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছিল। এবং দৈনন্দিন লাইব্রেরির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একজন লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তখন লাইব্রেরিয়ান হিসেবে প্রথম নিয়োগ পেলেন শেখ আমজাদ হোসেন। তিনি লাইব্রেরির কার্যক্রম নিয়মিত দেখাশুনা করেছিলেন। লাইব্রেরি কতৃপক্ষ পাঠকের কথা চিন্তা করে নিয়মিত পাঠদানের জন্য ‘দি পাকিস্তান অবজারভার’, ‘দি ডন’, ‘দি পাকিস্তান টাইমস’ এবং ‘দৈনিক পাকিস্তান’ নামক পত্রিকাসমূহ লাইব্রেরিতে সংরক্ষণের রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন। পরবর্তীতে প্রচুর ধন সম্পদ ও লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন সার্বভোম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে রুপান্তরিত হয়েছে। আর স্বাধীন বাংলাদেশে লাইব্রেরির কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছিল। এবং সে সময় তৎকালীন মহাকুমা প্রশাসক সৈয়দ আমিনুর রহমান এর সভাপতিত্বে স্বাধীন বাংলাদেশে লাইব্রেরি কার্যকরী পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সভায় ২৫.০২.১৯৭৩ তারিখে আনুষ্ঠিকভাবে লাইব্রেরির দ্বার পুনরায় উদঘাটন করা হয়। আর লাইব্রেরির দ্বার পুন:উদঘাটনের দিন মহাকুমা প্রশাসক আমিনুর রহমানকে সভাপতি ও শেখ শামছুর রহমানকে সম্পাদক করে একটি অন্তরবর্তী কার্যকরী পরিষদ গঠন করা হয়। এবং ১৯৭৫ সালের মার্চ মাসের কোন এক তারিখে শেখ শামছুর রহমান উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য জার্মানি যাওয়ার পূর্ব মুহূর্তে তৎকালীন ইংরেজি দৈনিক মনিং নিউজ পত্রিকার প্রতিবেদক তবিবুর রহমানকে মনোনিত করে সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির দায়িত্ব অর্পণ করে। তারপর শেখ শামছুর রহমান জার্মানি গমন করেন।

৩০.১২.১৯৭৪ এর কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির জায়গা ছোট হওয়ায় লাইব্রেরি নতুন করে স্থানন্তরের জন্য পৌরসভার নিকট থেকে জমি রেজিষ্ট্রি সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। আর সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির নামে ৫ কাটা জমি সাতক্ষীরা সাব রেজিষ্ট্র অফিসে ২৫.০৪.১৯৭৭ তারিখে দুপুর ২ টায় রেজিষ্ট্রি সম্পন্ন হয়। আর পৌরসভার পক্ষে পৌরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান নুর আহম্মদ খান দানপত্রে স্বাক্ষর করেন। সে দলিলে উল্লেখ করা হয়েছিল পৌরসভার মধ্যে কোন পাবলিক লাইব্রেরি নেই বিধায় জনস্বার্থে এই জমি লাইব্রেরিকে দেওয়া হয়েছিল।

তারপর লাইব্রেরির নতুন ঘর সম্প্রসারণের জন্য তৎকালীন মহাকুমা প্রশাসক কাইউম ঠাকুর সরকারি ডেভেলপমেন্টের ফান্ড থেকে ঘর তৈরি করার জন্য ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। আর লাইব্রেরির ঘর তৈরির জন্য এম এ গফুর ও জব্বার এর ইটের ভাটা থেকে গাড়িতে করে ইট, প্রাণ সায়ের তীরবর্তী আকবর এর বাড়ীর পাশ থেকে সিমেন্ট, বালি আনা হয়েছিল। তারপর লাইব্রেরির যাবতীয় কাজ রুহুল আমিনের নেতৃত্বে ফরিদপুরের বানু মিস্ত্রী সহ তার লোকজন করে দিয়েছিলেন। আর  লাইব্রেরির নতুন ভবন উদ্বোধনের সময় সার্বিক সহযোগিতা করেছিল তৎকালীন মহাকুমা প্রশাসক কাইউম ঠাকুর এর সিএ লিয়াকত হোসেন। উদ্বোধনের সময় বর্তমান পাকাপোলের মোড় সংলগ্ন তৎকালীন রউফ বুক ডিপোর পাশের দোকান থেকে চেয়ার আনা হয়েছিল। অত:পর সম্ভব্য ১৯৭৯ সালের কোন এক মাসের কোন এক তারিখে বিকাল বেলা লাইব্রেরির নতুন ভবন উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন মহাকুমা প্রশাসক কাইউম ঠাকুর। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠা ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুল মোতালেব। তবিবুর রহমান, শেখ আজাদ হোসেন, রুহুল আমিন, পৌসভার চেয়ারম্যান নুর আহম্মদ খান, ফজলুর রহমান সহ নাম না জানা আরও প্রায় ৬০ জন। আর উদ্বোধনের সময় আগত অতিথিদের আপ্যায়নের ব্যবস্তা করেছিলেন লিয়াকত হোসেন।

আওয়ামীলীগ নেতা রুহুল আমিন আরও বলেন, ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত লাইব্রেরিটি (বর্তমান সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব এর পানির ট্যাংকের) পূর্ব পাশে ছিল। তবে ওখানে জায়গা ছোট হওয়ায় পরবর্তীতে লাইব্রেরিটি প্রায় ২০০ গজ পূর্বে স্থানন্তর করা হয়।

০১.০১.১৯৭৫ থেকে ৩১.০৮.১৯৮২ সাল পর্যন্ত সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির কার্যকরী পরিষদের কোনো কার্যবিবরণীর সন্ধান পাওয়া যায় নি। তবে  ০৮.০৩.১৯৮৪ সালের কার্যবিবরণীতে সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির সর্বশেষ সভা মহাকুমা প্রশাসক আব্দুস শুকুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এবং সে সময় সাধারণ সম্পাদক তবিবুর রহমানের অসুস্থতার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। তখন সাবেক সম্পাদক শেখ শামছুর রহমানকে অবৈতনিক ভাবে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়। এ সভাতেই সিদ্ধান্ত হয় যে, অত:পর মহাকুমা প্রশাসকের পরিবর্তে জেলা প্রশাসকগণ লাইব্রেরির পদাধিকারবলে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

১৯.০৫.১৯৮৪ তারিখে সাতক্ষীরার প্রথম জেলা প্রশাসক ও লাইব্রেরির সভাপতি হিসেবে প্রথম বৈঠক করেন। এবং পরবর্তী ০৯.১১.১৯৮৪ তারিখের বৈঠকে লাইব্রেরির গঠনতন্ত্রের ভুলভ্রান্তি চিহিুতকরণ সহ সুপারিশ প্রেরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল অ্যাড.শামছুল হক-১ কে। তাঁর সুপারিশকৃত সংশোধিত সংযোজিত গঠনতন্ত্রটি ১৬.০২.১৯৮৫ তারিখে সকলের সম্মতিতে গৃহীত হয়। এবং ওই সভাতেই সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির নাম পরিবর্তন করে ‘সাতক্ষীরা কেন্দীয় পাবলিক লাইব্রেরি’ রাখা হয়।

আর জম্মলগ্ন থেকে যে সকল মহাকুমা প্রশাসক ও জেলা প্রশাসকগণ সাতক্ষীরা কেন্দ্রিয় পাবলিক লাইব্রেরির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে লাইব্রেরিকে গতিশীল করেছেন। তারা হলেন- সফিউর রহমান নভেম্বর ১৯৬৯ – ৩১.০৩.১৯৭০, সিকান্দার হায়াত জামালি ১৮.০৪.১৯৭০ – ০৭.০৭.১৯৭০, খালিদ মেহমুদ আহমদ ১৪.০৭.১৯৭০ –  ১৮.০৪.১৯৭১, এম শাহাজান আলী ২৪.০৫.১৯৭১ – ১৮.০৪.১৯৭২, আমিনুর রহমান ১৮.০৪.১৯৭২ – ০৪.০৫.১৯৭৩, একিউএম কামরুল হুদা ০৬.০৫.১৯৭৩ – ২৩.০২.১৯৭৪, মোহাম্মাদ শহীদুল আলম ২৩.০২.১৯৭৪ – ১৪.০৬.১৯৭৫, এম সাইফুল ইসলাম ১৪.০৬.১৯৭৫ – ১৬.০৩.১৯৭৬, আলাউর রহমান চৌধুরী ১৬.০৩.১৯৭৬ – ১৬.০১.১৯৭৮, আব্দুল কাইউম ঠাকুর ২০.০১.১৯৭৮ – ০৮.০৩.১৯৮০, এম এন নবী ০৫.০৭.১৯৮০ – ২১.০১.১৯৮২, মোহাম্মাদ সাইফুজ্জামান ৩০.০১.১৯৮২ – ১৯.১২.১৯৮২, মোহাম্মদ আবুল ফজল ২০.১২.১৯৮২ – ১০.০৪.১৯৮৩, এম এ শকুর ১০.০৪.১৯৮৩ – ২৪.০২.১৯৮৪, আমিনুর রহমান ২৫.০২.১৯৮৪ – ০৪.০৬.১৯৮৫, খন্দকার শহিদুল ইসলাম ০৫.০৬.১৯৮৫ – ২৫.০৭.১৯৮৭, ভূইয়া রফিউদ্দিন আহমদ ২৬.০৭.১৯৮৭ – ০৭.০৭.১৯৯০, মো: কাতেবুর রহমান ০৮.০৭.১৯৯০ – ১৭.০৮.১৯৯২, মো: মুজিবুর রহমান ১৮.০৮.১৯৯২ – ০৪.০১.১৯৯৫, মুহাম্মদ আব্দুস সালাম ১৯.০১.১৯৯৫ – ০৭.০৯.১৯৯৭, দেবদত্ত খীসা ০৮.০৯.১৯৯৭ – ১১.০৮.১৯৯৮, সাইফুল আলম ১২.০৮.১৯৯৮ – ৩১.০৩.২০০০, মো: আব্দুল মতিন চৌধুরী ০১.০৪.২০০০ – ১২.০১.২০০৩, এ ওয়াই এম একরামুল হক ১২.০১.২০০৩ – ১৯.০৭.২০০৪, মো: ইলিয়াস ১৯.০৭.২০০৪ – ১১.০৯.২০০৬, এবিএম সিরাজুল হক ২৬.০৯.২০০৬ – ১৯.১১.২০০৬, মো: কেফায়েতউল্লাহ ১৯.১১.২০০৬ – ৩১.০৮.২০০৮, মো: মিজানুর রহমান ৩১.০৮.২০০৮ – ২০.০৪.২০০৯, মো: আব্দুস সামাদ ২০.০৪.২০০৯ – ০৪.০২.২০১২, ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার ০৪.০২.২০১২ – ২৪.১২.২০১৩, নাজমুল হাসান ২৫.১২.২০১৩ – ২৬.০১.২০১৬, আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দিন ২৬.০১.২০১৬ চলমান দায়িত্ব পালন করে       যাচ্ছেন।

আওয়ামীলীগ নেতা রুহুল আমিন আরও বলেন, অবৈতনিক ভাবে সম্পাদক হিসেবে শেখ শামসুর রহমান ১৯৬৮ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কিন্তু মহাকুমা প্রশাসক সফিউর রহমান সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরি উদ্বোধনের পর  রেজুলেশন করা শুরু হয়। আর তখন থেকে লিখিত ভাবে রেজুলেশন সম্পন্ন করা হয়। এবং সম্পাদক হিসেবে রেজুলেশন থেকে সংগৃহীত প্রফেসর আব্দুল হামিদ সম্পাদিত ¯্রােত এর ১৮৩ পৃষ্ঠার তথ্য মতে, এমএ গফুর (এম.এন.এ) ১৯৬৯ থেকে ১৯৭১, শেখ শামছুর রহমান ১৯৭৩ ১৯৭৫, তবিবুর রহমান ১৯৭৫ থেকে ০১.০২.১৯৮৪, শেখ শামছুর রহমান ০২.০২.১৯৮৪ – ২৮.০৫.১৯৯৪,  মো: আনিসুর রহিম ২৯.০৫.১৯৯৪ – ০৯.০৪.১৯৯৭, প্রফেসর অসিত কুমার মজুমদার ১০.০৪.১৯৯৭ – ১৪.০১.২০০২, মো: আনিসুর রহিম ১৪.০১.২০০২ – ৩১.১২.২০০৭, নুর মোহাম্মাদ পাড় ০১.০১.২০০৮ – ০৮.১২.২০০৯, মোস্তাক আহমেদ (ভারপ্রাপ্ত) ০৯.১২.২০০৯ – ২৪.০৪.২০১২, নুর মোহাম্মাদ পাড় ২৪.০৪.২০১২ – ২৪.১২.২০১৩, আমিনুল হক (ভারপ্রাপ্ত) ২৪.১২.২০১৩ – ১৮.০৪.২০১৪, নুর মোহাম্মাদ পাড় ১৯.০৪.২০১৪ – ২৫.০৪.২০১৬, মো: কামরুজ্জামান রাসেল ২৫.০৪.২০১৬ চলমান দায়িত্ব পালন করে       যাচ্ছেন।

আর লাইব্রেরিতে বই সমৃদ্ধ ও পরিচালনা পরিষদ শক্তিশালী করণে শেখ শামছুর রহমানের অবদান অন্যান্য। আর তৎকালীন সময় থেকে জীবন ও সাধারণ সদস্য হিসেবে অন্তভুক্ত হয়ে সাতক্ষীরা কেন্দ্রিয় পাবলিক লাইব্রেরিকে সুসংগঠিত করতে সহয়তা করেছেন যে সকল সদস্যবৃন্দ তারা হলেন –

জীবন সদস্য: মো: আশরাফুল কবির, রিফাত আমিন এমপি, রনজু আহমেদ, প্রফেসর অসিত কুমার মজুমদার, আশরাফুল করিম (ধনী), আনিসুর রহিম, সফিক আহমেদ, এ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, শেখ নিয়াজ হাসান, মারুফা আক্তার স্বপ্না, সাবেক এমপি ফরিদা রহমান, এ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, মো: আব্দুল মান্নান, মোখলেছুর রহমান, প্রফেসর আব্দুল হামিদ,  এম আমিরুল ইসলাম, পল্টু বাসার, আহমদ শেখ সাইফুল ইসলাম, জসিমা সবুর, মো: সাইফুল ইসলাম, শ্রী সরোজ কুমার দে, এসএম মোমিনুর রহমান, ফেরদৌসী আরা, মো: আব্দুল হামিদ, কাজী মুহাম্মাদ অলিউল্লাহ, মো: আবু সোয়েব, মো: হেমায়েত উদ্দিন, ডা: খায়রুল মোক্তাদির খান, শেখ রেজাউল ইসলাম, নুর মোহাম্মাদ, মো: একরামুল কবির খান, সিরাজুল ইসলাম, তসনীমুর রহমান ববি, কবির রায়হান, ডা: ইয়াসমিন জাহান শাহিন, আহসান হাফিজ রুমি, ডা: অমর বিন আশরাফ, কাঞ্চন ব্যানার্জী, কাজী সুফিউল্লাহ ফারুকী আবু, অধ্যক্ষ শেখ মুহাম্মদ আকবর হোসেন, আতা রহমান, সৈয়দ সালাউদ্দিন ইউসুফ, মীর ওয়াকিল আলী, কাজী মাসুদুল হক, নুরুজ্জামান সাহেব, শেখ মমতাজুল করিম, মো: ওবায়দুল্লাহ, এম মহাসিন হোসেন বাবলু, জাহাঙ্গীর আলম কবির, কামরুল ইসলাম ফারুক, মো: ইউনুস আলী, রাবেয়া বানু, গাজী শাহাজান সিরাজ, একেএম মইনুল ইসলাম মঈন, কল্যাণ ব্যানার্জি, লায়লা পারভীন সেঁজুতি, মো: সামছুল আলম, মাকছুরা বানু, সহকারী অধ্যাপক পবিত্র মোহন দাশ, সহকারী অধ্যাপক অজিত কুমার হালদার, সৈয়দ মহিউদ্দিন হাসেমী, মো: আবুল হাসান, সহকারী অধ্যাপক পীযূষ কান্তি মল্লিক, সহকারী অধ্যাপক এসএম নাজিমুদ্দিন,  এসএম শফিউল আলম সিদ্দিকী, বিশ্বনাথ রায়, মো: তৈয়েব হাসান সামছুজ্জামান, সুমল কুমার সানা, মো: মাছুম আলী, অধ্যক্ষ মো: নজিবুল ইসলাম, এসএম মাহবুবুর রহমান, মিজানুর রহমান, প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ, লাইলী আশরাফী, দিলারা বেগম, মো: আবু তালেব আজাদ, তপন কুমার মন্ডল, রামা কান্ত সরকার, শেখ আশরাফুজ্জামান দিপু, অধ্যক্ষ মোহাম্মাদ মতিউর রহমান, কাজী শহিদুল হক রাজু, শেখ আব্দুল বাকী, নুর মোহাম্মাদ পাড়, এ্যাড. প্রসাদ কুমার সরকার, মো: মনিরুজ্জামান, মো: আমিনুর রশিদ, এ্যাড. তপন কুমার চক্রবর্তী, সাবেক সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক সায়ফুল আলম, তৃপ্তি মোহন মল্লিক, সাইদুল আনাম, মইনুল হক খান চৌধুরী, সাবেক সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মো: মোশারফ হোসেন ভূঁঞা, এ্যাড.মো: শামসুল হক (২), সহকারী অধ্যাপক অমল কুমার সাহা, প্রফেসর সুকুমার দাশ, প্রভাষ চন্দ্র বৈরাগী, মো: ইকরামুল ইসলাম মারুফ, সাহিদা পারভীন, রওশন আরা খানম, সাফিয়া করিম, সাতক্ষীরা পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আশরাফুল ইসলাম, অধ্যক্ষ খায়রুল ইসলাম, এ্যাড. এস এম হায়দার, ডা: সুশান্ত ঘোষ, এ. কে. ফজলুল আহাদ, ডা: মো: সাহিদুর রহমান, সাতক্ষীরার সাবেক জেলা প্রশাসক মো: আব্দুল মতিন চৌধুরী, সাবেক সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার এ. কে. ফজলুল হক, মো: আনিছুর রহমান, কাজী সিদ্দিকুর রহমান, মো: দেলওয়ার হায়দার, জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান, শেখ নিজাম উদ্দিন, শ্রী নিমাই চাঁদ বিশ্বাস, সাবেক বস্ত্রমন্ত্রী এস এম মনসুর আলী, মোস্তাফিজুর রহমান, মো: রবিউল ইসলাম বাবু, শেখ আবুল বাসার (পিয়ার), মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি, এএইচএম আব্দুল কাদিম, মো: রায়হানুল আলম, অমিত কুমার চক্রবর্তী, কাজী সাফিউল আজম, কিসমত আরা বেগম, মো: মুরাদুল হক, অধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম, তপন ঘোষ, মো: মুজিবুর রহমান, মো: আবুল হোসেন, কাজী মনিরুজ্জামান, নাছিমা খাতুন, বরুণ ব্যানার্জী, মো: নজরুল ইসলাম, শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন, জি এম নুর ইসলাম, মো: আব্দুল বারী, মো: শফিকুর রহমান, শোভার নির্বাহী পরিচালক এহছানুল আনোয়ার, মো: সিরাজুল ইসলাম বাবু, শাহেদা খানম, শঙ্কর কুমার ঘোষ, প্রফেসর এ.কে.এম মোকারম আলী, কাজী মোস্তাকিন হোসেন, ফিরোজ হোসেন চঞ্চল, সাতক্ষীরা পৌরসভার সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী নাজির আহমেদ, মোজাম্মেল হোসেন, মো: ফজর আলী মোল্ল্যা, মো: গোলাম হোসেন, মো: আমিনুল হক খোকন, মীর আমজাদ আলী, মো: সেলিম সরোয়ার, প্রভাষক শামিমা নার্গিস, ডা: হযরত আলী আহমদ, ইজ্ঞিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক মো: আরশাদ আলী, এস এম খলিলুর রহমান, মো: আহসান উদ্দিন বাবু, মো: এমদাদ হোসেন বাবুুুু, মুহা: শহীদ হাসান, প্রভাষক তৌফিক আহমেদ, মো: আমানউল্লাহ বাবু, শেখ আব্দুল গফুর, এম. কামরুজ্জামান, মো: তোজাম্মেল হোসেন, এ্যাড. রবিউল ইসলাম খান, মো: আব্দুল জলিল, মো: আজাহারুল ইসলাম, প্রভাষক মো: রেজাউল করিম, শেখ মাসুদ রানা, রাজিয়া সুলতানা, মোস্তাফা হুমায়ন কবির, শেখ মারুফ আহমেদ, ছবিউল ইসলাম খান, মো: আক্তারুজ্জামান, মুরশিদা আক্তার, মো: জাহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক মো: রফিকুল ইসলাম, জি এম শফিউল আলম, এ্যাড, আহসান হাসীব মুন্না, শেখ আজাহার হোসেন, ডা: আবুল কালাম বাবলা, সিরাজুল ইসলাম, হোসনে আরা আহমেদ, মো: আজাহারুল ইসলাম, মো: সফিকুল ইসলাম, মো: মহিদুল ইসলাম, সাবেক এমপি এম এ জব্বার, সাবেক সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মো: মিজানুর রহমান, ডা: মো: এহসান মাহমুদ, সাবেক জেলা তথ্য অফিসার মো: নুরুল হুদা, মো: জাহাঙ্গীর কবির, মোশতাক আহমেদ (শভ্রু আহমেদ), এস এম সফিউল ইসলাম, মোছা: মনিজা খানম, মো: খাজা শাহাবুদ্দিন, ডা: এম এ হাদী খান, মল্লিক সাহিদ মোস্তফা, অধ্যক্ষ আক্তারুজ্জামান, আসমা সুলতানা, অধ্যক্ষ আব্দুল ওহাব, সুব্রত ঘোষ, আব্দুস ছাত্তার, এস এম শওকত হোসেন, মেসিস ফরিদা আযম শিল্পী, গৌর চন্দ্র দত্ত, শেখ নাসেরুল হক, দীনবন্ধু মিত্র, মোহাম্মাদ আবু সাঈদ,অধ্যাপক রজ্ঞিতা রানী দাশ, শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, ডা: মো: আবুল বাসার, মো: সিরাজুল হক, ভূধর চন্দ্র সরকার, চন্দ্র শেখর দাশ, আবুল হোসেন মো: মকছদুর রহমান, মো: আবু জাফর সিদ্দিকী, মো: মোস্তাফিজুর রহমান, প্রফেসর মোমিনুর রহমান, এস এম আসাদুজ্জামান, ফকির আহমেদ শাহ, শেখ মনিরুজ্জামান, মো: হাফিজুল আল মাহমুদ বিটু, সেলিনা সুলতানা, অধ্যাপক শেখ আব্দুল কাদের, এস এম আমির হামজা, মানছুরা খাতুন, নাজমুল হাসান, জি এম নজরুল ইসলাম রনি, সোহবান আমিন, প্রভাষক বীরেন্দ্রনাথ মাহাতা, জান্নাতুল মাওয়া নাফিয়া, মো: জাহিদুর রহমান, শারাবান তহুরা করবী, মো: লুৎফর রহমান  সৈকত), মো: ইমদাদুল হক, কাজী জামাল উদ্দিন মামুন, শেখ সাঈদ আহম্মদ (রনজু), মীর হাবিবুর রহমান বিটু, মো: গোলাম মোস্তফা, মো: আব্দুল আলিম, নিশিকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, এ্যাড. মো: আব্দুল মজিদ, মো: কামরুজ্জামান রাসেল, প্রভাষক গোপাল চন্দ্র সরদার, এবিএম সামছুল আরিফিন, অধ্যাপক মো: তহিদুর রহমান, মো: শের আলী, মো: আমিনুর রহমান, গাজী মো: সামছুর রহমান, মো: রাউফুজ্জামান, মো: শফিকুল আলম (শফি), মো: শহিদুল ইসলাম, মো: রুহুল আমিন, শেখ মুহমিন আলী, শেখ আলমগীর হাসান, মো: নুওে আলম সিদ্দিকী, এস কে আলতাব মামুন, মো: আবু হেনা, মো: সাইদুল হক, মো: আব্দুস সবুর, শেখ মোকারম হোসেন, মো: মামুনুর রহমান, শেখ জাহাঙ্গীর হাসান  খোকন), শেখ আক্তারুজ্জামান (জুজু), শেখ হাফিজুর রহমান (শাহ আলম), মিসেস তানিয়া সুলতানা লাখি, মো: রোস্তম আলী, ম্যানগ্রোভ প্রকাশনীর সত্ত্বাধিকারী স.ম. তুহিন, শ্রী বিশ্বনাথ ঘোষ, মিনহায আমিনুর রহমান সোহেল, ডা: আফতাবুজ্জামান, এলিজা আক্তার, মো: আমিনুল এহছান, মো: তাহমিদ সাহেদ (চয়ন), শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, ড. কাজী এরতেজা হাসান, মো: সিরাজুল ইসলাম, শেখ সাকিল আহমেদ, মো: আব্দুল কাদের, মো: ওমর ফারুক, মো: সামছুল আরেফিন, মো: নাছির উদ্দিন, মো: মশিউর রহমান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো: আব্দুর রব ওয়ার্ছি, মো: শাহ আলম হাসান (শানু), মো: আল আমিন কবির চৌধুরী  ডেভিড), মো: শফিকুল ইসলাম, মো: মোমিনুর রহমান, মো: আক্তারুজ্জআমান (কাজল), শামিমা পারভীন রতœা, মো: জাহিদুল হক, জি এম সালাউদ্দিন, এস এম নাজমুল হক (পল্টু), মো: রফিকুল ইসলাম, একেএম কামরুজ্জামান, মো: জাহিদুল ইসলাম, কাজী হেমায়েতুল ইসলাম (রাজন), শেখ আবু সালেহ শামছুদ্দিন, মো: শাহাজান কবির, জি এম আদম শফিউল্লাহ, জি এম ওমর ফারুক, মো: মোস্তাফিজুর রহমান, তরুন দেবনাথ, মো: মনিরুজ্জামান (মন্ময় মনির), মো: মোসলেম হোসেন, ডা: অপূর্ব মজুমদার।

সাধারণ সদস্য: নওশের আলী, সঞ্চিতা রানী দেবনাথ, হামিদা খানম, মোছা: সালমা খাতুন, পবিত্র কুমার রায়, মো: শহিদুল ইসলাম, কাজী সাইদুর রহমান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো: মাহমুদুর রহমান, মো: বদিউজ্জামান খান, শেখ নাজমুল হাসান, শেখ শামসুল আলম, মোছা: শাহানা আমান, গাজী আবুল কাশেম, মো: রফিকুল ইসলাম পাটওয়ারী, গৌতম মন্ডল, মো: নাসির উদ্দিন সরদার, মো: মোমিনুর রহমান, মো: রবিউল ইসলাম খান, মনিরা খাতুন, স্বপন কুমার সানা, মো: সাইফুদ্দিন, শেখ আব্দুল ওয়াহেদ, মো: আব্দুল কাদের, ডা: মশিউর রহমান, মো: আব্দুল মালেক, মো: মফিজুল ইসলাম, রেহেনা খাতুন, এস এম মাজেদ, মো: নুরুজ্জামান পাড়, মো: আবুল হোসেন, মিসেস শাহানা হোসেন, এফ এম মনিরুজ্জামান, মোছা: হোসনেয়ারা হোসেন, মো: আবুল হাসান হাদি, মিসেস ইসমত হাসান কমলা, মো: মাজাহারুল ইসলাম, রেহেনা পারভীন, গাজী আবুল কালাম আজাদ, তাওহিদা পারভীন, মো: আব্দুস সামাদ, নারায়ণ চন্দ্র ভদ্র, শওকত হায়দার, মো: আ: সোহবান, গাজী মহব্বত হোসেন,  এম এ জলিল, শেখ শাহিনা আল প্রি¯œ, আবু নাহিদ মো: শাহারিয়ার কবির, মো: মাসুদ আলী গাজী, স্বপন কুমার শীল, দিপায়ন রাহা (তনু), সুতপা রাহা, মো: রুহুর সিদ্দিক, মো: আলতাব হোসেন, বারছাতুন নেছা লাভলী, এম রফিক, এ্যাড. মো: শফিকুল ইসলাম, সৈয়দা সামারাতুর দৌরা, সৈয়দ শফিউল আলম, মোছা: শাহানা হোসেন, মো: রুহুল আমিন, মো: ফিরোজ রহমান, মো: মাহবুবুর রহমান, মো: ইকবাল হোসেন খান, শেখ শফিউদ্দৌলা সাগর, মো: আব্দুল জলিল,  শেখ আফজাল হোসেন, এ্যাড.মো: মোখলেছুর রহমান, আব্দুল আমিন খান চৌধুরী, মেখ নাছিম হাসান, মো: শফিকুল ইসলাম, মো: গোলাম হাসান, মো: শহিদুল ইসলাম, এস এম সাইফুল্লাহ, মোছা: নাজমা আক্তার, মো: ইফতেখার জালাল, মো: সিরাজুল ইসলাম, মো: জাহারুল ইসলাম (টুটুল), মু. আমিরুল ইসলাম, মো: আব্দুল মজিদ, মো: মেহের উল্লাহ, কাজী সেলিম রেজা, মো: আব্দুল খালেক, মো: নজরুল ইসলাম, তসলিমা পারভিন, মো: আলতাফ হোসেন, মো; জহিরুল ইসলাম, এস এম ফসিউর রহমান, শামীমা আক্তার, ডা: মো: আব্দুর রাজ্জাক, মো: গোলাম রাব্বানী, মো: ফয়জুল হক, ডা: মো: রফিকুল ইসলাম, পারভীন শাহানা আক্তার, মো: মিজানুর রহমান, মো: তাহছিন খান, মো: সাজেদুর রহমান, মো: আশিক ইকবাল তপু, মো: হাফিজুল ইসলাম ঢালী, মো: আনোয়ারুল ইসলাম, মেহেরুন্নাহার, এআইএম আহসান, মো: হাবিবুল্লাহ, মো: নজরুল ইসলাম, মো: গোলাম রসুল, হোসনেয়ারা হক, মো: আবুল হাসান, মো:আব্দুল গফ্ফার, এবিএম সেলিম, কাজী আব্দুল হাকিম, মনি শংকর রায়, সুকদেব কুমার বিশ্বাস, শেখ মিরাজ মাহমুদ, তপন কুমার কর্মকার, ভূট্টলাল গাইন, শেখ হারুন-উর-রশিদ, শ্যামল কুমার রায়, মো: ইয়াহিয়া ইকবাল, মো: হোসেন আলী, মোল্ল্যা সাব্বির হোসেন, ডা: মো: মিজানুর রহমান, মো: আসাদুর জামান, মো: ফারুকুল ইসলাম, সুনীত ব্যানার্জী, এসএম আলতাব হোসেন, শেখ আবুল কালাম আজাদ, কাজী শরিফুল ইসলাম, মো: আবুল হাসান, সামসুদ্দিন বাবলু, পরমেশ চন্দ্র ঘোরামী, মহিউদ্দীন আহমেদ, এ্যাড. ফাইমুর হক কিসলু, শেখ বেলাল হোসেন, কিনু লাল গাইন, মো: শাহিনুল করিম, শিবু প্রসাদ সরকার, প্রভাস চ্যাটার্জী, মো: ওবায়দুল্লাহ, শরিফ আহমেদ, মো: ওবায়দুল হক, শিওলী খাতুন, হাজরা আক্তার, মো: হাফিজুর রহমান, মো: মশিয়ার রহমান, কিরম্ময় সরকার, অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, অধ্যক্ষ নাজিরুল ইসলাম, সুভাষ চন্দ্র সরকার, সিরাজুল ইসলাম, হেনরী সরদার, কাজী তাহের হোসেন, মাহমুদ আলী সুমন, স্বরবিন্দু কুমার মন্ডল, মো: গোলাম আজম, মো: মনিরুজ্জামান (সবুজ), জিএম মোমারফ হোসেন, জোৎ¯œা দত্ত, মো: খালিদ মাহমুদ, মো: ঈদুজ্জামান (ঈদ্রিস), মো: আরিফ হোসেন, মো: আসাদুজ্জামান, এস এম আসাদুজ্জামান, প্রভাষক মো: খায়রুল ইসলাম, মো: ফজলুর রহমান, মো: আবু মুছা, মো: গাওসুজ্জামান, মো: বাসারাত উল্লাহ, মো: আব্দুর রশিদ, মো: আজিবর রহমান, গোলাম ফারুক, প্রভাষক আ.ন.ম গাইছার রেজা, মো: অহিদুর রহমান, ডা: এ কে এম আজিজুর রহমান, অন্নাপূর্ণা রানী ঘোষ, মধুসুদন মন্ডল, মো: আব্দুল মালেক, মো: শাহাজান আলী, মো: তোফাজ্জেল হোসেন, মো: আসাদুল আলম, ফেরদৌসী আক্তার, ফরিদা আক্তার, মো: অলিউল্লাহ, ডা: মো: আসাদুজ্জামান, মি: কায়েস আজাদ, মো: আকবর হোসেন, এস এম হাবিবুল হাসান, ম.আ. হাদী সিদ্দিকী, মাহমুদ হাসান (মুক্তি), জিএমএ গফুর, মো: নাসির উদ্দীন, মো: আবুল কালাম, আবুল হোসেন আজাদ, মো: রবিউল ইসলাম, অমল কুমার ব্যানার্জী, মো: আবুল কাসেম, মো: হাবিবুর রহমান, মো: খলিলুর রহমান, এ.টি.এম মিজানুর রহমান, মো: মোমিনুর রহমান, শেখ আব্দর রকিব, মো: রেজাউল ইসলাম, এ্যাড. মো: কামরুজ্জামান (ভ’ট্টো), আব্দুল্লাহ আল ফারুক, মো: কামরুল হাসান,মেখ শাহিনুর রহমান (বাবু), মো: ওকবায়দুর রহমান (লিটন), মো: আবু জাহেদ, মো: খালিদুজ্জামান, মো: আব্দুল গফ্ফার, মো: আজমল হোসেন, মো: মনিরুল ইসলাম, মো: ফয়জুল ইসলাম, মো: জামাল উদ্দীন, মো: আল মুস্তাছির বিল্লাহ, এম এ জলিল, মো: শহিদুল্লাহ, ম. হাবিবুল্লাহ (বাদশা), মো: মুনসুর আলী, কৃঞ্চপদ সরকার, মো: আব্দুল বারী, মো: ময়নুল হাসান, আবু আহমেদ, মো: শাহাদাৎ হোসেন, মো: মহিবুল্লাহ মোড়ল, মো: হাফিজুর রহমান, এ.আর. এম মোবাশ্বেরুল হক জ্যোতি, মো: মফিজুল ইসলাম, মো: রফিকুল ইসলাম, মো: জাহাঙ্গীর আলম (কচি), সন্ধীপ কুমার মন্ডল, এম. এ কাদের, হরিদাস মন্ডল, এ্যাড. শেখ কামাল রেজা, মো: হাফিজুর রহমান, মো: শামীমুল আলম, তপন হালদার, শেখ আলমগীর হোসেন, উৎপল মন্ডল, মো: হায়দার আলী, মো: তানভীর মুরাদ (মুন্না), মোহাম্মাদ মহিউদ্দীন, মো: কামরুজ্জামান, মো: আবু সাঈদ, ডা: তানভীর আহমেদ, মো: মনিরুজ্জামান খান, মনজুর খান চৌধুরী, দীপক মজুমদার, মোছা: রেবেকা পারভীন, মনোরজ্ঞন মন্ডল, হাকীম মো: আমিরুল ইসলাম, মোহাম্মাদ আলী সিদ্দিকী, মোজাম্মেল হোসেন, শেখ মাহবুব আহমেদ মাসুদ, সহকারী অধ্যাপক আশুতোষ সরকার, ডা: আব্দুল ওহাব আজাদ, মো: মছরুর রহমান, মো: আসাদুজ্জামান, শাহিন আরা পারভীন, এম এ জব্বার, মো: আনছার আলী, নাসরিন জামান, ডা: হাবিবুর রহমান, আনিকা নাওয়ার জুঁই, ডা: মুশফিকুর রহমান শুভ্র, শেখ শামসুর রহমান (মিঠু), মো: মহাসিন আলম, মো: আসাদুল ইসলাম, মো: লুৎফার রহমান, মো: শাহিদুল ইসলাম, এস এম শহিদুল ইসলাম, নাছিমা সুলতানা (নিশা), মো: শফিকুল ইসলাম, প্রভাষক আসিফ বায়েজিদ সাগর, মো: রমজান আলী, মো: খায়রুল আলম, মো: রেজাউল করিম, মো: সাইফুল্লাহ, মো: আব্দুল খালেক, অরুণ ব্যানার্জী, মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো: গোলাম মোস্তফা, মো: মুনসুর রহমান, মো: সাইফুর রহমান।

সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার পর থেকে যে সকল লাইব্রেরিয়ান দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা হলেন- শেখ আমজাদ হোসেন ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৪, শেখ আজাদ হোসেন ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৯, শেখ রবিউল ইসলাম ১৯৭৯ থেকে ৩১.০৩.১৯৮২, সৈয়দ আনিসুর রহমান ০১.০৪.১৯৮২ থেকে চলমান। এবং লাইব্রেরির অবকাঠামো বৃদ্ধির ফলে আর একজন লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ দেওয়া হয়। তার নাম ফারুক। আর অস্থায়ী ভাবে লাইব্রেরিকে পরিচ্ছন্ন করে সাজিয়ে রেখেছিল সব সময় যে সকল ব্যক্তি তারা হলেন- শেখ আব্দুল গফুর, আব্দুল্লাহ আল মাবুদ, আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, রোকেয়া, নাজমা, সরবানু।

তথ্যসূত্র ও সহয়তা:
২৬.০৩.২০১৭ তারিখ বিকাল সাড়ে ৩ টায় সাতক্ষীরা কেন্দীয় পাবলিক লাইব্রেরির সভা কক্ষে লাইব্রেরিয়ান ফারুক লাইব্রেরির তথ্যকথা লেখার জন্য পরামর্শ দিয়েছিলেন। এবং প্রফেসর আব্দুল হামিদ সম্পাদিত ¯্রােত সংকলনটি পড়ার জন্য দিয়েছিলেন। আর সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ আনিসুর রহমান, ন্যাপের  সভাপতি হায়দার আলী শান্ত, মো: আনোয়ার হোসেন। সহ নাম না জানা আরও কয়েক জন পাঠক।

০৩.০৩.২০১৭ তারিখ শক্রুবার সকাল ১০:১৫ মিনিটে সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি রিফাত আমিনের বাসায় আওয়ামীলীগ নেতা রুহুল আমিন সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির তথ্যকথা লিখতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষঅরা জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা সরদার হাফিজুর রহমান, মো: হাসান।

০৩.০৩.২০১৭ শক্রুবার বিকাল ০৫:২৪ মিনিটে শহীদ নাজমুল স্মরণি রোডের পাশে অবস্থিত আহছান ফটোষ্ট্র্যাটের দোকানের মালিক শুকচাঁদ গাজীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ২৬.১২.১৯৬৮ এবং ১২.০৪.১৯৬৯ এর তৎকালীন ইংরেজি দৈনিক মনিং নিউজ পত্রিকার কাটিং সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির তথ্যকথা লেখার জন্য ফটোকপি করে দিয়েছিলেন। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন তসনিমুর রহমান ববি ও রহমান।

০৬.০৩.২০১৭ তারিখ রোজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় ভদ্র জুয়েলার্স এর কক্ষে বসে সাতক্ষীরা কেন্দ্রিয় পাবলিক লাইব্রেরির বর্তমান সহ-সভাপতি প্রফেসর আব্দুল হামিদ সাতক্ষীরা কেন্দীয় পাবলিক লাইব্রেরির তথ্যকথা লিখতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক মোবাশ্বেরুল হক জ্যোতি, প্রভাষক অজিত হালদার, ভদ্র জুয়েলার্সের মালিক নারায়ণ চন্দ্র ভদ্র, সৈয়দ সামছুর রহমান, বরিশাল বিভাগীয় জন সমিতি সাতক্ষীরাস্থ প্রতিষ্ঠাতা  হাদিউজ্জামান, শিক্ষক মনোতোষ বিশ্বাস।

০৬.০৩.২০১৭ তারিখ সোমবার সন্ধ্যা ৭.৩২ মিনিটে সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট অফিসে নুরুল ইসলামের মোবাইলের মাধ্যমে সাবেক ছাত্র নেতা খলিলুল্লাহ ঝড়– সাতক্ষীরা কেন্দ্রিয় পাবলিক লাইব্রেরির তথ্যকথা লিখতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক মো: শহিদুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান।

০৭.০৩.২০১৭ তারিখ মঙ্গলবার সকাল ১১:০০ টায় জাহান প্রিন্টিং প্রেসে বসে সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির তথ্যকথা লিখতে পরামর্শ দিয়েছিলেন তৎকালীন ইউনিভার্সাল লাইব্রেরির মালিক মাও: মতিয়ার রহমানের ছেলে মো: ফজলুর রহমান। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন জাহান প্রিন্টিং প্রেসের অপারেটর বিদ্যুৎ পাল, মো: রফিকুল ইসলাম, রসুলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো: শফিউদ্দিন।

০৭ ০৩.২০১৭ তারিখ মঙ্গলবার তৎকালীন আজাদ পাকিস্তান বুক ডিপোর মালিক মতিয়ার রহমান পাকাপোলের মোড সংলগ্ন আজাদ বুক ডিপোর মধ্যে বসে সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির তথ্যকথা লিখতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন আজাদ বুক ডিপোর বর্তমান কর্মচারী মো: আব্দুল গফ্ফার।

০৭.০৩.২০১৭ তারিখ মঙ্গলবার দুপুর ০২: ৩৪ মিনিটে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদের মোবাইলের মাধ্যমে মমতাজুন নাহার সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির তথ্যকথা লিখতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইসমত আরা বেগম, আলাউদ্দিন।

০৮.০৩.২০১৭ তারিখ বুধবার দুপুর ২.১৮ মিনিটে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোতালেব এর ছেলে ডা: উজ্জ্বল মোবাইলের মাধ্যমে সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির তথ্যকথা লিখতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক কাফেলার স্টাফ রিপোটার আব্দুর রহমান, দৈনিক পত্রদূত এর নিজস্ব প্রতিবেদক আব্দুর রহিম।

০৮.০৩.২০১৭ তারিখ বুধবার সন্ধ্যা ০৬: ৩৫ মিনিটে সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহিম লাইব্রেরির সভা কক্ষে বসে সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির তথ্যকথা লিখতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিল লাইব্রেরির স্টাফ ফারুক, সৈয়দ আনিসুর রহমান সহ নাম না জানা আরও অনেক পাঠক।

০৯.০৩.২০১৭ তারিখ বৃহস্পতিবার সকাল ০৯: ৫০ মিনিটে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও সাতক্ষীরা কেন্দ্রিয় পাবলিক লাইব্রেরির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দীন সাতক্ষীরা কালেক্টর ভবনের নিজ অফিসে বসে সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির তথ্যকথা লিখতে পরামর্শ দিয়েছিলেন।                 

                   লেখক: মুনসুর রহমান, সাধারণ সদস্য, সাতক্ষীরা কেন্দিয় পাবলিক লাইব্রেরি।

1 COMMENT