সাতক্ষীরায় স্কুলছাত্রী ধর্ষনের অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা

0
111

স্টাফ রিপোর্টার :
সাতক্ষীরা শহরতলীয় ফিংড়ী ইউনিয়নের এল্লারচরে স্কুল ছাত্রী গণধর্ষনের শিকার হয় যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে। চার ধর্ষকের মধ্যে রয়েছে সেই যুবলীগ নেতার নামও। সে বালিথা গ্রামের অহেদ আলি দর্জ্জির ছেলে ওবায়দুল ইসলাম। তিনি ফিংড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক।
জানা যায়, আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের সুভদ্রাকাটি গ্রামের শওকাত সানার পুত্র লম্পট সোহরাব হোসেন একই এলাকার তার বন্ধুর কালনা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণীতে পড়–য়া কন্যাকে নতুন জামা-কাপড় কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গত শনিবার রাতে কৌশলে সাতক্ষীরা শহরে নিয়ে আসে। পরে তাকে সোহরাব সহ তার বন্ধু এল্লারচর গ্রামের মাহফুজুর রহমানের পুত্র মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, বালিথা গ্রামের হাসেম আলির ছেলে নুর হক ও অহেদ আলির ছেলে যুবলীগ নেতা ওবায়দুল ইসলাম চেতনা নাশক অথবা মাদক জাতীয় কিছু খাইয়ে অজ্ঞানের মাধ্যমে উপর্যুপরি ধর্ষন করে। এসবের নেতৃত্বে ছিল যুবলীগ নেতা ওয়ায়দুল ইসলাম।
মেয়েটির অবস্থা খারাপ ও মারাত্মক অসূস্থ দেখে এল্লারচর গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী ডালিয়া বেগমের বাড়িতে নিয়ে আসে। এ সময় আশ-পাশের লোকজনের সন্দেহ হলে ঘটনাস্থল থেকে সোহরাব ও বাবুকে জনতা হাতেনাতে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়।
নূর হক ও যুবলীগ নেতা ওবাদুল ইসলাম ত্রাস সৃষ্টি ও ভয় দেখিয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। পরে জনতার হাতে আটক দুইজনকে ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এস,আই আব্দুল কাদের সদর থানায় সোপর্দ করে। এছাড়া অচেতন অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে রাতেই তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ হোসেন জানান, ঘটনার অভিযোগে ৪ জনকে আসামী একটি মামলা হয়েছে। ইতিমধ্যে দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি দুইজনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

LEAVE A REPLY