সাতক্ষীরায় বাঁশদহা বাওড় চিংড়ি মহলের ইজারা বাতিলের দাবি সংবাদ সম্মেলন

0
321

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
সাতক্ষীরায় জাল জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে সদর উপজেলার বাঁশদহা বাওড়কে চিংড়ি মহল ঘোষনা পূর্বক এক রাজাকার পুত্রের নামে দেয়া দীর্ঘমেয়াদী বন্দোবস্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় মৎস্যজীবীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান বাঁশদহা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি মোঃ আজিজুল হক। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আজিজুল হক বলেন, সদর উপজেলার বাঁশদহা গ্রামে অবস্থিত বাঁশদহা বাওড়ে মিষ্টি পানির রুই, কাতলা ও গলদা চিংড়ি চাষ করা হয়। এই বাওড়টি জলমহল হিসাবে জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে ইজারা নিয়ে স্থানীয় বাঁশদহা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির লোকজন মাছ চাষ করতো। কিন্ত তালা উপজেলার আঠারই গ্রামের তালিকাভূক্ত রাজাকার পুত্র জিললুর রহমান জেলা জলমহল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য হওয়ায় জাল জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে এই বাওড়কে চিংড়ি মহল ঘোষনা দিয়ে দীর্ঘ দশ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছে। জেলা প্রশাসনের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তারা অবৈধ সুযোগ নিয়ে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে বাঁশদহা বাওড়কে চিংড়ি মহল ঘোষনা করে ভরসা সমিতি ও সাতক্ষীরা মৎস্যজীবী সমিতির নামে একখন্ড এবং জিললুর রহমানের নামে অন্য দুই খন্ড ইজারা প্রদান করে। ইজারা নেয়ার পর সরকারি নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে  আড়াআড়ি ক্রসবাঁধ দিয়ে বাওড়কে চার খন্ডে বিভক্ত করেছে। এবিয়য়ে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি গণ আবেদন জমা দেয়া হয়েছে। তিনি বাঁশদহা বাওড়কে চিংড়ি মহল ঘোষনা পূর্বক দীর্ঘ মেয়াদী দেয়া ইজারা বাতিল করে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী পুনরায় ইজারা প্রদানের দাবি জানান। একই সাথে রাজাকার পুত্রের নামে ইজারা দেয়ার বিষয়টি তদন্ত পূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। এব্যপারে তিনি প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।