সাতক্ষীরায় পাঁচ মাসের শিশু কন্যা রোগে আক্রান্ত ।। টাকার অভাবে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত

0
101

শহর প্রতিনিধি:

জন্মের এক মাসের মাথায়, মাথার বাম ধারে দেখা দেয়া রোগটি টাকার অভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে না পারায় শিশুটির পিতা এখন পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছ। শিশুটির নাম হচ্ছে রেশমী। তার বয়স সাড়ে ৫ মাস। সাতক্ষীরা শহরের বাটকেখালী গ্রামের হতদরিদ্র ভ্যান চালক কোরবান আলী শিশু কন্যাটির পিতা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার দিকে হতদরিদ্র ভ্যান চালক কোরবান আলী সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে আসেন। সাংবাদিকদের সাথে তার শিশু কন্যা রেশমী বিরল রোগে আক্রান্ত হবার কথা জানিয়ে বলেন, সারা রাত ভাল থাকে। সকাল হতেই তার শিশু কন্যার মাথার বাম পাশে টিউমার আকৃতির বিরল রোগেটি বেলা যত বাড়তে থাকে ( ব্লু রংয়ের বৃত্তের মধ্যে থাকা) সেটি ততো বড় হতে থাকে। এবং বিকাল ৪টার দিকে পর্যন্ত বাড়তে-বাড়তে এর আকার ২ থেকে ৩ গুণ বৃদ্ধি পায়। আর তখন তার মাথার যন্ত্রণা ততোই বাড়তে থাকে। যা পিতা হিসেবে সহ্য করা খুবই কঠিন। তিনি আরও জানান, এ অবস্থায় তার এলাকার এক হোমিও চিকিৎসকের চিকিৎসা নেন। তার কন্যার রোগ আরও বেড়ে যায়। ফলে অশিক্ষিত-অগোছালো ভাষায় ভাব প্রকাশ করা ওই শিশুটির পিতা কোরবান আজ থেকে ১৫ দিন আগে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ডাক্তার শামছুর রহমানের শরণাপন্ন হন। তিনি প্রাথমিক ভাবে বিষয়টি দেখার পর শিশুটির সিটি স্ক্যান করার পরামর্শ দেন এবং পরীক্ষাটি ডক্টরস্ ল্যাবে টেষ্টে করানোর জন্য বলেন। তার পরামর্শে শিশু কন্যাকে নিয়ে হতদরিদ্র পিতা ডক্টরস্ ল্যাবে যান এবং সেখানে তার কাছে ১১ হাজার টাকা চাওয়া হলে তার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। টাকার অভাবে তার শিশু কন্যাটির আর সিটি স্ক্যান টেষ্টি করানো হয়নি। যা সদর হাসপাতালে এই টেষ্টের ফি ৩ ভাগের ১ ভাগ। তিনি আরও জানান, দীর্ঘ ১৫ দিনেও ওই টাকা গুছাতে না পারায় তার শিশু কন্যা কোন রোগে আক্রান্ত হয়েছে এবং তার চিকিৎসার টাকা কীভাবে যোগাড় হবে তা হতদরীদ্র ভ্যান চালক কোরবান আলীর জানাই নেই। দুই মেয়ে তাসলিমা আক্তার মুন্নি। বয়স ৫ বছর। ছোট ময়ে রেশমী, বৃদ্ধ মা আর তার স্ত্রীকে নিয়ে এই পাঁচ জনের সংসারের সবাইকে তিন বেলা পেট ভরে খেতেই দিতে পারিনা, সেখানে কীভাবে এই শিশুটি কন্যার চিকিৎসার ব্যবস্থা করবো।