সাতক্ষীরার বিলশিমুল বাড়িয়া জমি সংক্রান্ত বিষয়ে রওশান আরা রুবি’র সংবাদ সম্মেলন

0
75

শহর প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা দেবহাটা উপজেলার বিলশিমুল বাড়িয়া মৌজার ৩ দশমিক ৫৫ শতক জমি সংক্রান্ত বিষয়ে প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কওছার আলীর দেয়া মিথ্যে বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঘের মালিক রওশান আরা রুবি। মঙ্গলবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই প্রতিবাদ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বিলশিমুল বাড়িয়া মৌজার ২৪৫ ও ২৪৭ দাগের মোট ২ একর ১৭ শতক জমির মালিক সদর উপজেলার শিমুলবাড়িয়া গ্রামের মৃত ভীম চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে রতিকান্ত বিশ্বাস ও মৃত ভূষন চন্দ্র দাশের ছেলে রঞ্জন দাশ। তারা পৈত্রিক সূত্রে এসএ ও ডিএস খতিয়ানের মালিক। সেই সূত্রে হাল মাঠ জরিপও তাদের নামে হয়েছে। যার বর্তমানে প্রিন্ট পর্চা ও বেরিয়েছে। বাংলা ১৪২২ ও ১৪২৩ সাল পর্যন্ত ওই জমির খাজনা পরিশোধ রয়েছে। মাছ চাষ করার জন্য বিগত ২০১১ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ওই জমি আমি নিজে নতুন করে ইজারা গ্রহণ করি। পানি উন্নয়ন বোর্ড না বুঝে ওই জমি বাংলা ১৪২১ সালের ৮ পৌষ হতে ১৪২২ সালের ৭ পৌষ এবং ১৪২২ সালের ৮ পৌষ হতে ১৪২৩ সালের ৭ পৌষ পর্যন্ত পৃথক ভাবে পাঁচজনের নামে একসনা ইজারা প্রদান করে। কওছার তাদের মধ্যে দশমিক ৫০ একর জমির একজন ইজারা গ্রহিতা মাত্র। অবৈধভাবে রেকডিয় সম্পত্তি ইজারা দেয়ায় রতিকান্ত ও রঞ্জন পাউবো কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সহকারী জজ আদালতে ২টি মামলা দায়ের করেন। যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। এঘটনার পর পাউবো ওই জমি ইজারা দেয়া বন্ধ করেছে। ফলে এখন থেকে ছয়মাস আগে কওছার গংদের ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। বিগত প্রায় ৩০ বছর ধরে আমরা ইজারা নিয়ে ওই জমিতে মাছের চাষ করে আসছি। সম্প্রতি তাঁতি লীগ নেতা আজিমের নেতৃত্বে কওছার গংরা অবৈধভাবে ওই জমি দখলের পায়তারা চালাচ্ছে। এর আগে কওছার গংদের নামে আদালতে একটি চাঁদাবাজির মামলা হয়। ওই মামলায় সে কারাগারে ছিল। কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে সে আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।  তিনি বলেন, আজিম ও কওছার গংদের অত্যচার থেকে নিষ্কৃতি পেতে আমি প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়ায় তারা আমার উপর আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। যার প্রেক্ষিতে কওছার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এসে সাংবাদিকদের সামনে মিথ্যে তথ্য উপস্থাপন করে সংবাদ সম্মেলন করেছে। সংবাদ সম্মেলনে তার দেয়া বক্তব্য সম্পূর্ন মিথ্যে বানোয়াট ও ভিত্তিহিন। সামাজিক ভাবে আমার সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য সে পরিকল্পিত ভাবে সাংবাদিকদের সামনে এসব মিথ্যে তথ্য উপস্থাপন করেছে। আমি সংবাদ সম্মেলনে কওছার এর দেয়া বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। একই সাথে আজিম ও কওছার গংদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 

LEAVE A REPLY