সাংবাদিক এবিএম মূসার স্মৃতিগ্রন্থ প্রকাশ

0
265

অনলাইন ডেস্ক :

রয়াত সাংবাদিক এবিএম মূসার বর্ণাঢ্য জীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের লেখা নিয়ে স্মৃতিগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ শিক্ষক অধ্যাপক আনিসুজ্জামান সম্পাদিত এবিএম মূসা স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানে হলিডে পত্রিকার সম্পাদক সৈয়দ কামালউদ্দিন বলেন, সাংবাদিকতার বস্তুনিষ্ঠতা সম্পর্কে মূসা ভাই আমাদের যা শিখিয়ে গেছেন, এখন সেটা আস্তে আস্তে হারিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়। আমরা তার কাছ থেকে শিখেছি, কীভাবে সত্যকে, মানুষকে জানাতে হয়। নিউজ টুডের সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, মূসা ভাই ছিলেন, আমাদের পথপ্রদর্শক ও শিক্ষক। আপসহীন, সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ।

সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার বলেন, পাছে লোকে কিছু বলে তা নিয়ে কখনোই ভ্রুক্ষেপ করতেন না মূসা ভাই। সহজভাবে অকপটে সত্যকে উচ্চারণ করেছেন সাহসের সঙ্গে। তীক্ষ্ণ হেডিং তৈরির দিশারি ছিলেন তিনি। বিশেষ অতিথি ঢাবি উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, মূসা ভাই বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা করে গেছেন। তাকে নিয়ে লেখা এই স্মারকগ্রন্থ থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, মূসা ভাই ছিলেন, ব্যবহারিক সাংবাদিকতার শিক্ষক। সভাপতির বক্তব্যে প্রধান তথ্য কমিশনার অধ্যাপক গোলাম রহমান এবিএম মূসার বর্ণাঢ্য জীবন-কর্ম নতুন প্রজন্মের কাছে পাথেয় হয়ে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাংবাদিক কবি হাসান হাফিজের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, প্রবীণ ক্রীড়া সাংবাদিক মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, সাংবাদিক এইউএম ফখরুদ্দিন, রয়টার্সের আলোকচিত্রী এবিএম রফিকুর রহমান, বিএফইউজের মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমা হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রোবায়েত ফেরদৌস, মাওলা ব্রাদাসের প্রকাশক আহমেদ মকসুদুল হক, প্রয়াত সাংবাদিক এবিএম মূসার কন্যা সাংবাদিক ঝুমা পারভীন সুলতানা বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান ও প্রয়াত সাংবাদিকের স্ত্রী সিতারা মূসাও উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ৮৩ বছর বয়সে সাংবাদিক এবিএম মূসা মারা যান। তাকে নিয়ে লেখা ৩২০ পৃষ্ঠার স্মারকগ্রন্থ নিয়ে এ বি এম মূসা-সেতারা মূসা ফাউন্ডেশন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।