সরকার রোহিঙ্গাদের সাময়িক আশ্রয়দানের বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে বিবেচনা করছে : মায়া

0
15

অনলাইন ডেস্কঃ

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম বলেছেন, সরকার রোহিঙ্গাদের সাময়িক আশ্রয়দানের বিষয়টি সম্পূর্ণ মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে বিবেচনা করছে। তিনি বলেন, বিপুল সংখ্যক বিদেশী নাগরিকের আশ্রয় প্রদান বাংলাদেশের জন্য কষ্টকর হলেও, মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের সাময়িক সময়ের জন্য সীমান্তবর্তী একটি এলাকায় আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাদের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব সকল ধরনের মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করারও চেষ্টা করা হচ্ছে। মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া শুক্রবার কক্সবাজারের কুতুপালং শরনার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল মতিন খসরু, কেবিনেট সচিব মো. সফিউল আলম, সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান, সাইমুন হক ও আশিকুর রহমান এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. শাহ্ কামাল এসময় উপস্থিত ছিলেন। ত্রাণমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশসহ সকলের সাথে সুসম্পর্কে বিশ্বাস করে। আলাপ আলোচনা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে, অতি অল্প সময়ের মধ্যে, এ সংকটের সমাধান সম্ভব বলে ‘আমরা মনে করি। আমরা আশা করি মিয়ানমার অতি দ্রুতই তার নাগরিকদের ফিরিয়ে নিবে’। তিনি বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে। পূর্বে আসা এসব নাগরিকরা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় মানবেতর জীবন যাপন করছে। মায়া চৌধুরী বলেন, ২৫ আগস্টের পর থেকে নতুন করে বিপুল সংখ্যক মিয়ানমার নাগরিক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, নদী ও সাগর পথে বাংলাদেশে আসছে। ২৫ আগস্টের পর থেকে আজ পর্যন্ত অনানুষ্ঠানিকভাবে ৩ লাখেরও বেশী রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে এবার রোহিঙ্গাদের আসার হার অনেক বেশী। মন্ত্রী বলেন, নারী, শিশু ও অসহায় অনুপ্রবেশকারীদের করুণ চিত্র বিশ্ববাসীর নজরে এসেছে এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ববাসী এ নিয়ে বিশেষ উদ্বিগ্ন। অসহায় এই মানুষগুলোর দুঃখ-দুর্দশা মানবিক সংকট তৈরী করেছে। আন্তর্জাতিক সংগঠন ও সম্প্রদায়কে এ অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়ে তিনি এ লোকগুলোকে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে চাপ দেয়ার জন্যও তাদের প্রতি অনুরোধ জানান।

LEAVE A REPLY