সফল হলো না ভিক্ষুক মুক্ত অভিযান

0
80

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি :
বর্তমান সরকার মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার জন্য নিরলস পরিশ্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। সাথে সাথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ধাপে ধাপে বিভিন্ন সময়ে গ্রহণ করা হচ্ছে বিভিন্ন বাস্তবমুখী সরকারি পদক্ষেপ। গ্রহণ করা হয়েছে ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। দুঃখের বিষয় হলো দীর্ঘদিনের অভ্যাস সহজে কি ছাড়া যায়?
ভিক্ষুকদের পুনঃবাসনের সাথে সাথে বিভিন্ন কর্মে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। শ্লোগান ছিল একটাই ভিক্ষাবৃত্তি করব না, হালাল ব্যবসা ছাড়ব না। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ভিক্ষুকদের তালিকা প্রনয়ণ করে ইউনিয়ন পর্যায়ে তাদের সে সকল ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়। পাটকেলঘাটার সরুলিয়া ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ভিক্ষুকদের বাজারে কাঁচামালের ব্যবসা পরিচালনার জন্য নগদ অর্থ ও মালামাল দিয়ে ডিসি মহোদয়ের উপস্থিতিতে উদ্বোধন করা হয়। এমনই কার্যক্রম পাটকেলঘাটা সহ তালা উপজেলার প্রায় সকল ইউনিয়নে গৃহীত হয়। অথচ যে লাউ সেই কদু। পাটকেলঘাটার হাট-বাজারে প্রতি বুধ ও শনিবারে ভিক্ষুকের সংখ্যা থাকে অগণিত। এর ভেতর কেউ কেউ সুস্থ থাকলেও পেশাদারি ভিক্ষাবৃত্তি করে থাকে। বিকলাঙ্গ বা প্রতিবন্ধী সেজেও কখনও কখনও ভিক্ষাবৃত্তি করতে দেখা যায়। ভিক্ষুকদের পুনঃবাসন করা স্বত্বেও কেন এত ভিক্ষুক তা নিয়ে ভাবিয়ে তুলেছে পাটকেলঘাটাবাসীদের। বাজার জুড়ে চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। সাধারণ মানুষ বলছেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ডিসি মহোদয় সহ সকলে ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধের লক্ষ্যে অভাবনীয় উদ্যোগ গ্রহণ সহ বাস্তবমুখী কাজ পরিচালনা করছেন। অথচ সুস্থ স্বাবলম্বী ভিক্ষুকদের পেশাদারিত্বে সকল প্রচেষ্টা যেন ভেস্তে যেতে বসেছে । এ বিষয়ে সরুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বলেন, ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে পুনঃবাসন সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আশাকরি আস্তে আস্তে সেগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ হোসেন বলেন, ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে পুর্নবাসনের ব্যবস্থা সহ নগদ অর্থ দিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। দুই একজন ভিক্ষাবৃত্তি করলেও মানসিক পরিবর্তনের সাথে সাথে বন্ধ হয়ে যাবে।

এস.এম মফিদুল ইসলাম

LEAVE A REPLY