শ্যামনগরে ‘তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও উপকূলীয় অঞ্চলে গ্রামীণ নারীর টিকে থাকার সংগ্রাম’ শীর্ষক মতবিনিময়

0
114

ডেস্ক রিপোট: বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় শ্যামনগর পাবলিক লাইব্রেরি মিলনাতনে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক আয়োজনে ‘তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও উপকূলীয় অঞ্চলে গ্রামীণ নারীর টিকে থাকার সংগ্রাম’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য দেলায়ারা বেগমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা সংস্থা উপজেলা শাখার চেয়ারম্যান শাহানা হামিদ। সভায় শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ও রমজাননগর ইউনিয়নে পরিচালিত ‘তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও উপকূলীয় অঞ্চলে গ্রামীণ নারীর টিকে থাকার সংগ্রাম’ বিষয়ক একটি সমীক্ষা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বারসিক কর্মকর্তা মফিজুর রহমান। এতে উপকূলীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে নারীদের নানা রোগ বৃদ্ধি, পারিবারিক কাজে লবণ পানির ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা, নদীতে অস্বাভাবিকভাবে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি, বর্ষা মৌসুমে সময়মত বৃষ্টি শুরু না হওয়া, বর্ষাকালের সময়সীমা কমে যাওয়া, বৃষ্টি শুরু হলে একাধারে বৃষ্টি হওয়া, কোন বছরে শীত বেশী আবার কোন বছরে শীত কম পড়া, ছয় ঋতু না থাকা, তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া এবং অসময়ে ঠান্ডা বা গরম পড়া, ফলন কমে যাওয়া, ফসলের বৈচিত্র্য কমে যাওয়া, প্রাণির সংখ্যা কমে যাওয়া, পেশার পরিবর্তন, মানুষের আচরণের পরিবর্তন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, সাইক্লোনের সংখ্যা এবং গতিবেগের ও গতিবিধির পরিবর্তন, সুপেয় পানির আধার কমে যাওয়া, নদী ভাঙ্গন, জলজ প্রাণির সংখ্যা কমে যাওয়া, ফসল-সম্পদ ও জীবনের ক্ষতি হওয়া, নদীতে জোয়ার বৃদ্ধির কারণে বেড়িবাধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত হওয়া, জলাধারের পরিবর্তন, মাটির গুণগত মান পরিবর্তন, ফসলের বৈচিত্র্যে পরিবর্তন, গবাদিপশুর উপর প্রভাব, সুন্দরবনের সম্পদের উপর মানুষের নির্ভলশীলতা বৃদ্ধি ও সম্পদ কমে যাওয়াসহ নানা প্রভাব এবং এর ফলে নারীদের টিকে থাকার অব্যাহত প্রচেষ্টার নানা তথ্য তুলে ধরা হয়। পরে মনন জয় মন্ডলের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন – শ্যামনগর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আকরাম হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা জনসংগঠন সমন্বয় কেন্দ্রের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, কৃষাণী ফরিদা পারভীন, অল্পনা রানী, সুন্দরবন স্টুডেন্টস সলিডারিটি টিমের সভাপতি মারুফ হোসেন মিলন প্রমুখ।