শ্যামনগরে অব্যাহত বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে

0
107

 

শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
শ্যামনগর লাগামহীন পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে জনপদের সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। প্রচন্ড গরম আর বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে এ এলাকার শিশুরা পড়ছে নানা রোগে। সরকারের শত উন্নয়ন নষ্ট করতে বিদ্যুতের এক শ্রেণির কর্মচারীরা ইচ্ছামত বিদ্যুৎ সরবরাহ করে চলেছে। এদিকে মাস শেষে আসছে দ্বিগুন বিদ্যুৎ বিল। কোন কারণে এক মাস বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করতে পারলে,নোটিশ ছাড়াই বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেয়া হচ্ছে।পরবর্তীতে মোটা টাকার বিনিময় আবার সংযোগটি হয়রানীর মাধ্যমে লাগিয়ে দেয়া হচ্ছে।পল্লি বিদ্যুতের স্থানীয় কর্মচারীদের নানা কারণে শ্যামনগরবাসী বিভিন্ন সময়ে হয়রানীর মধ্যে। সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে পল্লী বিদ্যুতের কাছে।তাদের যেন অভিযোগ করার কোন সুযোগ বা জায়গা নেই।সামান্য কোন সমস্যা হলে দেখা যায়,জেলার বিভিন্ন উপজেলা বা গুরুপ্তপুর্ন স্থানে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদে ফেটে পড়ছে।আদায় করে নিচ্ছে তাদের নার্য্য অধিকার। তবে কি এদিকে থেকে শ্যামনগরের সাধারণ মানুষ দুর্ভাগ্যের মধ্যে। সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে। কয়েকদিন পার্শ্ববর্তী কালিগন্জ  উপজেলা চেয়ারম্যানেরর নেতৃত্বে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। নিয়মনীতি ভেঙ্গে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা যেন লেগেই আছে। এ সকল অবস্থার কোন প্রতিবাদ না থাকায় দুর্নীতি বাজরা বেঁচে নিয়েছে শ্যামনগর জনপদ । এখানে দিনের পর দিন আকড়ে ধরে চালিয়ে যাচ্ছে অনিয়ম দুর্নীতি। বছরের পর বছর অবস্থান করছে একেকজন সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীরা। এসকল দুর্নীতি বাজরা গর্ব করে বলে শ্যামনগর জনপদের মানুষ খুবই ভাল। তারা খুবই সহজ সরল। এ অজুহাতে চালিয়ে যাচ্ছে সুচতুর দুর্নীতি বাজরা তাদের কার্য্যক্রম। সব কিছুই একটি নিয়মের মধ্যে থাকার কথা। ঠিক আছে পল্লী বিদ্যুতের ও একটি নিয়ম কানন। সাধারণ গ্রাহকদের জানার জন্য বা অবগত করার জন্য নির্দেশনা রয়েছে পল্লী বিদ্যুতের। কখন বিদ্যুত থাকবেনা, কি কারণে থাকবে না, কতক্ষণ  থাকবে না সব কিছু সাধারণ গ্রাহকদের জানাতে হবে। বিদ্যুৎ বিছিন্ন করার আগে মাইকিং করতে হবে। অথচ গ্রাহকদের কোন কিছুই  না জানিয়ে ইচ্ছামত লাগামহীন বিদ্যুৎ বিছিন্ন করে রাখা হয়েছে, শ্যামনগর জনপদ। ডিজিলাইশনের সকল কার্যক্রম থমকে দেয়া হচ্ছে। মাসের শেষে কোটি কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করছে এ এলাকার গ্রাহক সমাজ। অথচ বিদ্যুৎ বিভ্রাট কেন হচ্ছে, তা তাদেরকে জানানোই হচ্ছে না। গ্রাহকদের একজন প্রতিনিধি বা পরিচালক থাকেন যিনি বিদ্যুৎ সুবিধা অসুবিধা দেখবেন। কিন্ত গ্রাহক সেই পরিচালককে চোখেই দেখিনি এখনও, তো নিজেদের অসুবিধার কথা কখন বলবে।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পল্লী বিদ্যুতের এক কর্মচারীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন,বিভিন্ন লাইন সম্প্রসারণের কাজ চলছে,যার কারণে একটু সমস্যা হচ্ছে,তবে দ্রুত এর সমাধান হবে।
এস কে সিরাজ

 

LEAVE A REPLY