শীতে দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায়

0
262

বরুণ ব্যানার্জী:

সকালের কুয়াশা আর ঠান্ডা হাওয়া জানান দিচ্ছে শীত এসে গেছে। শীতের কারণে পাখিরা গাছের ডালে জবুথবু হয়ে বসে থাকে, ঘাসের ওপর শিশির বিন্দু জমে থাকতে দেখা যায়। এসব শীত আগমনের লক্ষণ। প্রতিবছর শীতকাল আমাদের মাঝে আসে, আবার চলেও যায়। কিন্তু কষ্ট হয় অসহায় ও দুঃখী মানুষের। প্রকৃতির অমোঘ নিয়মেই ঋতুর পালাবদল ঘটে, শীতের আগমন ঘটে। আর শীতের কারণে, বায়ুমন্ডলে তাপমাত্রা ও আদ্রতা হ্রাস পায়। আবার দিনের বেলা সূর্যের ক্ষীণতাপে বাষ্পীভূত জলীয়কণা কুয়াশায় রূপান্তরিত হয় এবং কখনো তাপমাত্রা বেশি কমে যাওয়ায় ঘটে তুষারপাত। প্রকৃতির এমন বিরূপতায় বয়স্ক ও শিশুসহ সব মানুষের সহনমাত্রা ছাড়িয়ে দেখা দেয় সর্দি-কাশি, জ্বর, হাঁপানি ও পেটেরপীড়াসহ নানান জটিল রোগ। দৈনন্দিন কর্মপরিবেশে ছন্দপতনের কারণে খেটে খাওয়া মানুষের কাজের সুযোগ ও সক্ষমতা কমে আসে। শীত নিবারণের সামান্য কাপড় ও দুর্যোগকালে খাবারের অভাবে কষ্ট পায় অসংখ্য মানুষ। শীতার্ত মানুষের প্রতি সমাজের সামর্থ্যবান ও বিত্তশালীদের সাহায্য ও সহানুভূতির হাত সম্প্রসারিত করা প্রয়োজন। পর্যাপ্ত পরিমাণে শীতবস্ত্র সরবরাহ করে সাধ্য মতো শীতার্তদের পাশে দাঁড়ানো দরকার। নিঃস্বার্থভাবে বিপদগ্রস্ত মানুষের সাহায্য ও সেবা করা মানবধর্ম। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমাজের বিত্তবান ও মানবিক বোধসম্পন্ন ব্যক্তিরা যদি দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তা হলে মানুষকে অযাচিত দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। আর সেই এগিয়ে আসাটা যত দ্রুত হবে, মানুষের কষ্টের হার তত কমবে।