শিক্ষক নিবন্ধন শিক্ষিত বেকার

0
374
বিপুল কান্তি চৌধুরী:

বাঙালি স্বপ্নবাজ জাতি।স্বপ্ন দেখেছিল দেশকে স্বাধীন করবে,করেছিল।অনায়াসে সেটা আসেনি,করতে হয়েছিল দীর্ঘ সংগ্রাম।সেই বাংলার মাটিতে আজও স্বপ্ন বুনে চলে শিক্ষিত সন্তান,তাদের শ্রমজীবী বাবা মা।সেই স্বপ্ন সন্তানকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষের মত মানুষ করা।কারও স্বপ্ন আরও বিস্তৃত। সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য দরকার একাডেমী শিক্ষা।বাংলাদেশে এখন মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক  বিদ্যালয়ের সংখ্যা (এমপিওভুক্ত) প্রায় সাড়ে ২৬ হাজার।যেখানে হাজার হাজার শিক্ষকের পদ খালি।এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে দীর্ঘদিন বিষয়ভিত্তিক কোনো শিক্ষক নেই।
সরকার এই সমস্যা সমাধান কল্পে এনটিআরসিএ কার্যক্রম শুরু করে।কিন্তু সেই প্রথম থেকেই এর কার্যক্রম ছিল গোজামেলে।ঠিক মত ইরিকিউজেশনের খোজ খবর না নেওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের চাহিদাপত্র দেয়নি।ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানে পদ খালি থাকা সত্ত্বেও অনেকেই নিয়োগ পাননি।
আবার উপজেলা কোঠা প্রচলন করার কারণে অনেক মেধাবী নিবন্ধনধারী চাকরি পাননি।অনেকে আবার একাধিক প্রতিষ্ঠানে সু্যোগ পেয়েও যোগদান করেননি।এসব ফাকা পদ গুলোতে অন্যদের নিয়োগের ব্যবস্থা এনটিআরসিএ করেনি।
এসব নিয়ে নিবন্ধন ধারীরা আদালতে রিট করেন।রিটে আদালত উপজেলা কোটা বাতিল পূর্বক জাতীয় মেধাতালিকা প্রণয়ন করে নিয়োগের কথা বলেন।এখন দেখার বিষয় কবে কিভাবে সম্পূর্ণ হয়।
কবে স্বপ্ন পূরণে সারথি হয় হবু শিক্ষক গণ।আরও একটি বছর চলে গেল।অপেক্ষাকে বাড়িয়ে দিয়ে।কবে পুর্ব দিগন্তে সূর্য উঠবে রক্তলাল সেই অপেক্ষায় নিবন্ধন ধারী শিক্ষিত জাতি।