রেটিনা স্ক্যানড স্মার্টকার্ড : অনন্য দৃষ্টান্ত বাংলাদেশ

0
115
অনলাইন ডেস্ক: উন্নত দেশগুলোতে দাগী অপরাধীদের ১০ আগুলের ছাপ আর চোখের রেটিনা স্ক্যান করে রাখা হয়। অপরাধীরা যেই দেশেই গ্রেফতার হোক না কেন এবং ধরা পড়ুক না কেন আসল পরিচয় বেরিয়ে আসবে। বিশ্বের প্রায় সব উন্নত দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এই রেটিনা সংগ্রহ করে রাখে। তারই ধারাবাহিকতায় অপরাধীদের তথ্য সংগ্রহে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রেটিনা পদ্ধতি চালু করেছিল র‌্যাব।

এখন একই ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষও। স্মার্টকার্ডের মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক এখন এই রেটিনা স্ক্যানিংয়ের আওতায় চলে আসবে। পশ্চিমা বিশ্বের কয়েকটি দেশ লাইসেন্স আর পাসপোর্ট আবেদনকারীদের রেটিনা স্ক্যান করে রাখে। তবে পৃথিবীর ইতিহাসে বাংলাদেশই প্রথম যারা প্রতিটি নাগরিকের স্মার্টকার্ড সংগ্রহ করে রাখছে।

রোববার (২ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই স্মার্টকার্ড কার্যক্রম উদ্বোধনের পর স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

যেখানে পৃথিবীর কোনো দেশ শতভাগ নাগরিকের রেটিনা সংগ্রহ করে স্মার্টকার্ড দিতে পারেনি সেখানে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ এটি করে দেখাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি নজিরবিহীন কার্যক্রম। এর ফলে স্মার্টকার্ডের জালিয়াতি প্রায় অসম্ভব। দ্রুত শনাক্ত হবে অপরাধী, কমে আসবে অপরাধ।

এ বিষয়ে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি-দক্ষিণ) মাশরুকুর রহমান খালেদ জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা শনাক্ত করে স্মার্টকার্ড দেয়ার কারণে এগুলো ডুপ্লিকেট বা নকল করা সহজ হবে না। রেটিনা স্ক্যান থাকার কারণে কোনো অভিযুক্তকে ধরলে তাকে খুব দ্রুত অপরাধী হিসেবে শনাক্ত করা যাবে, তদন্ত কাজ ত্বরান্বিত হবে। এতে অপরাধ প্রবণতাও কমে আসবে।

র‌্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা নিয়ে রাখার উদ্যোগ ইতিবাচক। এতে অপরাধী শনাক্ত অনেক সহজ ও দ্রুততর হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন জাগো নিউজকে বলেন, রেটিনা ও ডিএনএর মতো ডাটা সংরক্ষণে জঙ্গি বা বড় বড় আইডেন্টিফিকেশন সহজ হবে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ।

নতুন এই স্মার্টকার্ডে নাগরিকের বায়োমেট্রিক তথ্য, দশ আঙ্গুলের ছাপ এবং রেটিনা স্ক্যান ইত্যাদি মাইক্রোচিপে স্থাপন করা হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত করার সাহস দেখায়নি পৃথিবীর কোনো দেশ।

মঙ্গলবার ফেসবুকের এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, “গতকাল ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হওয়ার পথে এখন পর্যন্ত নেয়া আরও একটি বড় পদক্ষেপ নেবার দিন। আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র চালু করেছে। এগুলো হচ্ছে স্মার্টকার্ড যাতে বিল্টইন চিপ রয়েছে, যা জাল করা প্রায় অসম্ভব। এই কার্ডে সংরক্ষিত তথ্য এবং আমাদের ডাটাবেজটি সম্পূর্ণরূপে এনক্রিপ্ট করা। যখন আপনি আপনার নতুন কার্ডটি নেবেন তখন আমরা আপনার নতুন বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ করবো যার মাঝে আছে রেটিনা স্ক্যান, যেটি আঙ্গুলের ছাপ থেকে অনেক বেশি নির্ভুল। বাংলাদেশ আমার জানামতে একমাত্র দেশ, যে দেশ তার নাগরিকদের শনাক্ত করতে রেটিনা স্ক্যান প্রযুক্তির ব্যবহার করছে।”

মেশিন-রিডেবল এই কার্ডের মাইক্রোচিপে রেটিনা স্ক্যান ছাড়াও রয়েছে আরো ৩২টি মৌলিক তথ্য।

নতুন ও অনন্য এই প্রযুক্তির বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা ও আঙ্গুলের ছাপসহ অনেক ধরনের ডাটা এই কার্ডে সংরক্ষিত করা হয়েছে। কার্ডের ফিজিক্যাল লেয়ার বিশ্বমানের, যা ডুপ্লিকেট করা সহজ নয়। এটা ভালো উদ্যোগ। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, এগুলো বাংলাদেশের নাগরিকদের খুব সেনসিটিভ (সংবেদনশীল) তথ্য। সর্বোচ্চ গোপনীয়তার সঙ্গে সংগ্রহে রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে ডাটাগুলো যাতে সিকিউরড বা নিরাপদ থাকে। তাহলেই কেবল এই মহৎ উদ্যোগ সফল হবে।

এই কার্যক্রমের আওতায় দেশের প্রায় ৯ কোটি নাগরিকের রেটিনা বাংলাদেশের সরকারের ভাণ্ডারে সংগৃহীত থাকবে।উন্নত দেশগুলোতে দাগী অপরাধীদের ১০ আগুলের ছাপ আর চোখের রেটিনা স্ক্যান করে রাখা হয়। অপরাধীরা যেই দেশেই গ্রেফতার হোক না কেন এবং ধরা পড়ুক না কেন আসল পরিচয় বেরিয়ে আসবে। বিশ্বের প্রায় সব উন্নত দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এই রেটিনা সংগ্রহ করে রাখে। তারই ধারাবাহিকতায় অপরাধীদের তথ্য সংগ্রহে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রেটিনা পদ্ধতি চালু করেছিল র‌্যাব।

এখন একই ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষও। স্মার্টকার্ডের মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক এখন এই রেটিনা স্ক্যানিংয়ের আওতায় চলে আসবে। পশ্চিমা বিশ্বের কয়েকটি দেশ লাইসেন্স আর পাসপোর্ট আবেদনকারীদের রেটিনা স্ক্যান করে রাখে। তবে পৃথিবীর ইতিহাসে বাংলাদেশই প্রথম যারা প্রতিটি নাগরিকের স্মার্টকার্ড সংগ্রহ করে রাখছে।

রোববার (২ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই স্মার্টকার্ড কার্যক্রম উদ্বোধনের পর স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

যেখানে পৃথিবীর কোনো দেশ শতভাগ নাগরিকের রেটিনা সংগ্রহ করে স্মার্টকার্ড দিতে পারেনি সেখানে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ এটি করে দেখাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি নজিরবিহীন কার্যক্রম। এর ফলে স্মার্টকার্ডের জালিয়াতি প্রায় অসম্ভব। দ্রুত শনাক্ত হবে অপরাধী, কমে আসবে অপরাধ।

এ বিষয়ে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি-দক্ষিণ) মাশরুকুর রহমান খালেদ জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা শনাক্ত করে স্মার্টকার্ড দেয়ার কারণে এগুলো ডুপ্লিকেট বা নকল করা সহজ হবে না। রেটিনা স্ক্যান থাকার কারণে কোনো অভিযুক্তকে ধরলে তাকে খুব দ্রুত অপরাধী হিসেবে শনাক্ত করা যাবে, তদন্ত কাজ ত্বরান্বিত হবে। এতে অপরাধ প্রবণতাও কমে আসবে।

র‌্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা নিয়ে রাখার উদ্যোগ ইতিবাচক। এতে অপরাধী শনাক্ত অনেক সহজ ও দ্রুততর হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন জাগো নিউজকে বলেন, রেটিনা ও ডিএনএর মতো ডাটা সংরক্ষণে জঙ্গি বা বড় বড় আইডেন্টিফিকেশন সহজ হবে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ।

নতুন এই স্মার্টকার্ডে নাগরিকের বায়োমেট্রিক তথ্য, দশ আঙ্গুলের ছাপ এবং রেটিনা স্ক্যান ইত্যাদি মাইক্রোচিপে স্থাপন করা হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত করার সাহস দেখায়নি পৃথিবীর কোনো দেশ।

মঙ্গলবার ফেসবুকের এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, “গতকাল ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হওয়ার পথে এখন পর্যন্ত নেয়া আরও একটি বড় পদক্ষেপ নেবার দিন। আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র চালু করেছে। এগুলো হচ্ছে স্মার্টকার্ড যাতে বিল্টইন চিপ রয়েছে, যা জাল করা প্রায় অসম্ভব। এই কার্ডে সংরক্ষিত তথ্য এবং আমাদের ডাটাবেজটি সম্পূর্ণরূপে এনক্রিপ্ট করা। যখন আপনি আপনার নতুন কার্ডটি নেবেন তখন আমরা আপনার নতুন বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ করবো যার মাঝে আছে রেটিনা স্ক্যান, যেটি আঙ্গুলের ছাপ থেকে অনেক বেশি নির্ভুল। বাংলাদেশ আমার জানামতে একমাত্র দেশ, যে দেশ তার নাগরিকদের শনাক্ত করতে রেটিনা স্ক্যান প্রযুক্তির ব্যবহার করছে।”

মেশিন-রিডেবল এই কার্ডের মাইক্রোচিপে রেটিনা স্ক্যান ছাড়াও রয়েছে আরো ৩২টি মৌলিক তথ্য।

নতুন ও অনন্য এই প্রযুক্তির বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা ও আঙ্গুলের ছাপসহ অনেক ধরনের ডাটা এই কার্ডে সংরক্ষিত করা হয়েছে। কার্ডের ফিজিক্যাল লেয়ার বিশ্বমানের, যা ডুপ্লিকেট করা সহজ নয়। এটা ভালো উদ্যোগ। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, এগুলো বাংলাদেশের নাগরিকদের খুব সেনসিটিভ (সংবেদনশীল) তথ্য। সর্বোচ্চ গোপনীয়তার সঙ্গে সংগ্রহে রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে ডাটাগুলো যাতে সিকিউরড বা নিরাপদ থাকে। তাহলেই কেবল এই মহৎ উদ্যোগ সফল হবে।

এই কার্যক্রমের আওতায় দেশের প্রায় ৯ কোটি নাগরিকের রেটিনা বাংলাদেশের সরকারের ভাণ্ডারে সংগৃহীত থাকবে।উন্নত দেশগুলোতে দাগী অপরাধীদের ১০ আগুলের ছাপ আর চোখের রেটিনা স্ক্যান করে রাখা হয়। অপরাধীরা যেই দেশেই গ্রেফতার হোক না কেন এবং ধরা পড়ুক না কেন আসল পরিচয় বেরিয়ে আসবে। বিশ্বের প্রায় সব উন্নত দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এই রেটিনা সংগ্রহ করে রাখে। তারই ধারাবাহিকতায় অপরাধীদের তথ্য সংগ্রহে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রেটিনা পদ্ধতি চালু করেছিল র‌্যাব।

এখন একই ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষও। স্মার্টকার্ডের মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক এখন এই রেটিনা স্ক্যানিংয়ের আওতায় চলে আসবে। পশ্চিমা বিশ্বের কয়েকটি দেশ লাইসেন্স আর পাসপোর্ট আবেদনকারীদের রেটিনা স্ক্যান করে রাখে। তবে পৃথিবীর ইতিহাসে বাংলাদেশই প্রথম যারা প্রতিটি নাগরিকের স্মার্টকার্ড সংগ্রহ করে রাখছে।

রোববার (২ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই স্মার্টকার্ড কার্যক্রম উদ্বোধনের পর স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

যেখানে পৃথিবীর কোনো দেশ শতভাগ নাগরিকের রেটিনা সংগ্রহ করে স্মার্টকার্ড দিতে পারেনি সেখানে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ এটি করে দেখাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি নজিরবিহীন কার্যক্রম। এর ফলে স্মার্টকার্ডের জালিয়াতি প্রায় অসম্ভব। দ্রুত শনাক্ত হবে অপরাধী, কমে আসবে অপরাধ।

এ বিষয়ে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি-দক্ষিণ) মাশরুকুর রহমান খালেদ জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা শনাক্ত করে স্মার্টকার্ড দেয়ার কারণে এগুলো ডুপ্লিকেট বা নকল করা সহজ হবে না। রেটিনা স্ক্যান থাকার কারণে কোনো অভিযুক্তকে ধরলে তাকে খুব দ্রুত অপরাধী হিসেবে শনাক্ত করা যাবে, তদন্ত কাজ ত্বরান্বিত হবে। এতে অপরাধ প্রবণতাও কমে আসবে।

র‌্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা নিয়ে রাখার উদ্যোগ ইতিবাচক। এতে অপরাধী শনাক্ত অনেক সহজ ও দ্রুততর হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন জাগো নিউজকে বলেন, রেটিনা ও ডিএনএর মতো ডাটা সংরক্ষণে জঙ্গি বা বড় বড় আইডেন্টিফিকেশন সহজ হবে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ।

নতুন এই স্মার্টকার্ডে নাগরিকের বায়োমেট্রিক তথ্য, দশ আঙ্গুলের ছাপ এবং রেটিনা স্ক্যান ইত্যাদি মাইক্রোচিপে স্থাপন করা হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত করার সাহস দেখায়নি পৃথিবীর কোনো দেশ।

মঙ্গলবার ফেসবুকের এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, “গতকাল ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হওয়ার পথে এখন পর্যন্ত নেয়া আরও একটি বড় পদক্ষেপ নেবার দিন। আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র চালু করেছে। এগুলো হচ্ছে স্মার্টকার্ড যাতে বিল্টইন চিপ রয়েছে, যা জাল করা প্রায় অসম্ভব। এই কার্ডে সংরক্ষিত তথ্য এবং আমাদের ডাটাবেজটি সম্পূর্ণরূপে এনক্রিপ্ট করা। যখন আপনি আপনার নতুন কার্ডটি নেবেন তখন আমরা আপনার নতুন বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ করবো যার মাঝে আছে রেটিনা স্ক্যান, যেটি আঙ্গুলের ছাপ থেকে অনেক বেশি নির্ভুল। বাংলাদেশ আমার জানামতে একমাত্র দেশ, যে দেশ তার নাগরিকদের শনাক্ত করতে রেটিনা স্ক্যান প্রযুক্তির ব্যবহার করছে।”

মেশিন-রিডেবল এই কার্ডের মাইক্রোচিপে রেটিনা স্ক্যান ছাড়াও রয়েছে আরো ৩২টি মৌলিক তথ্য।

নতুন ও অনন্য এই প্রযুক্তির বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা ও আঙ্গুলের ছাপসহ অনেক ধরনের ডাটা এই কার্ডে সংরক্ষিত করা হয়েছে। কার্ডের ফিজিক্যাল লেয়ার বিশ্বমানের, যা ডুপ্লিকেট করা সহজ নয়। এটা ভালো উদ্যোগ। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, এগুলো বাংলাদেশের নাগরিকদের খুব সেনসিটিভ (সংবেদনশীল) তথ্য। সর্বোচ্চ গোপনীয়তার সঙ্গে সংগ্রহে রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে ডাটাগুলো যাতে সিকিউরড বা নিরাপদ থাকে। তাহলেই কেবল এই মহৎ উদ্যোগ সফল হবে।

এই কার্যক্রমের আওতায় দেশের প্রায় ৯ কোটি নাগরিকের রেটিনা বাংলাদেশের সরকারের ভাণ্ডারে সংগৃহীত থাকবে।উন্নত দেশগুলোতে দাগী অপরাধীদের ১০ আগুলের ছাপ আর চোখের রেটিনা স্ক্যান করে রাখা হয়। অপরাধীরা যেই দেশেই গ্রেফতার হোক না কেন এবং ধরা পড়ুক না কেন আসল পরিচয় বেরিয়ে আসবে। বিশ্বের প্রায় সব উন্নত দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এই রেটিনা সংগ্রহ করে রাখে। তারই ধারাবাহিকতায় অপরাধীদের তথ্য সংগ্রহে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রেটিনা পদ্ধতি চালু করেছিল র‌্যাব।

এখন একই ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষও। স্মার্টকার্ডের মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক এখন এই রেটিনা স্ক্যানিংয়ের আওতায় চলে আসবে। পশ্চিমা বিশ্বের কয়েকটি দেশ লাইসেন্স আর পাসপোর্ট আবেদনকারীদের রেটিনা স্ক্যান করে রাখে। তবে পৃথিবীর ইতিহাসে বাংলাদেশই প্রথম যারা প্রতিটি নাগরিকের স্মার্টকার্ড সংগ্রহ করে রাখছে।

রোববার (২ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই স্মার্টকার্ড কার্যক্রম উদ্বোধনের পর স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

যেখানে পৃথিবীর কোনো দেশ শতভাগ নাগরিকের রেটিনা সংগ্রহ করে স্মার্টকার্ড দিতে পারেনি সেখানে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ এটি করে দেখাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি নজিরবিহীন কার্যক্রম। এর ফলে স্মার্টকার্ডের জালিয়াতি প্রায় অসম্ভব। দ্রুত শনাক্ত হবে অপরাধী, কমে আসবে অপরাধ।

এ বিষয়ে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি-দক্ষিণ) মাশরুকুর রহমান খালেদ জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা শনাক্ত করে স্মার্টকার্ড দেয়ার কারণে এগুলো ডুপ্লিকেট বা নকল করা সহজ হবে না। রেটিনা স্ক্যান থাকার কারণে কোনো অভিযুক্তকে ধরলে তাকে খুব দ্রুত অপরাধী হিসেবে শনাক্ত করা যাবে, তদন্ত কাজ ত্বরান্বিত হবে। এতে অপরাধ প্রবণতাও কমে আসবে।

র‌্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা নিয়ে রাখার উদ্যোগ ইতিবাচক। এতে অপরাধী শনাক্ত অনেক সহজ ও দ্রুততর হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন জাগো নিউজকে বলেন, রেটিনা ও ডিএনএর মতো ডাটা সংরক্ষণে জঙ্গি বা বড় বড় আইডেন্টিফিকেশন সহজ হবে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ।

নতুন এই স্মার্টকার্ডে নাগরিকের বায়োমেট্রিক তথ্য, দশ আঙ্গুলের ছাপ এবং রেটিনা স্ক্যান ইত্যাদি মাইক্রোচিপে স্থাপন করা হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত করার সাহস দেখায়নি পৃথিবীর কোনো দেশ।

মঙ্গলবার ফেসবুকের এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, “গতকাল ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হওয়ার পথে এখন পর্যন্ত নেয়া আরও একটি বড় পদক্ষেপ নেবার দিন। আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র চালু করেছে। এগুলো হচ্ছে স্মার্টকার্ড যাতে বিল্টইন চিপ রয়েছে, যা জাল করা প্রায় অসম্ভব। এই কার্ডে সংরক্ষিত তথ্য এবং আমাদের ডাটাবেজটি সম্পূর্ণরূপে এনক্রিপ্ট করা। যখন আপনি আপনার নতুন কার্ডটি নেবেন তখন আমরা আপনার নতুন বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ করবো যার মাঝে আছে রেটিনা স্ক্যান, যেটি আঙ্গুলের ছাপ থেকে অনেক বেশি নির্ভুল। বাংলাদেশ আমার জানামতে একমাত্র দেশ, যে দেশ তার নাগরিকদের শনাক্ত করতে রেটিনা স্ক্যান প্রযুক্তির ব্যবহার করছে।”

মেশিন-রিডেবল এই কার্ডের মাইক্রোচিপে রেটিনা স্ক্যান ছাড়াও রয়েছে আরো ৩২টি মৌলিক তথ্য।

নতুন ও অনন্য এই প্রযুক্তির বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা ও আঙ্গুলের ছাপসহ অনেক ধরনের ডাটা এই কার্ডে সংরক্ষিত করা হয়েছে। কার্ডের ফিজিক্যাল লেয়ার বিশ্বমানের, যা ডুপ্লিকেট করা সহজ নয়। এটা ভালো উদ্যোগ। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, এগুলো বাংলাদেশের নাগরিকদের খুব সেনসিটিভ (সংবেদনশীল) তথ্য। সর্বোচ্চ গোপনীয়তার সঙ্গে সংগ্রহে রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে ডাটাগুলো যাতে সিকিউরড বা নিরাপদ থাকে। তাহলেই কেবল এই মহৎ উদ্যোগ সফল হবে।

এই কার্যক্রমের আওতায় দেশের প্রায় ৯ কোটি নাগরিকের রেটিনা বাংলাদেশের সরকারের ভাণ্ডারে সংগৃহীত থাকবে।উন্নত দেশগুলোতে দাগী অপরাধীদের ১০ আগুলের ছাপ আর চোখের রেটিনা স্ক্যান করে রাখা হয়। অপরাধীরা যেই দেশেই গ্রেফতার হোক না কেন এবং ধরা পড়ুক না কেন আসল পরিচয় বেরিয়ে আসবে। বিশ্বের প্রায় সব উন্নত দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এই রেটিনা সংগ্রহ করে রাখে। তারই ধারাবাহিকতায় অপরাধীদের তথ্য সংগ্রহে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রেটিনা পদ্ধতি চালু করেছিল র‌্যাব।

এখন একই ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষও। স্মার্টকার্ডের মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক এখন এই রেটিনা স্ক্যানিংয়ের আওতায় চলে আসবে। পশ্চিমা বিশ্বের কয়েকটি দেশ লাইসেন্স আর পাসপোর্ট আবেদনকারীদের রেটিনা স্ক্যান করে রাখে। তবে পৃথিবীর ইতিহাসে বাংলাদেশই প্রথম যারা প্রতিটি নাগরিকের স্মার্টকার্ড সংগ্রহ করে রাখছে।

রোববার (২ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই স্মার্টকার্ড কার্যক্রম উদ্বোধনের পর স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

যেখানে পৃথিবীর কোনো দেশ শতভাগ নাগরিকের রেটিনা সংগ্রহ করে স্মার্টকার্ড দিতে পারেনি সেখানে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ এটি করে দেখাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি নজিরবিহীন কার্যক্রম। এর ফলে স্মার্টকার্ডের জালিয়াতি প্রায় অসম্ভব। দ্রুত শনাক্ত হবে অপরাধী, কমে আসবে অপরাধ।

এ বিষয়ে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি-দক্ষিণ) মাশরুকুর রহমান খালেদ জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা শনাক্ত করে স্মার্টকার্ড দেয়ার কারণে এগুলো ডুপ্লিকেট বা নকল করা সহজ হবে না। রেটিনা স্ক্যান থাকার কারণে কোনো অভিযুক্তকে ধরলে তাকে খুব দ্রুত অপরাধী হিসেবে শনাক্ত করা যাবে, তদন্ত কাজ ত্বরান্বিত হবে। এতে অপরাধ প্রবণতাও কমে আসবে।

র‌্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা নিয়ে রাখার উদ্যোগ ইতিবাচক। এতে অপরাধী শনাক্ত অনেক সহজ ও দ্রুততর হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন জাগো নিউজকে বলেন, রেটিনা ও ডিএনএর মতো ডাটা সংরক্ষণে জঙ্গি বা বড় বড় আইডেন্টিফিকেশন সহজ হবে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ।

নতুন এই স্মার্টকার্ডে নাগরিকের বায়োমেট্রিক তথ্য, দশ আঙ্গুলের ছাপ এবং রেটিনা স্ক্যান ইত্যাদি মাইক্রোচিপে স্থাপন করা হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত করার সাহস দেখায়নি পৃথিবীর কোনো দেশ।

মঙ্গলবার ফেসবুকের এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, “গতকাল ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হওয়ার পথে এখন পর্যন্ত নেয়া আরও একটি বড় পদক্ষেপ নেবার দিন। আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র চালু করেছে। এগুলো হচ্ছে স্মার্টকার্ড যাতে বিল্টইন চিপ রয়েছে, যা জাল করা প্রায় অসম্ভব। এই কার্ডে সংরক্ষিত তথ্য এবং আমাদের ডাটাবেজটি সম্পূর্ণরূপে এনক্রিপ্ট করা। যখন আপনি আপনার নতুন কার্ডটি নেবেন তখন আমরা আপনার নতুন বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ করবো যার মাঝে আছে রেটিনা স্ক্যান, যেটি আঙ্গুলের ছাপ থেকে অনেক বেশি নির্ভুল। বাংলাদেশ আমার জানামতে একমাত্র দেশ, যে দেশ তার নাগরিকদের শনাক্ত করতে রেটিনা স্ক্যান প্রযুক্তির ব্যবহার করছে।”

মেশিন-রিডেবল এই কার্ডের মাইক্রোচিপে রেটিনা স্ক্যান ছাড়াও রয়েছে আরো ৩২টি মৌলিক তথ্য।

নতুন ও অনন্য এই প্রযুক্তির বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা ও আঙ্গুলের ছাপসহ অনেক ধরনের ডাটা এই কার্ডে সংরক্ষিত করা হয়েছে। কার্ডের ফিজিক্যাল লেয়ার বিশ্বমানের, যা ডুপ্লিকেট করা সহজ নয়। এটা ভালো উদ্যোগ। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, এগুলো বাংলাদেশের নাগরিকদের খুব সেনসিটিভ (সংবেদনশীল) তথ্য। সর্বোচ্চ গোপনীয়তার সঙ্গে সংগ্রহে রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে ডাটাগুলো যাতে সিকিউরড বা নিরাপদ থাকে। তাহলেই কেবল এই মহৎ উদ্যোগ সফল হবে।

এই কার্যক্রমের আওতায় দেশের প্রায় ৯ কোটি নাগরিকের রেটিনা বাংলাদেশের সরকারের ভাণ্ডারে সংগৃহীত থাকবে।উন্নত দেশগুলোতে দাগী অপরাধীদের ১০ আগুলের ছাপ আর চোখের রেটিনা স্ক্যান করে রাখা হয়। অপরাধীরা যেই দেশেই গ্রেফতার হোক না কেন এবং ধরা পড়ুক না কেন আসল পরিচয় বেরিয়ে আসবে। বিশ্বের প্রায় সব উন্নত দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এই রেটিনা সংগ্রহ করে রাখে। তারই ধারাবাহিকতায় অপরাধীদের তথ্য সংগ্রহে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রেটিনা পদ্ধতি চালু করেছিল র‌্যাব।

এখন একই ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষও। স্মার্টকার্ডের মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক এখন এই রেটিনা স্ক্যানিংয়ের আওতায় চলে আসবে। পশ্চিমা বিশ্বের কয়েকটি দেশ লাইসেন্স আর পাসপোর্ট আবেদনকারীদের রেটিনা স্ক্যান করে রাখে। তবে পৃথিবীর ইতিহাসে বাংলাদেশই প্রথম যারা প্রতিটি নাগরিকের স্মার্টকার্ড সংগ্রহ করে রাখছে।

রোববার (২ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই স্মার্টকার্ড কার্যক্রম উদ্বোধনের পর স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

যেখানে পৃথিবীর কোনো দেশ শতভাগ নাগরিকের রেটিনা সংগ্রহ করে স্মার্টকার্ড দিতে পারেনি সেখানে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ এটি করে দেখাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি নজিরবিহীন কার্যক্রম। এর ফলে স্মার্টকার্ডের জালিয়াতি প্রায় অসম্ভব। দ্রুত শনাক্ত হবে অপরাধী, কমে আসবে অপরাধ।

এ বিষয়ে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি-দক্ষিণ) মাশরুকুর রহমান খালেদ জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা শনাক্ত করে স্মার্টকার্ড দেয়ার কারণে এগুলো ডুপ্লিকেট বা নকল করা সহজ হবে না। রেটিনা স্ক্যান থাকার কারণে কোনো অভিযুক্তকে ধরলে তাকে খুব দ্রুত অপরাধী হিসেবে শনাক্ত করা যাবে, তদন্ত কাজ ত্বরান্বিত হবে। এতে অপরাধ প্রবণতাও কমে আসবে।

র‌্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা নিয়ে রাখার উদ্যোগ ইতিবাচক। এতে অপরাধী শনাক্ত অনেক সহজ ও দ্রুততর হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন জাগো নিউজকে বলেন, রেটিনা ও ডিএনএর মতো ডাটা সংরক্ষণে জঙ্গি বা বড় বড় আইডেন্টিফিকেশন সহজ হবে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ।

নতুন এই স্মার্টকার্ডে নাগরিকের বায়োমেট্রিক তথ্য, দশ আঙ্গুলের ছাপ এবং রেটিনা স্ক্যান ইত্যাদি মাইক্রোচিপে স্থাপন করা হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত করার সাহস দেখায়নি পৃথিবীর কোনো দেশ।

মঙ্গলবার ফেসবুকের এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, “গতকাল ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হওয়ার পথে এখন পর্যন্ত নেয়া আরও একটি বড় পদক্ষেপ নেবার দিন। আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র চালু করেছে। এগুলো হচ্ছে স্মার্টকার্ড যাতে বিল্টইন চিপ রয়েছে, যা জাল করা প্রায় অসম্ভব। এই কার্ডে সংরক্ষিত তথ্য এবং আমাদের ডাটাবেজটি সম্পূর্ণরূপে এনক্রিপ্ট করা। যখন আপনি আপনার নতুন কার্ডটি নেবেন তখন আমরা আপনার নতুন বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ করবো যার মাঝে আছে রেটিনা স্ক্যান, যেটি আঙ্গুলের ছাপ থেকে অনেক বেশি নির্ভুল। বাংলাদেশ আমার জানামতে একমাত্র দেশ, যে দেশ তার নাগরিকদের শনাক্ত করতে রেটিনা স্ক্যান প্রযুক্তির ব্যবহার করছে।”

মেশিন-রিডেবল এই কার্ডের মাইক্রোচিপে রেটিনা স্ক্যান ছাড়াও রয়েছে আরো ৩২টি মৌলিক তথ্য।

নতুন ও অনন্য এই প্রযুক্তির বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা জাগো নিউজকে বলেন, চোখের রেটিনা ও আঙ্গুলের ছাপসহ অনেক ধরনের ডাটা এই কার্ডে সংরক্ষিত করা হয়েছে। কার্ডের ফিজিক্যাল লেয়ার বিশ্বমানের, যা ডুপ্লিকেট করা সহজ নয়। এটা ভালো উদ্যোগ। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, এগুলো বাংলাদেশের নাগরিকদের খুব সেনসিটিভ (সংবেদনশীল) তথ্য। সর্বোচ্চ গোপনীয়তার সঙ্গে সংগ্রহে রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে ডাটাগুলো যাতে সিকিউরড বা নিরাপদ থাকে। তাহলেই কেবল এই মহৎ উদ্যোগ সফল হবে।

এই কার্যক্রমের আওতায় দেশের প্রায় ৯ কোটি নাগরিকের রেটিনা বাংলাদেশের সরকারের ভাণ্ডারে সংগৃহীত থাকবে।

Share