রাস্তাকে কেন্দ্র করে মিথ্যা মামলা ও গ্রেফতার করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

0
68

শহর প্রতিনিধি :
যাতায়াতের রাস্তাকে কেন্দ্র করে মিথ্যা মামলায় জড়ানো ও ভুয়া ওয়ারেন্টের মাধ্যমে গ্রেফতার করানোর প্রতিবাদে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন শহরের পলাশপোল এলাকার মোকাদ্দেস গাজীর ছেলে কওছার গাজী। তিনি বলেন, আমি গাজী ট্রেডার্স পলাশপোল (খান কমিনিটি সেন্টার মার্কেট) সাতক্ষীরা। দীর্ঘদিন সুনামের সহিত ব্যবসা করে আসছি। পলাশপোল মৌজায় ১৭৬৩/১৭ নং খতিয়ানে ১১৩৪৩ দাগে ১/৩ শতক পৈত্রিক সম্পত্তিতে দীর্ঘদিন যাবত শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছি। আমার বাড়ির উত্তর দিকে বসবাস করেন আমিরুল ইসলামের ছেলে শহীদুল ইসলাম। দক্ষিণে রয়েছে শহীদুলের মামা মৃত; আব্দুল মোজিতের ছেলে খাইরুল ইসলাম। শহীদুলের বাড়ীতে যাতায়াতের জন্য ১ নভেম্বর ০৯ সালে সাতক্ষীরা পৌরসভায় একটি শালিসের মাধ্যমে পূর্ব-পশ্চিম ৩৪ ইঞ্চি চওড়া ও উত্তর দক্ষিন ৩৮ ফুট লম্বা রাস্তাটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বহু বছর ধরে ওই রাস্তা দিয়ে অত্র এলাকার প্রায় ৩০ ঘর পরিবার যাতায়াত করে থাকেন। কিন্তু আমার বাড়ি নির্মাণের সময় রাস্তাটি নিজের নামে ক্রয় করার দাবি করেন। কিন্তু আমি রাজি না হওয়ার পর থেকে টাকার প্রভাব খাটিয়ে আমার নামে একের পর এক মিথ্যা মামলা ও জজকোর্ট থেকে ভুয়া ওয়ারেন্ট তৈরি করে আমাকে গ্রেফতার করিয়ে নিঃস্ব করার পায়তারায় লিপ্ত রয়েছে। ইতিপূর্বে কোট থেকে কক্সবাজারের রামু থানার একটি ভুয়া ওয়ারেন্ট (যার নং- সিআর২১৫/১৫ ইং) জারি করে। এতে পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে আমি জামিনে মুক্তি পেয়ে আমি কক্সবাজারের রামু থানায় গিয়ে জানতে পারি ওই তারিখে থানায় এ ধরনের মামলা রেকর্ড হয়নি এবং ওই গ্রেফতারি পরোয়ানাটি ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়। এছাড়া সিআরপি ৫২/১৫(দেব) তাং- ২৩/৯/১৫ তারিখের একটি মামলায় আমাকে ১৪ নং আসামী করা হয়। অথচ ওই ঘটনার কিছু আমার জানা নেই। অপরদিকে কালিগঞ্জের বৈরাগীরচক ভূমিহীন পাড়ার সিআরপি ২০৪/১৫ নং মামলা আমাকে ৮৫ নং আসামী করা হয়। যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। এছাড়া সম্প্রতি সিলেট জায়রা জজ আদালতের ৭২/১৫ চাঁদাবাজি মিথ্যা গ্রেফতারী পরোয়ানা দিয়ে হয়রানি করছে। শহীদুল সব সময় বলে, আমি মটরসাইকেল মেকানিক। সাংবাদিক, পুলিশ, উকিল , মুহুরী সবাই আমার হাতে ধরা। কওছারের মত লোককে সায়েস্তা করতে আমার সময় লাগে না। এ কারণে এলাকাবাসী  আমার পক্ষে কথা বলতে ভয় পায়। শহীদুল যদি আবার তাদের বিরুদ্ধে লাগে। আমাদের ৭ জনের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী আমি। এদিকে এ সব মিথ্যা মামলার কারণে পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করার জন্য বাড়িতে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হানা দিচ্ছে। শহীদুলের ইঙ্গিতে দেয়া মিথ্যা মামলার কবলে পড়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি আজ ধ্বংসের মুখে। এছাড়া কোর্টে আমার নামে যে সব মামলা রয়েছে তার কোন সমন আমাকে না দিয়ে আদালত অবমাননার দায়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিয়ে করিয়ে নিচ্ছে শহীদুলের ভাড়াটিয়া লোকজন। এতে করে আজ আমি নিঃস্ব প্রায়। ওই কুচক্রী শহীদুল, খায়রুল গংদের ইঙ্গিতে দেয়া মিথ্যা মামলা থেকে রক্ষা ও তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

LEAVE A REPLY