রসুলপুরের আফরোজা বেগমরে দেয়া তথ্যমতে পত্রিকায় প্রকাশিত খবর সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন মজনুর রহমান

0
406
শহর প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরায় ওয়ারেশ ও ক্রয় সূত্রে প্রাপ্ত স্বত্ত্ব দখলীয় জমি নিয়ে রসুলপুর এলাকার আফজাল উদ্দিনের মাতা আফরোজা বেগমরে দেয়া তথ্যমতে গত ৮ জানুয়ারী পত্রিকায় যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সত্য নয় বলে দাবি করেছেন শহরের রসুলপুর এলাকার জোহর আলী সরদারের ছেলে মোঃ মজনুর রহমান। একই সাথে তিনি নিজে ও জেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান সরদার এবং সাগর হোসেন কারও জমি দখল করেনি বলে মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মজনুর রহমান বলেন, আমার বুড়ো বাপ (নানার বাবা) পুটে সরদার ওরফে পুটে দপ্তরি সিএস খতিয়ানের ৩০ শতক জমির আট আনা অংশের মালিক। পুটে দপ্তরির ওয়ারেশ হিসাবে রিহম বকস সরদার, আজিজ সরদার, মোক্তার সরদার, সোনালী বিবি, সাজেদা বিবি ও তহমিনা বিবি সবাই রয়েছেন। আমি সোনালী বিবির ছেলে হিসাবে মা’র স্বত্ত্বের অংশিদার। অপরদিকে রিহম বকস সরদার, আজিজ সরদার, মোক্তার সরদার, সাজেদা বিবি ও তহমিনা বিবি তাদের স্বত্ত্বের পুরো অংশ আমার (মজনু), আব্দুল মান্নান সরদার ও সাগর হোসেনের কাছে বিক্রি করে দেন। এর পর ২০১৩ সাল থেকে আমরা ওই জমিতে দখলে আছি। কিন্তু প্রতিপক্ষ বাকি আট আনা অংশের মালিক আকবর আলী সরদার গং আমাদের ওয়ারেশ অস্বীকার করে সাতজনকে বিবাদি করে আদালতে ১৪৫ ধারায় একটি মামলা কের। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রায়ে তাদের ১৪৫ ধারার মামলা খারিজ করে স্ব স্ব দখল বজায় রাখার নির্দেশ দেন। এব্যপারে প্রতিপক্ষ রসুলপুর গ্রামের আকবর আলী সরদার ও আফজাল উদ্দিন সরদার সাতক্ষীরা পৌরসভা থেকে ১৭০ নয় ক্রমিকে যে ওয়ারেশকাম সার্টিফিকেট গ্রহণ করেন তা মিথ্যে ও ত কতাপূর্ণ বলে ২০১৭ সালের ২৪ আগষ্ট বাতিল ঘোষনা করেন পৌর সভার প্যানেল মেয়র মোঃ অব্দুস সেলিম ও কাউন্সিলর সফিক উদ দৌলা সাগর। তরে মেয়র আব্দুল জলিল ২০১৩ সালের ২৮ এপ্রিল ১২৯১ ক্রমিকে রিহম বকস সরদার, আজিজ সরদার, মোক্তার সরদার, সোনালী বিবি, সাজেদা বিবি ও তহমিনা বিবির নামে যে ওয়ারেশকাম সার্টিফিকেট প্রদান করেছিলেন তা বহাল থেকে যায়। সেই স্বত্ত্ব অধিকার বলে আমি মজনু সরদার, জেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান সরদার ও সাগর হোসেন ১৩৫ দাগে ১.০৩ শতক ও ২২৫ দাগে .৩০ শতকসহ মোট ১.৩৩ শতক জমির মালিক।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমাদের দখলে থাকা জমি নিয়ে প্রতিপক্ষ আকবর আলী ও আফজাল উদ্দিন গং পুলিশের কাছে বারবার অভিযোগ করার পর নোটিশ পেয়ে আমরা হাজির হলেও তারা একদিনও হাজির হয়নি। এমনকি পৌরসভা নোটিশ করলেও তারা হাজির হয়নি। কারণ ত কতাপূর্ণ কাগজ দেখাতে পারবে না বলেই তারা কোন শালিশে হাজির হয়নি। কাজেই আমাদের দখলীয় জমি নিয়ে গত ৮ জানুয়ারী বিভিন্ন পত্রিকায় যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ন মিথ্যে, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এব্যপারে আফজাল উদ্দিনের মাতা আফরোজা বেগম সাংবাদিকদের কাছে যে তথ্য দিয়েছেন তা সত্য নয়, সম্পূন্য মিথ্যে। আমি মজনুর রহমান, আব্দুল মান্নান সরদার ও সাগর হোসেন কারও জমি দখল করেনি। আমরা ওয়ারেশ ও ক্রয়সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে ওই জমিতে দখলে রয়েছি। এব্যপারে তিনি প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।