‘যে কারণে শিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপ করতে দিচ্ছে না কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়’

19
1439
বিশেষ প্রতিনিধি:
পরীক্ষায় পাশ করেও এস এস সির ফরম ফিলাপ করতে পারছেন না সাতক্ষীরা সদরের কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী। ফলে চরম বিপাকে পড়ে গেছেন ঐ সকল শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা।
জানা যায়, সারাদেশের ন্যায় কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গত অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত হয় এস,এস,সি পরিক্ষার চূড়ান্ত নির্বাচনী পরীক্ষা এবং শেষ হয় গত ২৮ অক্টোবর।  পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয় ৫ নভেম্বর। ঐ দিনই বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় পরিক্ষায় উত্তীর্ণ ও অনুত্তীর্ণ ছাত্র ছাত্রীদের রোলের তালিকা। তবে তালিকায় দেওয়া হয়নি কোন গ্রেডিং পয়েন্ট। এছাড়া পাশের ফলাফল স্বরুপ শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়নি কোন মার্কশীট। ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর উত্তীর্ণ ছাত্র ছাত্রীরা বিদ্যালয়ে ফরম ফিলাপের জন্য হাজির হলে বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক আজিজুল ইসলাম কয়েকজন শিক্ষার্থীদের বলেন, তারা পরিক্ষায় ১ বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে এবং ফরম ফিলাপ করতে দেওয়া হবে না। অথচ একই সময় বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে দেখা যায় কৃতকার্য তালিকায় তাদের রোল নম্বর রয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানায়, “বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের তালিকায় আমাদের রোল থাকলেও আমাদেরকে এখন বলা হচ্ছে আমরা এক সাবজেক্ট এ ফেল করেছি এবং ফরম ফিলাপ করতে দেওয়া হবে না। আমাদের বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক তাদের কাছে কোচিং করার জন্য বারবার বললেও আমরা কোচিং করিনি এজন্য আমাদেরকে এতটা ভোগান্তি দেওয়া হচ্ছে।photos 2
উপস্থিত একাধিক অভিভাবক জানিয়েছেন, ‘সরকার কোচিং বানিজ্য বন্ধে নীতিমালা করলেও কোন কিছুই মানছেন না এই বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। আমরা অভিভাবকরা শিক্ষকদের কাছে ধরাশায়ী হয়ে যাচ্ছি। একমাত্র কোচিং বানিজ্যের কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি করা হচ্ছে।’
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষকদের গাফিলতির ফলে এই ধরণের সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে আমি মনে করি। আপনারা প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলেন।’
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তাহের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘আমাদের ছেলে মেয়েরা বিশেষত অংক ইংরেজিতে দূর্বল। তাই আমরা অংক ইংরেজি খাতা মূল্যায়ন করেই ফলাফল প্রকাশ করেছি। অন্য সাবজেক্ট কেন বিবেচনা করলেন না এবং ফলাফলের প্রকাশের পর কেন এমন হল, এছাড়া সর্বমোট কতজন শিক্ষার্থীর এমন সমস্যা ইত্যাদি প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি।’
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানি না, তবে তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহিদুর রহমান বলেন, ‘আমি বিষয়টি সম্পর্কে জানিনা তবে প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলে দেখবো।’
বিদ্যালয়ের শান্ত পরিবেশ দিন দিন অশান্ত করে দিচ্ছে বিদ্যালয়ের কতিপয় কোচিংবাজ শিক্ষক। যাদের কাছে না পড়লে এই ধরণের ভোগান্তির শিকার হতে হয়। এই সব দূনির্তিবাজ শিক্ষকদের অপসারণ এবং ভোগান্তির শিকার শিক্ষার্থীরা যাতে সুন্দরভাবে ফরম ফিলাপ করে পরীক্ষা দিতে পারে তার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে জেলা প্রশাসকসহ উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের আশু স্থক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসি ও সচেতন মহল।
দৈনিক সাতক্ষীরা/জেড এইচ

19 COMMENTS

  1. Fаntastic goods from you, man. I’ve understand your ѕtuff previous to and you’re juszt
    too excelⅼent. I actually like what you habe acquired һeгe, certainly like
    what you are stating аand tһe way in which you say
    it. You mske іt entertaining annd you still tɑkke care off tо keep іit wise.
    I can’t wait to rеad much more from you. This is actսally а wonderful websitе. http://manfung.myvnc.com/comment/html/?312130.html

  2. Acometimento inicial еm cima de um Food Truck dependerá com pequeno
    número Ԁe elementos, do meio dе eles: do bitola dentre automóvel anteposto, do tipo com artigo quе
    se pretende agir, compaixão local a atividade, contudo
    ⅾa caminho pelο desenvolvimento fiel em outras palavras adquiriçãо a amparo. http://Popup.Tok2.com/home/jay/cgi-bin/fantasy/fantasy.cgi?%E3%80ww.auniqueart.co.uk/