মোরেলগঞ্জ প্রাণী সম্পদ দপ্তর তালা বদ্ধ:বিনা চিকিৎসায় গবাদি পশুর মৃত্যু

0
88

বাগেরহাট অফিস :  বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর ৩ দিন ধরে তালা বন্ধ থাকায় জনসাধারণ চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছে। ভূক্তভোগীরা পশুর চিকিৎসা ব্যবস্থা নিতে এসে ফিরে যাচ্ছে। চিকিৎসার অভাবে অসুস্থ হয়ে মারা গেছে অনেক পরিবারের হাঁস-মুরগী। শনিবার সকালে অনেকে চিকিৎসা নিতে এসে ফিরে গেছে। পশু সম্পদ দপ্তরের অস্ট্রেলিয়ান একটি অসুস্থ গরু নিয়ে ২দিন চিকিৎসার জন্য এসে ফিরে গেছে। উপায়ান্ত না পেয়ে বাধ্য হয়ে মোবাইলে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার চিকিৎসার জন্য ফোন দিলে তিনি একটি ইনজেকশন দেয়ার কথা বলে দেয়। এ ইনজেকশন তিনি সারা বাজার খুজে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে। তাছাড়া ইনজেকশন দেয়ার কোন লোকও নেই। সুতালড়ী গ্রামের শাহজাহান মিয়ার মুরগীর ভেকসিক ও ছাগলের চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। পত্তাশী গ্রামের দেবাশিষ ফার্মের মুরগীর চিকিৎসা ও পরামর্শ নিতে পারেনি। অসুস্থ হয়ে পৌর সভার শহিদুল ইসলামের ১০টি মুরগী , শামীম আহসানের ৭ টি, জাকির শিকদারের ২ টি মুরগী ও কয়েকটি ছাগল , কালিকাবাড়ি  গ্রামের রফিকুল ইসলামের ৫টিমুরগী চিকিৎসার অভাবে মারা গেছে। বারইখালী ইউনিয়নের সাবেক এক ইউপি সদস্য জানান,  মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর যেখানে মানুষ তাদের গবাদি পশুর  কোন চিকিৎসা ব্যবস্থা ঔষধ  পায়না। ঔষধ নেই বলে জানিয়ে দেয়া হয়। হয়রানির শিকারও হয় অনেকে। যার কারনে তারা হাতুড়ে পশু চিকিৎসকদের কাছ থেকেচিকিৎসা নিতে বাধ্য হয়। তাছাড়া শীতকালে গবাদি পশু হাঁস মুরগী বেশী রোগাগ্রস্ত হয়ে মারা গেলেও কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। এলাকাবাসি গবাদি পশু, হাঁস-মুরগী ঔষধ ও ভেকসিন নিতে এসে অফিস সহকারীদের প্রেসক্রিপশনই একমাত্র ভরসা। উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার পীযুষ কান্তি জানান,তিনি বৃহস্পতিবার ছুটি নিয়েছে। তাছাড়া শুক্রবার শনিবার সরকারী ছুটি। তাদের দপ্তরে কোন জরুরী চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই। জনবল সমস্যা তো রয়েছেই। জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাঃ সাইফুজ্জামান খান জানান, তাদের কোন জরুরী কোন চিকিৎসা সুবিধা নেই। তিনি এডিএলও লুৎফর রহমানের ফোন নাম্বার দিয়ে তার সাথে কথা বলতে বলেন। তবে তিনি বলেন, প্রাণী সম্পদ দপ্তরের চিকিৎসার জন্য সার্বক্ষনিক লোক থাকার কথা।