মিথ্যে তথ্য সম্বলিত প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে নজরুল ইসলামের বক্তব্য

0
900

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
তালায় অসংখ্য মামলার আসামী নজরুলের বিচারের দাবিতে সরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন শিরোনামে দৈনিক কল্যাণ যশোর, দৈনিক দেশ সংযোগ খুলনা পত্রিকায় ১৫/০৬/২০১৭ তারিখ দৈনিক স্পন্দন যশোর পত্রিকায় তালায় বেপোরোয়া নজরুলের বিচার দাবি এলাকাবাসীর শিরোনামে সংবাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদ ও সংবাদ সম্মেলনের সংবাদ আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে আমার বক্তব্য নিন্মরুপ :
আমি ১৯৯০ সাল থেকে দৈনিক পূর্বাঞ্চল পত্রিকার তালা প্রতিনিধি ১৯৯৬ সাল থেকে দৈনিক পূর্বাঞ্চল খুলনা পত্রিকার তালা অফিস প্রধান হিসেবে অদ্যবধি সুনামের সাথে দায়িত্বে রয়েছি। দৈনিক কাফেলা সাতক্ষীরা পত্রিকায় ১০ বছর ও দৈনিক দৃষ্টিপাত সাতক্ষীরা পত্রিকায় ৩ বৎসর তালা প্রতিনিধি হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। বর্তমানে তালা পেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে আছি। দৈনিক পূর্বাঞ্চল খুলনা ও দৈনিক সাতনদী সাতক্ষীরা পত্রিকার চলমান দায়িত্ব পালন করছি সাংবাদিক হিসেবে।
তালা থানার অফিসার ইনচার্জ হাসান হাফিজুর রহমানের উদ্বৃতি দিয়া লেখা হয়েছে ১২টি সস্ত্রাস, ভুমি দখল, চাদাবাজি মামলা চলমান রয়েছে।
যা সম্পূর্ণরুপে মিথ্যা। সম্প্রতি একটি মিথ্যে চাদাবাজি মামলা ছাড়া আর কোন মামলা চলামান নেই। ওসির উদ্বত্তির বক্তব্যে আরো রয়েছে অর্ধ শতাধিক সাধারণ ডায়েরী রয়েছে। যার বিরুদ্ধে আমি সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছি, তদন্ত চলছে। এই মিথ্যে মামলা হওয়ার পরে পরিকল্পিতভাবে এই সকল সাধারণ ডায়েরীগুলো করা হয়।
সাংবাদিকদের মাগুর মাছ দিয়া খাওয়াতে চেয়েছিলাম যা সম্পূর্ণরুপে মিথ্যা ও কাল্পনিক তথ্য। আমার শত্রুপক্ষ দ্বারা প্রাপ্ত হয়ে যাচাই বাছাই ছাড়াই পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে। ২০০৪ সালে আমার মাঝিয়াড়া মৌজার ১৭৩৪ ও ১৭৩৮ দাগের ৪৮ শতক বায়নামুলে অদ্যবদি দখলে থাকা সম্পত্তি জৈনিক ইয়াকুব আলীসহ তার পক্ষীয় লোকেরা জবরদখল করতে আসলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয় এবং ইয়াকুব আলী বাদী হয়ে আমার নামে তালা থানায় মামলা করেন। যার নং ২৮। তাং ২৮/১০/০৪। উক্ত মামলায় ৩৩দিন হাজত বাসের পর ৩০/১০/২০০৪ তারিখ বিজ্ঞ আদালত জামিন দিলে হাজার হাজার মানুষ সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট তালা থানার ওসির বিরুদ্ধে স্মারকলিপি প্রদান করেন। ওসি তাৎকালীন সময়ে ক্ষমতাসীন কথক নেতার ইন্দনে ওই তারিখেই পুনরায় গ্রেফতার কার জন্য তালা থানায় তিনি নিজে তালা থানায় মিথ্যে তথ্য উল্লেখ করে আমার বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। ডায়েরী নং ১২৯০। তারিখ ৩১/১০/২০০৪। কিন্তু তৎকালীন পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক তার ওই ভূয়া জিডি মোতাবেক গ্রেফতার করতে দেননি। আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা ১২-১৪শ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ২০১১ সালের ৬ নভেম্বর আমাকে সম্মানহানী করাতে বানভাসীদের কিছু মানুষকে উস্কানি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিছিল মানববন্ধন করান। পরদিন হাজার হাজার বানভাসীরা পাল্টা মিছিল সমাবেশ করলে তাদের ষড়যন্ত্র বন্ধ হয়।
আমি ১৯৮১ সাল থেকে সরকারের আয়কর প্রদান করে আসছি। সুনিদৃষ্ট কোন ইনকাম না থাকলে আমি সরকারকে কিভাবে আয়কর প্রদান করি। ১৯৮১ সাল থেকে সরকারি ঠিকাদার বর্তমানেও আমার প্রায় দুই কোটি টাকার ঠিকাদারী কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আমার বসত বাড়ি ৮ বিঘা জমি সহ প্রায় ৫০ বিঘা সম্পত্তি ওয়ারেশ সুত্রে পেয়েছি। আমি বাড়ি নির্মাণ করছি যার কাজ চলমান রয়েছে। ৫৫ লক্ষ টাকা চলতি আর্থিক বৎসর পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে। আমার কোন সন্ত্রাসী বাহিনী নেই। সারাজীবন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি পত্রিকায় লিখেছি এবং এখনো লেখনী অব্যাহত রয়েছে। তালার সন্ত্রাসী চরমপহ্নি অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে লেখার কারণে ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বাড়ি ছাড়া ছিলাম। কিন্তু লেখনি থেমে ছিলো না। আতœগোপন করে থেকেও লেখনী চলমান ছিলো। প্রত্রিকায় লেখা হয়েছে জামায়াত ক্যাডার বাহারুল ইসলাম আমার বাহিনী প্রধান। বাহারুল ইসলাম তালার রহিমাবাদ গ্রামের আলাউদ্দীনের পুত্র। জন্মসুত্রে পরিবারের সকলে জাতীয় পার্টি পরিবারের সদস্য। বাহারুল ইসলাম তালা সদর ৮নং ওয়ার্ডের জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি। তাকে ষড়যন্ত্রকারীরা জামায়াত-বিএনপি সন্ত্রাসী আখ্যায়িত করে গত ২৭/০৫/১৭ তারিখ সকাল ৮টার সময় আমার শত্রু পক্ষরা তাকে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে সরকার উৎখাত ও নাশকতা মামলা নং ১৩ তারিখ ২৮/০৭/১৬। তালা থানার মামলা নং-৭। তারিখ ১১/০৭/১৬। দুটি মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামী হিসেবে জেল হাজতে প্রেরণ করে। জাতীয় পার্টিকে জামায়াত-বিএনপি সাজিয়ে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ এদের বিরুদ্ধে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ প্রদান করা হয়। যা এখনো তদন্ত চলছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠীর গৃহ নির্মাণ প্রকল্পে এনজিও বাচতে শেখা, সলিডরিটি ইন্টারন্যাশনাল, নবলোক তালা ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্থ গৃহহারাদের তালিকা তৈরী করেন। তালিকা তৈরী থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের মতামত গ্রহন পূর্বক তাদের উক্ত এনজিও কর্মকর্তাদের দ্বারা জনগণের মতামতের ভিত্তিতে তালিকা তৈরী। ঘর নির্মাণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ফিল্প অফিসার, সুপার ভাইজার ও মনিটরিং অফিসার তাদের সার্বিক তত্বাবধানে খানপুর, মুড়াকলিয়া, কিসমতঘোনা, শিবপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে পাচ শতাধিক পরিবার প্রতি ১০-১৫ হাজার টাকা গ্রহন করা হয়েছে প্ররিবার প্রতি। এমন অভিযোগ যা সম্পূর্ণরুপে মিথ্যা বানোয়াট ও কাল্পনিক। আমার রাজনৈতিক পত্রিপক্ষের নিকট থেকে কাল্পনিক তথ্য নিয়ে যাচাই বাছাই ছাড়ায় সংবাদে প্রকাশ করা হয়েছে। ঘর নির্মাণের ব্যাপারে আমার কোন ভুমিকা ছিলো না।
আমার কোন বাহিনী কখনো ছিলো না বা এখনো নাই। সুতরাং বাহিনী দিয়ে অপকর্ম করানোর কোন তথ্য সঠিক নয়। যেহেতু বিদেশী অর্থায়নে দেশীয় এনজিওদের তত্বাবধায়নে ৬ মাস ফিল্ডে থেকে তালিকা তৈরী থেকে ঘর নির্মাণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেখভাল করা, এলাকার জনগনের মতামত নিয়ে তালিকা তৈরী করা, তালিকা সঠিক হয়েছে কিনা তালিকা যাচাই বাছাই করা, সর্বপরি গ্রাম ভিত্তিক তালিকা টানিয়ে অভিযোগ বক্স স্থাপন করে অভিযোগ গ্রহণ করা। অভিযোগ মতামত গ্রহন অন্তে ঘরনির্মাণ কার্যক্রম শুরু করা। সেক্ষেত্রে আমার টাকা নেওয়ার সুযোগ কোথায়। শুধুুমাত্র পরিকল্পিতভাবে পতিপক্ষরা ছাড়া কেউ বলতে পারবে না কাউকে দেওয়া ছাড়া কারো নিকট থেকে কোনরুপ কোন টাকা গ্রহন করেছি। ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণের দিন ১২১ টাকা স্থিতি পেয়েছিলাম। যেদিন চেয়ারম্যান পদ ছেড়ে এসেছি সেদিন ৫৫ হাজার টাকা রেখে আসি। এবং ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব অর্থ দ্বারা দৃষ্টিনন্দন গেট ও বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ করি বিপুল পরিমাণ অর্থে। সার্বিক বিবেচনায় জেলার ৭৮টি ইউনিয়নের পরিষদের মধ্যে জেলা প্রশাসক মহোদয় জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন।
ইসলামকাটি ইউনিয়নের আ.লীগ নেতা আব্দুল আজিজ। তালা প্রেসক্লাবের দখলীয় রেকডীয় সম্পত্তি জবরদখল করার হুমকি দিলে তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে তালা থানায় আজিজের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী করি। যার নাম্বার ৩৭১ তারিখ ১১/১০/১৬। উক্ত অভিযোগটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরেও প্রদান করি। ১৫/১০/১৭ তারিখ তালা ও কপিলমুনির সাংবাদিকদের সমন্বয়ে তার বিরুদ্ধে তালা প্রেসক্লাবে জমি দখলের চেষ্টা নিয়ে সাংবাদিক সমাবেশ করি। যা বহু পত্রিকায় ভুমিদস্যু আজিজ কর্তৃক তালা প্রেসক্লাবের জমি দখলের চেষ্টা শিরোনামে প্রকাশিত হয়। এরপর তিনি ১৭/১০/১৬ তারিখ তালা ডাকবাংলোয় সংবাদ সম্মেলন করেন আব্দুল আজিজ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে আব্দুল আজিজ কোথাও উল্লেখ করেননি তার নিকট ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা চাওয়া হয়েছে। ১৮/১০/১৬ তারিখ আব্দুল আজিজ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে তালা প্রেসক্লাবের জমি দখলের চেষ্টা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ নিরসোনের জন্য মতবিনিময় হয়। সেখানে তিনি প্রেসক্লাবের জমি দখল করবেন না মর্মে অঙ্গীকার করেন। এরপর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার বিরোধ মীমাংসা করে দেন। যা উপজেলা চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে তালা প্রেসক্লাবের সম্পত্তির শান্তিপূর্ণ সমাধাণ শিরোনামে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়। সুতরাং তার নিকট ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা চেয়েছি এটা কাল্পনিক। বর্তমানে প্রতিহিংসা মূলক দেওয়া বক্তব্য যাচাই না করেই পত্রিকায় ছাপানো হয়েছে।
হাজরাকাটি গ্রামের ব্যবসায়ী কহিনুর ইসলামের কাছ থেকে টাকা গ্রহন করেছি। সম্পূর্ণ বানোয়াট তথ্য। তার কাছ থেকে আমি কোন টাকা গ্রহন করিনি। যা তার কাছে শুনলে পাওয়া যাবে ও বিস্তারিত জানা যাবে।
তালা বাজারে পুলিশ টহল রত অবস্থায় বারুইহাটি গ্রামের আলামিন মোড়লকে একটি চোরাই মটরসাইকেলসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। ওই চোরাই মটর সাইকেলসহ আলামিনকে পুলিশ আটক করলে উক্ত মটর সাইকেলটি ও আলামিনকে পুলিশের নিকট থেকে ছাড়ানোর জন্য যুবলীগের সভাপতি ও সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন চেষ্টা করেন। পুলিশ চোরাই মটর সাইকেলটি ছাড়তে অস্বকৃতি জানায়। পুলিশের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তালা থানা পুলিশের মারপিট করে মটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তালা থানা পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন যা আদালতে চলমান। ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে আমি সরদার জাকিরকে ভুয়া তথ্য দিয়ে জেলে পাঠায় যা মনগড়া কাহিনী মাত্র। উপজেলা পরিষদের সভায় আমি সরদার জাকিরকে সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে ক্রস ফায়ারে দেওয়ার প্রস্তাব করি সম্পূর্ণ মিথ্যে গল্প। উপজেলা পরিষদের সভায় এ ধরণের প্রস্তাব করার প্রশ্নই আসে না।
প্রণব ঘোষ বাবলু বলেছেন, এক মহিলা চাঁদা না দেওয়ায় তার জমি অন্যজনকে দখল করিযে দেওয়া চেষ্টা করি।
এ ব্যাপারে আমার বক্তব্য :
গত ০৩/০৪/১৭ তারিখ তালার সাহাপুর গ্রামের এনায়েত গাজীর দখলীয় জমিতে তালা থানার এএসআই মদনসহ ৫জন কনস্টেবল রাইফেল নিয়া সকাল অনুমান ১০টার সময় একই গ্রামের আনোয়ারা বেগমের পক্ষে ঘর বেঁধে দখল করাচ্ছে। এই সংবাদ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই এবং অবৈধ দখল কায্যক্রমের ছবি ধারণ করি। এবং তালা তালা থানা অফিসার ইনচার্জ হাসান হাফিজুর রহমানকে জানাই। এই জমির দখল তদন্ত রিপোর্ট আপনি গত ২১/০২/১৭ তারিখ তালা থানার স্মারক নং ২৯৭। তারিখ : ২১/০২/১৭ ইং। মোতাবেক বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্টেট আদালতে প্রদান করেছেন। এবং ২৬/০৪/১৭ তারিখ পিটিশান ১১১/১৭ মামলাটি শুনানীর দিন ধার্য আছে। তিনি আমাকে থানায় উক্ত কাগজটি নিয়ে দেখা করতে বলেন। প্রতিবেদনে ৩০/৩৫ বছর এনায়েত গাজী দখলে আছেন মর্মে উল্লেখ করা আছে।
সাতক্ষীরা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের মামলা নং ১১১/১৭। তালা থানার ওসি হাসান হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত তদন্ত প্রতিবেদনে তালা থানার স্মারক নং ২৯৭। তারিখ ২১/০২/১৭ মোতাবেক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, শাহাপুর গ্রামের এনায়েত গাজী ১৯৮৯ সালে তার ফুফু নতেজান বেগমের নিকট থেকে ক্রয় করে ৩০/৩৫ ধরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোগদখল রয়েছেন। ফুফু নতেজান বেগম মৃত্যুঅন্তে একই সম্পত্তি তার ছেলে মেয়েদের কাছ থেকে আনোয়ারা বেগম ৬ বছর পূর্বে ৯ শতক সম্পত্তি ক্রয় করে দখল করার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। যে কোন সময় শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গের সম্ভাবনা রয়েছে। উক্ত তদন্তপ্রতিবেদনের আলোকে বিজ্ঞ আদালত দখলকারীর দখল বজায় থাকবে মর্মে রায় প্রদান করেন।
উক্ত সম্পত্তিতে ৩/০৪/১৭ তারিখ পুলিশ চেয়ারে বসে থেকে বেদখলীয় মালিক আনোয়ারা বেগমকে ঘর বেঁধে দখল করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা কালে এই ঘটনার চিত্র ধারণ করি। পুলিশ চেয়ারে বসে দখল করাচ্ছে আনোয়ারা বেগম পাশে দাড়িয়ে আছে। সেই ছবি ধারণ করে ঘটনাস্থল থেকে চলে আসি। ওসি তদন্ত মজ্ঞরুল হাসান মাসুদ ঘটনাস্থলে যেয়ে এনায়েত গাজীর বাড়ির দুই মহিলাকে মারপিট করে আহত করে। ব্যাপক তান্ডব চালায়। এনায়েত গাজীর বোন রহিমা বেগম আহত হয়ে তালা হাসপাতালে ভর্তি হয়। পুলিশের উক্ত কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কতিপয় পুলিশ সদস্যের কার্যক্রমে ক্ষুব্ধ হয়ে এনায়েত গাজী তালা ডাকবাংলোয় ০৩/০৪/১৭ তারিখে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। পুলিশ কর্তৃক তালায় এনায়েত গাজীর জমি দখলের চেস্টা : দুই মহিলা আহত শিরোনামে বিভিন্ন পত্রিকায় পরদিন সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদ প্রকাশ হলে ০৪/০৪/১৭ তারিখ রাতে ষড়যন্ত্রকারীরা ওসি তদন্তের মাধ্যমে তালা থানায় আমাকে প্রধান আসামী করে একটি মিথ্যে চাদাবাজি মামলা করেন। যার নাম্বার ২। তারিখ ০৪/০৪/১৭। উক্ত মিথ্যে মামলার সুষ্ঠ তদন্তের দাবিতে প্রধানমস্ত্রী, সরাষ্টমন্ত্রী, আইজিপি, র‌্যাব মহাপরিচালকসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছি। এই মামলার পর আমার শত্রু পক্ষের সহায়তায় তালার থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তা আমার নামে বহু সাধারণ ডায়েরী করিয়েছে অসৎ উদ্দেশ্যে। এ বিষয়েও আমি উল্লেখিত দপ্তরে অভিযোগ করেছি যা তদন্ত চলছে।
আমার মাঝিয়াড়া বাজারের পাশে ৪৮ শতক জমি মহামান্য সুগ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ হতে দেওয়ানি রিভিসান ৮১/০৭ উভয় পক্ষের শুনানি অন্তে বিচারপতি শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন ০২/১০/১৪ তারিখের প্রকাশিত রায়ে উল্লেখ করেছেন। তালা থানার এসআই সাখাওয়াত হোসেনের তদন্ত রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে নজরুল ইসলাম উক্ত জমিতে শান্তিপূর্ণ দখল রয়েছে। দেওয়ানী ৭৯/০৪ ও দেওয়ানী ৬৩/০৪ দুপক্ষের দুটি দেওয়ানী মামলা বিচারাধীন রয়েছে। দুটি মূল মামলা একত্রে বিচার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সম্পত্তির দখল আকার প্রকার প্রকৃতির ক্ষেত্রে স্থিতি অবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করেন। এই জমি এনজিও পরিচালক শেখ ইয়াকুব আলী জবর দখল করতে আসলে দু পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় তালা থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়। মামলা নং ২৮। তারিখ ২৮/০৮/২০০৪। এই জমিকে কেন্দ্র করে চায়ের দোকান চুরি একটি মামলা হয়। তালা থানার মামলা নং ৭ তারিখ : ৭/৭/২০০৪। মারামারি মামলা নং ২৮ তারিখ ২৮/০৮/২০০৪। ঘর ভাংচুর মামলা নং ১০। তারিখ ১৬/১০/১৬। সকল মামলাগুলো উক্ত তফশীল সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে। বিজ্ঞ আদালত হতে সকল মামলা থেকে আমিসহ এলাকাবাসী খালাস পেয়েছি।
গত ০৪/০৫/১৭ তারিখ ৩১ ধারায় উক্ত সম্পত্তি সেটেলমেন্ট অফিসার আমার নামীয় খতিয়ানে দখল নোট বহায় রেখে মামলা খারিজ করে দিয়েছেন।
আমার নামে এছাড়া আর বাংলাদেশের কোন থানায় কোন মামলা নেই। আমার শত্রুপক্ষেরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে জীবনহানি ঘটানোর চেষ্টা স্বরুপ আমাকে সন্ত্রাসী চাদাবাজি ভুমিদস্যু জনক্ষতিকর কার্যক্রমের সাথে জড়িত মর্মে বিভিন্ন সাংবাদিকদের মাধ্যমে এসব গল্প ভিন্নভাবে উপস্থাপনা পূর্বক পত্রিকায় প্রকাশ করা হচ্ছে। যা আমার বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্ত আর রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয়পতিপন্ন করা। বিষয়টি প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তাসহ গোয়েন্দা সংস্থানের অবগত করাসহ চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

‍‍‌‌”এস.এম নজরুল ইসলাম”

LEAVE A REPLY