মালয়েশিয়ায় খুনের ষোল দিন পর দেশে আনা হলো পিন্টুর মরদেহ

0
172

তালা প্রতিনিধি: বাবলু মালয়েশিয়ায় নিহতের ষোল দিন পর আইনি পরিক্রিয়া শেষে দেশে আনা হলো পিন্টুর মরদেহ, বৃহ:বার রাত আনুমানিক ১১টা ৫৮মিনিটে মালয়েশিয়া থেকে হযরত শাহজালাল আন্তজার্তিক বিমান বন্দরে পৌঁছায়। মালয়েশিয়া প্রবাসি জোয়াদ্দার ফারুক হোসেন জানান, আইনি জটিলতার কারনে মরদেহ আসতে অনেক দেরী হয়ে গেছে,কিন্তু তারপরও মরদেহটি বাংলাদেশে আনার জন্য সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করেছেন মালেয়েশিয়াতে অবস্থিত বাংলাদেশী দূতাবাসের ১ংঃ সেক্রেটারী শাহিদা আক্তার। পিন্টু শেখ সাতক্ষীরা তালা উপজেলার জেঠুয়া গ্রামের সাবেক স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. সাত্তার শেখের ছেলে এবং শেখ মেহেদী হাসান মিন্টুর ছোট ভাই। উল্লেখ্য, গত ২১ শে ডিসেম্ববার নিজ বাসায় খুন হন পিন্টু, গত দুই বছর ধরে তিনি মালয়েশিয়ায় শ্রমিক হিসেবে অবস্থান করছিলেন। তার সাথে পরিবারের প্রতিনিয়ত কথা হলেও গত ২১ ডিসেম্ববারের পর থেকে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ২৪ সে ডিসেম্ববার শনিবার দুপুরের দিকে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত এলাকার একাধিক ব্যক্তির মাধ্যমে খবর নিয়ে পিন্টু নিহত হবার খবর পাওয়া যায়। নিহতের মেজো ভাই শেখ মেহেদী হাসান মিন্টু জানান,মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে লেগোন পাঢানা সানওয়ে নামের এক এপার্টমেন্টের মেসে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলার ৪ জনসহ পিন্টু থাকত। গত ২১ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে মেসে খাওয়া সংক্রান্ত তুচ্ছ বিরোধের জের ধরে পিন্টুর পেট ও পায়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে ৬/৭ জন বাংলাদেশি। এতে ঘটনাস্থলেই পিন্টু নিহত হয়। এদিকে পিন্টু খুন হবার পর ঘটনা গোপন রেখে মালয়েশিয়া প্রবাসী বরিশাল অঞ্চলের রাইসুল নামের এক যুবক পিন্টু অসুস্থ জানিয়ে তার চিকিৎসার জন্য পরিবারের কাছে ফোন করে ৩ লাখ টাকা দাবি করে। পিন্টুর খুনের সাথে মালয়েশিয়া প্রবাসী রাইসুলসহ তালার শাহাজাতপুর গ্রামের মৃত. মোজাম খাঁ এর সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী পুত্র রুবেল খাঁ এবং জেঠুয়া গ্রামের মান্নান মোড়লের পুত্র বিল¬াল খাঁসহ একই রুমে অবস্থানকারীরা দায়ী বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকায় তিন জনকে আটক করেছে মালয়েশিয়া থানা পুলিশ। একজন মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশ চলে এসেছে। তালার রুবেলসহ বাকিরা পলাতক রয়েছে। শক্রুবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে তার গ্রামের বাড়ি উপজেলার  জেঠুয়াগ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়। নিহত পিন্টুর তানজিম নামের একটি দেড় বছর বয়সি একটি পুত্র ও স্ত্রী রয়েছে, পিতা এ পুত্রের মধ্য আদেও কোন দিন সাক্ষৎ হয়নি, তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।