মামলার ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে চাঁদা দাবি করছে: বসুখালীর এরশাদ

0
611

স্টাফ রিপোর্টার:

কয়েকটা নাশকতা মামলার আসামী মাদক ব্যাবসায়ী ও পুলিশের কথিত দালাল, আশাশুনি উপজেলার বসুখালী গ্রামের এলেম গাজীর ছেলে এরশাদ(৩০)। প্রাপ্ত তথ্যে জানাযায়, সে বিভিন্ন সময় পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে খেটে খাওয়া অসহায় মানুষের কাছ থেকে মামালার ভয় দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানায়, পুলিশের সাথে ভাল সম্পর্ক থাকায় এরশাদ ও তার ভাই মোশারফ,আশারাফ বসুখালী বাজারে মাদক ব্যাবসার প্রসার ঘটাচ্ছে। এমন কি কিছু দিন আগে এরশাদকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পুলিশ গ্রেফতার করে। কিন্তু এরশাদ পুলিশের দালালি করার কারণে তার বিরুদ্ধে কোন মামলা হয়নি। সম্প্রতি গত ৭ আগস্ট সোমবার বসুখালী গ্রামের আর এক মাদক ব্যবসায়ী করিম গাজীর ছেলে আব্দুস সত্তারকে আটক করে আশাশুনি থানা পুলিশ। সাত্তারকে আটক করা নিয়ে নতুন চাঁদা দাবির ষড়যন্ত্র করে এরশাদ। বসুখালী গ্রামে আবুসার পেয়াদার ছেলে ছরাফ(৩৫) একই গ্রামের আনসার ঢালীর ছেলে শারিফুল ঢালী(২৮), আব্দুল কাদের পেয়াদার ছেলে জসিম(৩০) ও আ. ছামাদ গাজীর ছেলে মোনাজাত হোসেনের কাছ থেকে ৩০হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করে এরশাদ। ভুক্তভোগিরা জানায়, এরশাদ আমাদের কে বলে, সাত্তারের নামে  মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা হয়েছে তাতে তোদের নাম হয়েছে। তোদের নাম কাটার জন্য দারোগা এসআই নয়ন চৌধুরী ৩০ হাজার টাকা করে চেয়েছে। যারা ৩০ হাজার টাকা করে দিতে পারবি তাদের মামলা থেকে তার নাম কেটে দেওয়া হবে। স্থানীয় ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন গাজী বলেন, মাদক ব্যাবসায়ী এরশাদ নানান উপায়ে আমার এলাকার খেটে খাওয়া অসহায় মানুষের নামে বিভিন্ন মামলা দেওয়ার ও মামলা থেকে নাম কেটে দেওয়ার জন্য চাঁদা নিয়ে থাকে। তাই তার এই চাঁদা বাজি যাহাতে বন্ধ হয় সেজন্য পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কমনা করছি। এ চাঁদা বাজির ব্যাপারে জানার জন্য অভিযুক্ত এরসাদের মুঠো ফোন যোগাযোগ কারার চেষ্টা করলে সে ফোন রিসিভ করেনি। এব্যাপারে আশাশুনি থানার এস আই নয়ন চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, টাকা চাওয়ার কোন যুক্তিই আসেনা ,বরং যাদের কাছে টাকা চেয়েছে তারা যদি থানায় এসে অভিযোগ করে তাহলে এরশাদের বিরদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এব্যাপারে আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম শাহিন জানান, বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখে আইন-আনুক ব্যবস্থা গ্রহন করবো।