মশার কয়েলের ধোঁয়ায় স্বাস্থ্যের ক্ষতি

0
58

বরুণ ব্যানার্জীঃ

এই সময়টাতে এমনিতেই মশার উপদ্রব বেশি। বিশেষ করে জমে থাকা পানি ও ময়লার কারণে মশার উৎপাত বাড়ে। নতুন রোগ চিকনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাবের পর কয়েলের ব্যবহার যেন আরো বেড়েছে। সাধারণ ধোঁয়ায় যে পরিমাণ কার্বন মনোক্সাইড থাকে তার চেয়েও কয়েকগুণ বেশি থাকে মশার কয়েলের ধোঁয়ায়। যখন আপনি নিঃশ্বাস নিচ্ছেন তখন আপনার ফুসফুস যদি মশার কয়েলের ধোঁয়া নিয়ে থাকে তবে তা সত্যিই খুবই উদ্বেগের কারণ হতে পারে। যদিও বলা হচ্ছে কয়েলগুলো ডিডিটি ফ্রি তবু কথা থেকে যায়।
কোন বিষাক্ততার কারণে মশাগুলো মরছে এবং সেই বিষাক্ততা মানুষের ক্ষতির জন্য কতটা দায়ী? শিশুকে ঘরে শুইয়ে রেখে মশার কয়েল জ্বেলে দেবার সময় একবারও ভাবা হচ্ছে না যে মশার কয়েলের ধোঁয়ায় অক্সিজেন কমে যাচ্ছে, শিশুর শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে! সাধারণত কম দামি মশার কয়েলে ডিডিটির পরিমাণ থাকে আরো বেশি। কয়েলের ধোঁয়ার কার্বন ও ডিডিটিই একসময় এই শ্বাসকষ্টজনিত অ্যাজমার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। হ্যাঁ মশা তাড়ানোর জন্য কয়েল জ্বালানো যেতে পারে তবে তা সন্ধ্যার সময় সবাইকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে। যদি এতটুকু সচেতনতা না থাকে তবে তা অবশ্যই স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ। মশা তাড়ানোর জন্য ঘরের আশপাশ পরিষ্কার রাখুন, ঘরের মাকড়শার জাল নষ্ট করে ফেলুন এবং জমানো পানি থাকলে তা অপসারন করুন। সচেতন হোন এবং সুন্দর থাকুন ।