ভোটের আগে নির্দলীয় সরকার ও সেনা চায় মুসলিম লীগ

0
33

অনলাইন ডেস্ক:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক বা সহায়ক সরকারের অধীনে করার দাবি জানিয়েছে বিএনপি-জামায়াত জোটের শরিক বাংলাদেশ মুসলিম লীগ। তারা মনে করে, দলীয় সরকারের অধীনে ভোট হলে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না। সেই সঙ্গে ‘রাজনৈতিক বিবেচনায়’মামলা নির্বাচনের তিন মাস আগে প্রত্যাহার, ভোটের আগে ও পরে ১৫ দিন সেনাবাহিনী মোতায়েন রাখার দাবি জানিয়েছে তারা।সোমবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপে মুসলিম লীগ এসব দাবি জানায়। সভাপতি কামরুজ্জামান খানের নেতৃত্বে সংলাপে দলটির ১০ জন প্রতিনিধি ছিলেন। সংলাপে মোট ১১টি লিখিত দাবি পেশ করে দলটি। মুসলিম লীগের নেতারা বলেন, নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। বেলা সোয়া ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে সংলাপে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব ও সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ৩১ জুলাই থেকে সংলাপ শুরু করে ইসি। সেদিন সংলাপে অংশ নিয়ে নাগরিক সমাজের সদস্যদের একাংশ ভোটে সেনা মোতায়েন, নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেয়া, ‘না’ভোট প্রবর্তন করাসহ বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেছিলেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে দুইদিন বৈঠক করে ইসি। আর ২৪ আগস্ট বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করে নির্বাচন কমিশন। ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে আজ মুসলিম লীগের সঙ্গে সংলাপ করে ইসি। সংলাপ শেষে বেরিয়ে আসার সময় মুসলিম লীগের মহাসচিব শেখ জুলফিকার চৌধুরী বলেন, ‘আমরা লিখিতভাবে ইসির কাছে ১১টি দাবি জানিয়েছি। আমরা নির্বাচনের তারিখের ৩০ দিন পূর্বে ও নির্বাচনের পরের পনের দিন পর্যন্ত বিচারিক ক্ষমতাসহ সেনা মোতায়েন করার কথা বলেছি। কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাররা যাতে অবাধে ভোট দিতে পারে তা নিশ্চিত করা, কালো টাকা ও পেশিশক্তিমু্ক্ত নির্বাচন করা, নিরপেক্ষ স্থানে ভোট কেন্দ্র স্থাপন করা, কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রকাশ্যে ভোট গণনা শেষে প্রত্যেক প্রার্থীর এজেন্টের স্বাক্ষর নিয়ে ভোটের ফলাফল প্রকাশ করার কথা বলেছি।’ সেনা মোতায়েনে আপনাদের দাবির জবাবে ইসি কী বলেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ইসি আমাদের বলেছে, আপনাদের মতো অনেকে নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পক্ষে মত দিয়েছেন। আবার অনেকে বিপক্ষেও মত দিয়েছেন। বিষয়টি আমাদের বিবেচনাধীন আছে।’

LEAVE A REPLY