বাবুর আমবাগান দখল তদন্তে সরেজমিনে কমিটি

1
153

এস.এম মফিদুল ইসলাম, পাটকেলঘাটা :
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে সাতক্ষীরার তালার গোপালপুর সরকারী আমবাগান দখলের তদন্তে সাতক্ষীরা জেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কাজী আব্দুল মান্নান সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় পরিদর্শনে এসে স্থানীয় বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিবর্গ, মুরুব্বি জনপ্রতিনিধিদের সাথে তিনি সরাসরি কথা বলেন ও ঘুরে দেখেন।
জানা যায়, তালার গোপালপুর আমবাগানের একেবারে সন্নিকটে সরকারের কিছু জমি স্থানীয় ভূমিহীন ব্যক্তিবর্গ দখলে রেখে নিয়মিত ডিসিআর কেটে আসছিল। এমনকি সরকার তাদের ডিসিআরকৃত জমি ইতোমধ্যে দিয়েও দিয়েছে। ৮ শতক জমির মধ্যে ৫ শতক ডিসিআর দিলেও আবেদনকৃত বাকি ৩ শতক জমি স্থানীয় আহাদ আলী ঘেরা বেড়ি দিয়ে বসতি করায় প্রতিপক্ষ ঘোনা গ্রামের মৃত. আব্দুর রউফের ছেলে আব্দুর রহমান নিজ দখলে নিতে বিভিন্নভাবে পায়তারা চালিয়ে যায়। জমিটি দখলে থাকা গোপালপুর গ্রামের মৃত. এনায়েত আলীর ছেলে আহাদ আলীর পক্ষে বার বার প্রতিবেদন পাওয়া স্থানীয় ইসলামকাটি ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানকে উৎকোচের বিনিময়ে কিনতে না পারায় হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে যোগসাজশে দুর্ণীতির অভিযোগ এনে পায়তারার চক্রান্তে লিপ্ত হয়। এরই অংশ হিসেবে তালার গোপালপুর সরকারী আমবাগান হুমকির মুখে এমনই একটি শিরোনামে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এতে ইসলামকাটি ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারী সম্পত্তি তফরুপের অভিযোগ আনা হয়। বিষয়টি উর্দ্ধধন কর্তৃপক্ষের গোচরীভূত হলে মন্ত্রণালয়ের নির্দেক্রমে জেলা কৃষি উপপরিচালক কাজী আব্দুল মান্নান ঘন্টাব্যাপী তদন্ত করেন।
এসময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিগণের বক্তব্যে সেটা অস্পষ্ট প্রতীয়মান হয়। সরকারী আমবাগানটি বর্তমান ইজারা গ্রহীতা ঘোনা গ্রামের মৃত. আব্দুর রাজ্জাক খানের ছেলে সামরুল খান বলেন, সরকারী ইজারাকৃত ৫.১৬ একর সম্পত্তির চর্তুপাশ ঘেরা বেড়ি দিয়ে আমি আবাদ দখলে আছি। ২০১৫-১৭ সালের ৩ বছরের জন্য লিজকৃত থাকলেও সম্পত্তির কেউ আজও হস্তক্ষেপ করেনি।
তদন্তকালীন সময়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সকল প্রতিবেদন হাজির করে বলেন, অভিযোগকৃত আমার দ্বারা সরকারী জমির বিন্দুপরিমাণ আজও ব্যক্তি আতœসাত, তছরুফ কিংবা ক্ষতি সাধিত হয়নি। অন্যায়ভাবে আমাকে অভিযোগের কাঠগড়ায় বসালেও আইনের কাজ অনুযায়ী ডিসিআরকৃত বাকি সম্পত্তি আহাদ আলী প্রাপ্য হওয়ায় তার পক্ষে প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।
তদন্তকারী জেলা কৃষি উপপরিচালক কাজী আব্দুল মান্নান বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে সরেজমিন তদন্তে যে রেজাল্ট পেয়েছি তা মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করা হবে। তবে স্থানীয়ভাবে সরকারী সম্পত্তি বেদখল নিয়ে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তার কোনো সত্যতা মেলেনি।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY