বাদামের তৈরি মাখন খান, সুস্থ থাকুন

0
85

অনলাইন ডেস্ক :

প্রিয় মানুষ কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে পার্কের আড্ডার আবশ্যক কর্তব্য বাদাম চিবোনো। হ্যাঁ এখানে চিনা বাদামের কথাই বলা হচ্ছে। গল্প করতে করতে এটি খাওয়ার মজাই অন্যরকম। অধিকাংশ বাচ্চার চিনা বাদাম পছন্দ না হলেও অনেকেই এটি খেতে খুব পছন্দ করেন। যেকোনো বয়সীদের জন্য চিনা বাদাম স্বাস্থ্যকর তাই এটি প্রতিদিন খাওয়া উচিত। বাদাম না খেলেও এর বাটার বা মাখন খাওয়া যেতে পারে। সকালের নাস্তায় জ্যাম, জেলি, বাটারের সাথে সাথে পিনাট বাটারও অনেকের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। এটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিকরও। বাচ্চাদের চিনা বাদামের বাটার বা পিনাট বাটার দারুন পছন্দ। পিনাট বাটার বেশিরভাগ সময় কেনা হলেও অনেকে বাড়িতেই তৈরি করে থাকেন। পিনাট বাটার পুষ্টিগুণের দিক থেকেও অতুলনীয়। প্রতিদিন বাটারের বদলে পিনাট বাটার খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে শরীরের পক্ষে ভালো। নিয়মিত পিনাট বাটার খেলে কি কি উপকার পাবেন জেনে নিন- পিনাট বাটারে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম ছাড়াও অনেক কিছু রয়েছে। পিনাট বাটারে বিদ্যমান ম্যাগনেসিয়াম হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে। পিনাট বাটারে প্রচুর পটাশিয়াম থাকায় তা সোডিয়ামের খারাপ প্রভাব দেহে পড়তে দেয় না। এছাড়া এতে অল্প পরিমাণ জিঙ্ক ও ভিটামিন বি৬ আছে। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আমাদের দেহের প্রতিদিনের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে দুই চা চামচ করে পিনাট বাটারই যথেষ্ট। কারণ চিনাবাদামে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। পিনাট বাটার স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। কারণ ভিটামিন বি৩ স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে যা চিনা বাদামেও পাওয়া যায়। হার্টের সুস্থতা বজায় রাখতে নিয়মিত পিনাট বাটার খেতে পারেন। এতে কোনও কোলেস্টেরল নেই। তবে এটি খেতে হবে পরিমিত পরিমাণে। পিনাট বাটারে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। পর্যাপ্ত ফাইবার দেহের জন্য ভালো ফলে সহজে ক্ষুধা লাগে না। এক গ্লাস কমলার জুস আর তিন চামচ পিনাট বাটারের সাথে গমের সিরিয়াল খেয়ে নিলে ১২ ঘণ্টা ক্ষুধাই লাগবে না। পিনাট বাটার দ্রুত খাবার হজমে সাহায্য করে। মেদ নিয়ে চিন্তিতরাও নিশ্চিন্তে খেতে পারেন পিনাট বাটার। কারণ এতে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি ফ্যাট হিসাবে পরিচিত অসম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেশি। কেবল নাস্তায় নয় রান্নায়ও পিনাট বাটার বিশেষ করে ডেজার্ট, স্মুদিজ, কুকিজ, ফ্রুট সালাদের সাথেও খাওয়া যায়।