বনানীর ধর্ষণ: নাঈমের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি

1
83

অনলাইন ডেস্কঃ

বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি নাঈম আশরাফ ওরফে এইচএম হালিমের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে এ মামলার অপর দুই আসামি আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধু সাদমান সাকিবের জব্দ করা পাঁচটি মোবাইলের ফরেন্সিক পরীক্ষার অনুমতিও দিয়েছে আদালত। ঢাকা মহারগর হাকিম দেলোয়ার হোসেন এ আদেশ দেন।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি এ আবেদন করেন। মামলায় সাফাতের দেহরক্ষী রহমত আলী তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে এবং গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন রিমান্ডে রয়েছেন। এ ছাড়া গত ১৮ মে সাত দিনের রিমান্ড হওয়া আসামি নাঈম আশরাফও বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন। তবে আসামি সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধু সাদমান সাকিফ রিমান্ড শেষে গত ১৮ মে আদালতে স্বীকারোক্তিমূক জবানবন্দি দেওয়ার পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গত ২৮ মার্চ জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়ে অস্ত্রের মুখে ওই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৬ মে বনানী থানায় পাঁচ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়।মামলায় বলা হয়, আসামিদের মধ্যে সাফাত ও নাঈম দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং তারা ওই দুই ধর্ষিতা ছাত্রীর বন্ধু। গত ২৮ মার্চ ঘটনার দিন আসামি সাফাতের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যান ওই দুই তরুণী। এরপর ওইদিন তাদের রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত আসামিরা আটকে রাখেন। অস্ত্র দেখিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যায় আসামিরা। আসামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ একাধিকবার তাদের ধর্ষণ করেন। ধর্ষণ করার সময় আসামি সাফাত গাড়িচালক বিল্লালকে দিয়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করেন। পরে বাসায় দেহরক্ষী পাঠিয়ে তাদের ভয়ভীতি দেখান। ধর্ষিতরা ভয়ে এবং লোকলজ্জার কারণে এবং মানসিক অসুস্থতা কাটিয়ে উঠে পরে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করে তারা মামলার সিদ্ধান্ত নেন।

 

1 COMMENT

LEAVE A REPLY