প্রবীণরা হতে পারে উন্নয়নের অংশীদার

0
56

বরুণ ব্যানার্জী:

শৈশব, কৈশোর ও যৌবনের কর্মোদ্দীপনার পর আসে প্রৌঢ়। প্রৌঢ়ের কর্মতৎপরতা ও স্বাভাবিক চিন্তাশক্তির বিলোপ ঘটলেই বার্ধক্যের শুরু। বার্ধক্যে গ্রাস করে অসহনীয় শারীরিক দুঃখ-কষ্ট। বার্ধক্যে মানুষ সাধারণত ছেলেমেয়ের আশ্রয়ে জীবনযাপন করে। বর্তমান সমাজে বৃদ্ধদের মূল্যায়ন ও গুরুত্ব দেওয়া হয় না। বৃদ্ধরা বেশির ভাগই হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ে বলে সমাজ ও জাতিকে তেমন কিছু দিতে পারে না। জরাজীর্ণ ক্লান্তিকর দেহই থাকে একমাত্র সম্বল। নানা রোগ-শোকে শরীর তিলে তিলে দগ্ধ হয়। শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আগের মতো আর সচল থাকে না। তাই একের পর এক রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। কালের ধারায় পেশাগত ও অভাব অনটন ইত্যাদি কারণে যৌথ পরিবার ব্যবস্থায় ফাটল ধরায় প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধা-ভক্তি-ভালোবাসা লোপ পাচ্ছে। বার্ধক্যে মানুষ মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। সমাজ সংসারে কোনো উপকারে আসতে পারে না বলে সমাজে তারা অবহেলিত হয়।  যারা আজ প্রবীণ তারা এক সময় দেশের সেবা, সমাজের সেবা করেছেন। বৃদ্ধ বয়সে তাদের এখন স্বস্তি প্রয়োজন। তাই বৃদ্ধদের প্রতি সম্মান ও তাদের নিরাপত্তা বিধান করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। বৃদ্ধরা যাতে বিনোদনহীন, নিরাশ্রয় ও অসহায়ভাবে জীবনযাপন না করে। আমাদের সকলের প্রত্যাশা  সব ভেদাভেদ ভুলে প্রবীণরাই সব জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের অংশীদার হতে পারে সে বিষয়ে সবার লক্ষ্য রাখতে হবে।

LEAVE A REPLY