প্রচারণা শেষ ভোট শুরু আগামীকাল

0
88

অনলাইন ডেস্ক :

প্রচারণা শেষ হয়েছে। এবার ভোটের পালা। প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের অপেক্ষায় আছেন ভোটার ও প্রার্থীরা। বুধবারের  ভোটকে ঘিরে এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার দিনগত ১২টায় নির্বাচনের প্রচার শেষ হয়েছে। একই সঙ্গে দলীয় এমপিদের নির্বাচনী এলাকা ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত জেলা ও উপজেলা সদরে স্থাপিত ভোটকেন্দ্রে চেয়ারম্যান, সাধারণ এবং সদস্য পদে ভোট দেবেন স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরা। এই নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা না হলেও ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত স্থাপনাগুলোর সব কার্যক্রম ওই দিনের জন্য  বন্ধ রাখা হয়েছে। সেসব প্রতিষ্ঠানে থাকবে সাধারণ ছুটি। নির্বাচন কমিশন সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, ভোটগ্রহণের যাবতীয় সামগ্রী এরই মধ্যে পৌঁছে গেছে। প্রস্তুতিও শেষ, এখন ভোটের অপেক্ষা।

বিধি অনুযায়ী, ভোটের ৩২ ঘণ্টা আগে থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে নির্বাচনী এলাকায় কোনো জনসভা আহ্বান, অনুষ্ঠান কিংবা তাতে বিজয়ী কিংবা পরাজিত প্রার্থী কেউ অংশ নিতে পারবেন না। ২৫ ডিসেম্বর মধ্য রাতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয়েছে মোটর সাইকেল চলাচলে। আর ২৭ ডিসেম্বর মধ্যরাতে বন্ধ হচ্ছে ৯ ধরনের যানবাহন চলচেলের ওপরে নিষেধাজ্ঞা। এগুলো হচ্ছে, বেবি ট্যাক্সি/অটোরিক্সা, ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জীপ, পিক আপ, কার, বাস, ট্রাক ও টেম্পু। তিন পার্বত্য জেলা বাদে দেশের বাকি ৬১ জেলায় প্রথমবারের মতো এ ভোট হচ্ছে। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ রাখা হবে বলে জানান ইসি সচিব। এদিকে তৃণমূলের সাধারণ মানুষের ভোট না হলেও জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে জেলায় জেলায় চলছে নানা আয়োজন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মনোনয়ন দিলেও  নির্দলীয় এ নির্বাচন বর্জন করেছে বিএনপি। প্রার্থী দেয়নি সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টিও।  তাই নির্বাচনে লড়াই হচ্ছে মূলত আওয়ামী লীগ ও দলের বিদ্রোহীদের মধ্যেই।  প্রতি জেলায় একজন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ১৫ জন সাধারণ ও পাঁচজন সংরক্ষিত নারী সদস্য নির্বাচিত হবেন। জেলার অন্তর্ভুক্ত সিটি করপোরেশনের (যদি থাকে) মেয়র ও কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউপির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন তারা। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৩৯৩৮ জন নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সাধারণ ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ৩ হাজার ৯৩৮ জন। উল্লেখ্য, এছাড়া ২২ জেলায় বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকছেন ৩৯ জেলায় ১২৪ জন। সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬৪ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৬৮ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এখন ২ হাজার ৯৮৬ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৮০৬ জন। ভোটার ৬৩১৪৩, কেন্দ্র ৯১৫ জেলা পরিষদের ভোটার সংখ্যা ৬৩ হাজার ১৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪৮ হাজার ৩৪৩ জন এবং নারী ভোটার ১৪ হাজার ৮০০ জন। ৬১ জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬৩ হাজার ১৪৩ জন ভোটারের জন্য ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে ৯১৫টি।