পাইকগাছায় বিদ্যুৎ জ্বালানী সপ্তাহ উদযাপিত

0
123

পাইকগাছা প্রতিনিধি :
“শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ” জাতীয় বিদ্যুৎ সপ্তাহ- ২০১৬ উপলক্ষে পাইকগাছায় স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্বালানী নিরাপত্তায় বিশ্ব ব্যাপী কয়লার ভূমিকা শীর্ষক বক্তৃতা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খুলনা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির আয়োজনে সোমবার সকালে পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন পাইকগাছা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম বদরুল আনম। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন, উপজেলা একাডেমীক সুপার ভাইজার নূর আলম সিদ্দিকী, সহকারী শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান, পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল গফ্ফার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক ময়নুল ইসলাম, প্রভাষক তরুণকান্তি মন্ডল, শিক্ষক নিহার রঞ্জন বিশ্বাস, শিক্ষক সজল কান্তি বিশ্বাস। বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির, কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, পাইকগাছা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়, পাইকগাছা কলেজ ও ফসিয়ার রহমান কলেজে ২১ জন শিক্ষার্থী বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহাবুবা ফেরদৌসি দোলা, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দিরের শিক্ষার্থী অন্তরা সাধু ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেন পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রিন্স দাশ। পরে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।
পাটের দাম বেশি পাওয়ায় চাষীরা খুশি; ধোয়া ও শুকানোয় ব্যস্থ পাইকগাছার পাটচাষীরা
গাজী মোঃ আব্দুল আলীম, পাইকগাছা ॥
পাটের আঁশ ছাড়ানো, ধুয়া ও শুকানোর কাজে ব্যাস্ত সময় পর করছে পাট চাষীরা। পাটের দাম আশানারুপ হওয়ায় পাট চাষীরা খুশি। প্রতি মন পাট ১৬শ টাকা হলে ২ হাজার টাকা দরে খুচরা বিক্রয় করা হচ্ছে। এছাড়া রয়েছে পাটকাঠির প্রচুর চাহিদা ও দামেও বেশি। পাটকাটির চাহিদা থাকায় ক্রেতারা আগাম পাট চাষীর পাটকাঠি ক্রয় করে আঁশ ছাড়ানোর সাথে সাথে ভিজা পাটকাঠি নিয়ে যাচ্ছে। আটি হিসাবে ২০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। জ্বালানী হিসাবে গৃহবধুদের কাছে পাটকাঠির চাহিদা খুব বেশি। পাটকাঠি দিয়ে সহজে উনুন জ্বালানো যায় ও সহজে রান্না করা যায়। এইজন্য গৃহবধুর চাহিদা প্রচুর রয়েছে।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৬শত ৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে তোষা ৬’শ হেক্টর ও দেশী ৫ হেক্টর। লবনাক্ত পাইকগাছার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে গদাইপুর ১৮ হেক্টর, হরিঢালী ২৪৫ হেক্টর, কপিলমুনি ২৩০ হেক্টর, রাড়–লী ৯৩ হেক্টর, পৌরসভা ১০ হেক্টর ও চাঁদখালী ইউনিয়নে আংশিক এলাকায় ৪ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। কৃষকরা তোষা ও৯৮, ও৯৪, দেবগ্রী ও বঙ্কিম জাতের বীজ বেশি বপন করেছে। এ জাতের পাট উঁচু ও বেশ মোটা হয় এবং ছাল পুরু হয়েছে। এতে পাটের আশও বেশি পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এএইচএম জাহাঙ্গীর আলম জানান, আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় পাটের আবাদ ভাল হয়েছে। আশানুরূপ পাটের আঁশ ও পাটকাঠি পেয়েছে কৃষকরা। তাছাড়া পাটের ভাল দাম পাওয়ায় কৃষকরা খুশি হয়েছে এবং আগামীতে আরো অধিক জমিতে পাটের চাষ করার জন্য কৃষকদের মধ্যে উৎসহ বেড়েছে।

প্রেরকঃ
গাজী মোঃ আব্দুল আলীম