দেশের স্বার্থেই পোশাকশিল্পের নৈরাজ্য বন্ধ হোক

0
59

বরুণ ব্যানার্জী : শুধুই শহুরে জীবন নয়, ইদানীং গ্রামীণ জনপদের অর্থনৈতিক বিপ্লবের আরেক নাম পোশাকশিল্প। সারা দেশের গ্রামের মানুষের জীবনে নতুনভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন জুগিয়ে যাচ্ছে পোশাক কারখানাগুলো। অশিক্ষিত-অল্প শিক্ষিত তরুণ-যুবক নারী-পুরুষের পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছে পোশাক কারখানা। গ্রামের অবহেলিত নারী-পুরুষের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে এনে তাদের নতুন জীবন দিয়েছে পোশাকশিল্প। যাদের জীবন পাল্টে দিল পোশাকশিল্প সেই শিল্পকেই ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে শ্রমিক আন্দোলনের নামে কুচক্রীমহল। কী এদের উদ্দেশ্য? কারা এরা যারা অস্থিতিশীল করে রাখতে চায় এ খাতটিকে? এদের চিহ্নিত করা সময়ের দাবি। প্রয়োজন সরকারি সদিচ্ছা ও শিল্পপতিদের ঐক্য এবং শিল্প আইনের সঠিক প্রয়োগ। দেশের মোট রফতানি আয়ের শতকরা ৮০ ভাগ রফতানি পোশাকশিল্প থেকে আসে। অথচ এ খাতটিকে দেশি-বিদেশি যড়যন্ত্র ধ্বংসের দিকে ধাবিত করছে। আর সম্ভাবনাময় গার্মেন্ট খাতটিকে টিকিয়ে রাখতে যেন কোনো কারণেই শ্রমিকদের বিভ্রান্ত করার মতো হঠকারিতার আশ্রয় কেউ না নেয় এবং মালিকপক্ষ শুধু তাদের স্বার্থ বিবেচনা করে শ্রমিকদের ঠকাবেন না। আশার কথা, সাভারে বন্ধ হওয়া ৫৯টি পোশাক কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে। নিঃসন্দেহে পোশাকশিল্পের জন্য এটি বড় একটি সুখবর। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের পোশাকশিল্প বিশ্বের বুকে সুনাম বয়ে আনবে। দেশের সর্ববৃহৎ রফতানি খাত পোশাকশিল্প উত্তরোত্তর সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাবে এমন প্রত্যাশাই সবার।