দেশের প্রথম কুরআনিক ভাস্কর্য

0
174
বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআনের আদলে ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায়।
এর আগে বাংলাদেশে আর কেউ এ রকম ভাস্কর্য নির্মাণ করেনি। ঢাকার চারুকলা ইনস্টিটিউটের মেধাবী ছাত্র ভাস্কর কামরুল হাসান শিপন এ ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন। ২০১৭ সালের শেষ দিন আগামী ৩১ ডিসেম্বর রোববার ভাস্কর্যটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।
কসবা পৌর সভাপর মেয়র এমরানুদ্দীন জুয়েলের তত্ত্বাবধানে নির্মিত কুরআনের আদলে তৈরি এ ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এমপি।
জেদ্দা বিমানবন্দর থেকে নেমে পবিত্র নগরী মক্কার প্রবেশদ্বারে কুরআনের আদলে তৈরি যে বিশাল তোরন রয়েছে। সে তোরণের ডিজাইনের আলোকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলা সদরের ব্যস্ততম কদমতলা মোড়ে তৈরি করা হয়েছে এ কুরআনিক ভাস্কর্য।
উন্নতমানের গ্লাস ফাইভার দ্বারা তৈরি নান্দনিক ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৬ ফিট এবং প্রস্থ ৮ ফিট। ভাস্কর্য নির্মাণকারী ঠিকাদার রতন সরকার জানান, ‘এটি তৈরিতে ২ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে।
কদমতলা মোড়ের নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম কুরআনের ভাস্কর্যটি দেখতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিড় করে স্থানীয় ও দেশের দূর-দূরান্ত থেকে আগত কুরআন প্রেমিক জনতা। কুরআনের আদলে তৈরি এ ভাস্কর্যটি যেন কুরআন প্রেমিক জনতার হৃদয়ের তাজমহল।
কুরআনিক ভাস্কর্যটি তৈরিতে বিশেষ অবদান রেখেছেন কসবা পৌরসভার মেয়র এমরানুদ্দিন জুয়েলসহ অনেকেই।
ব্যতিক্রমধর্মী এ অসামান্য ভাস্কর্য নির্মাণ সংশ্লিষ্টরা সব পেশা-শ্রেণীর মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। দেশের আলেম সমাজ তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।পাশাপাশি কুরআনের এ ভাস্কর্যের প্রতি যেন অবমাননা না হয়ে সেদিকেও নজর রাখার বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন আলেম সমাজ।
অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন এবং সুন্দর পরিবেশ বিনির্মাণে কসবার মুসলমানের কাছে এই ভাস্কর্য হয়ে থাকবে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। এ ভাস্কর্য দেখে মানুষ হৃদয়ে অনুভব করবে ইসলাম ও কুরআনের শীতলতা।