দেবহাটা থানা পরিদর্শনে খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক মোঃ একরামুল হাবীব

0
466

দেবহাটা প্রতিনিধি:
পুলিশ জনগনের বন্ধু, অপরাধীদের দুশমন। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা পুলিশের কাজ। মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ দমনে পুলিশকে কঠোর হয়ে কাজ করছে। মাদক নির্মূলে মাদকের সাথে সংশ্লিষ্ট ক্রেতা, বিক্রেতা ও সহযোগীতা কারীদের কাউকে ছাড় দেওয়া যাবে না। কারণ মানুষ সমাজের চরম দুশমন। মাদকের ছোবলে যুবক সমাজ ধংশ হয়ে যাচ্ছে। সমাজে অপরাধ বেড়ে চলেছে। তাছাড়া সরকারের নির্দেশ মাদককে জিরো টলারেন্সে আনতে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। যদি মাদকের সাথে পুলিশের কোন সদস্য সংযুক্ত থাকে তাহলে আমাদের তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করুন। আমরা তার বিরুদ্ধে কঠোর থেকে কঠোর ব্যবস্থা নিব। তাছাড়া পুলিশ সদর দপ্তর, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ সুপারের কার্যালয় সাতক্ষীরা থেকে মাদক নির্মূলে কঠোর থেকে আরো কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের কথা ইতোমধ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় দেবহাটা থানা পরিদর্শন কালে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে বাংলাদেশ পুলিশের খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক মোঃ একরামুল হাবীব এসব কথা বলেন। এসময় সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূল করতে এবং অপরাধীদের দমন করতে যেয়ে নিরীহ কাউকে হয়রানী বা মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো না হয় সে দিকে ওসি কে খেয়াল রাখার নির্দেশ দেন তিনি। মতবিনিময় পূর্বে দেবহাটা থানার চলমান বিভিন্ন মামলার অগ্রগতি, মাদক, জঙ্গী, সন্ত্রাস দমন ও দায়েরকৃত বিভিন্ন মামলা, অভিযোগ ইত্যাদি বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়ার পাশাপাশি নথিপত্র পর্যবেক্ষণ করেন। একই সাথে অফিসার ইনচার্জ(ওসি)সহ সকলকে সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করার জন্য নির্দেশ দেন। তিনি দেবহাটা থানার কর্মকান্ডর বিষয়ে জানতে কর্মরত এসআই, এএসআই, পুলিশ সদস্যদের সাথে পৃথক পৃথক ভাবে আলোচনা করে দেশ সেবাই কাজ করার নির্দেন প্রদান করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম, কালিগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মির্জা সালাউদ্দীন, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) কাজী কামাল হোসেন, ওসি(তদন্ত)শরিফুল ইসলাম, সেকেন্ড অফিসার ইয়ামিন আলী, এসআই উজ্বল দত্ত, আল-আমিন, মাজরিহা হোসাইন, হাবিবুর রহমান, আব্দুল কাদের, আব্দুস সামাদ, এমাইদুল ইসলাম, আব্দুল গনি, এএসআই আল-আমিন, কায়সার, আবুল কালাম, মাসুদ হোসেন, শামিম আহম্মেদ, আলাউদ্দীন, আমজাদ হোসেন, পিএসআই ফরিদ হোসেন ও প্রীতিশ কুমার প্রমূখ।

মীর খায়রুল আলম/পিপিএন