দেবহাটার খানবাহাদুর আহছানউল্লা কলেজ শিক্ষকের অর্থ বানিজ্য

0
810

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটার সখিপুর খানবাহাদুর আহছানউল্লা কলেজে এইস এস সি পরিক্ষার সাচিবিক বিদ্যা প্র্যাকটিক্যাল খাতা ও কলেজ থেকে পিকনিক না যাওয়ায় জোর পূর্বক ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে শিক্ষকের অতিরিক্ত অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ, প্রতিবাদ করলে ফেল করানোর হুমকি। প্রাপ্ত তথ্যে জানাযায়, আগামী ২ই এপ্রিল এইস এস সি পরিক্ষায় অংশ নিতে যাচ্ছে খানবাহাদুর আহছানউল্লাহ কলেজের ব্যবসায়ী শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রায় ৯৫জন শিক্ষার্থী। এসকল শিক্ষার্থীর নিকট থেকে নানা অযুহাতে ৩০ টাকার প্র্যাকটিক্যাল খাতা জোর পূর্বক ভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে ২২০ টাকা। আর এই অর্থ বানিজ্য মেতে উঠেছে অত্র কলেজের সাচিবিক বিদ্যার সহকারী শিক্ষক অধ্যপক মনিরুজ্জামান (মহাসিন)। এখানেই শিক্ষকের অর্থ বানিজ্য শেষ নয়, গত ইং ৫ই ফেব্রুয়ারী ব্যবসায়ী শিক্ষা বিভাগ পিকনিকের আয়োজন করেন। সেখানে মাথাপিছু সকল ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে ৬০০টাকা হারে চাঁদা নিয়ে ৫২জন ছাত্র-ছাত্রী অংশ গ্রহণ করে। পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে প্রায় ৪৩জন ছাত্র-ছাত্রী পিকনিকে অংশ গ্রহণ করতে পারিনি সেদিন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আবারও সহকারী শিক্ষক অধ্যপক মনিরুজ্জামান (মহাসিন) পিকনিক না যাওয়ায় কারন দেখিয়ে প্রায় ৪৩জন অসহায় ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট জোর পূর্বক ২৮০টাকা ও  প্র্যাকটিক্যাল খাতা বাবদ ২২০টাকা সর্বমোট ৫০০ টাকা হাতিয়ে নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে পরিনত করে চলেছে। আর যে সকল ছাত্রী-ছাত্রী অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ করছে উক্ত শিক্ষক তাদেরকে পরিক্ষায় ব্যবহারিক মার্ক কমিয়ে ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। এ অভিযোগ ভুক্তভোগী ছাত্র-ছাত্রীদের। এবিষয়ে খানবাহাদুর আহছানউল্লা কলেজের সাচিবিক বিদ্যার শিক্ষক মনিরুজ্জামান মহাসিন ঘটনার সততা স্বিকার করে বলেন, প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে প্র্যাকটিক্যাল খাতা বাবদ ২২০টাকা এবং যারা পিকনিকে যায়নি তাদেরকে বাধ্যতা মূলক ২২০টাকা সহ মোট ৫০০টাকা নেওয়া হচ্ছে। এব্যাপারে খানবাহাদুর আহছানউল্লা কলেজের অধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বলেন, এরকম অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিধান নেই। আমি একটু আগে জানতে পেরেছি বিষয়টি আগামী কাল দেখব। এব্যাপরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাফিজ-আল-আসাদ বলেন, বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে আইন গত ব্যবস্থা নেব।

মোঃ নাজমুল হাসান/পলাশ