ডি.বি. ইউনাইটেড হাইস্কুলে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত

0
149
শহর প্রতিনিধি :
আজ ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য এক দিন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এদিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ-গ্রহণ করে। পরে এই বৈদ্যনাথতলাকেই ঐতিহাসিক মুজিবনগর হিসেবে নামকরণ করা হয়। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি সারা দেশের সাথে একযোগে ডি.বি. ইউনাইটেড হাইস্কুলে পালন করা হয়। দিবস টি উপলক্ষে ডি.বি. ইউনাইটেড হাইস্কুলে মুজিব নগর দিবসের উপরে আলোচনাসভা।
প্রধান শিক্ষক মোঃ মমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক বাবু সুকুমার সরকার, সহকারী শিক্ষক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, রেহানা পারভীন, মোঃ ফয়জুল হক, মোঃ মুকুল হোসেন, রমেশ চন্দ্র সরদার, শিক্ষার্থীদের ভিতরে বক্তব্য রাখেন দশম শ্রেণীর জান্নাতুল ফেরদৌস, অষ্টম শ্রেণীর অনুশ্রী ঘোষ, সপ্তম শ্রেণীর জাফরউল্লাহ সারাফাত। বক্তারা তাদের বক্তব্যে স্বধীনতার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা চেষ্টা করেন।
সমাপনী বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক বলেন, আমরা আজ স্বধীন জাতী, আমাদের এই স্বধীনতা অর্জনের পেছনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান সব থেকে বেশি। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালোরাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানোর পর একই বছরের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্ররূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করা হয়। অস্থায়ী সরকারের সফল নেতৃত্বে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। যার ফলে আমরা পেয়েছি স্বধীন বাংলাদেশ। তিনি আরও বলেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশকে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। আর তাই আমাদের সকলকে এক হয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে, যাতে দেশের উন্নয়নের ধারাকে বাধাগ্রস্ত না করতে পারে।