ঝাউডাঙ্গায় গৃহবধু কনিকা সরকারের উপর পাশবিক নির্যাতনের মামলার ১৭ দিনেও গ্রেফতার হয়নি আসামী

26
280

মনিরুল ইসলাম মনি:

বিড়াল মারতে লাঠি দিয়ে সহযোগিতা করার অভিযোগে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক গৃহবধুকে অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামীরা গত ১৭ দিনেও গ্রেফতার হয়নি। প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে বাদিকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে আসামী চোরাকারবারি জামায়াত কর্মী আলাউদ্দিন।অভিযোগ , মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তাকে বারবার বলার পরও তিনি আসামী গ্রেফতাের কোন উদ্যোগ নিচ্ছেন না।সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের গোবিন্দকাটি গ্রামের সুকুমার সরকারের স্ত্রী কনিকা সরকার জানান, গত ২ মে তাদের গ্রামের দীপু সরকারকে বিড়াল মারার জন্য লাঠি দেওয়ার অপরাধে বিড়াল মালিক বল্লী ইউনিয়নের আমতলা গ্রামের সামছুর ওরফে নাসিরউদ্দিনের ছেলে বর্তমানে গোবিন্দকাঠি গ্রামে নানার বাড়িতে বসবাসকারি চোরাকারবারি ও জামায়াত কর্মী আলাউদ্দিন ও তার মা তাকে দুর্গা মন্দিরের পাশ থেকে ধরে এনে লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। এতে তিনি মারাত্মক জখম হন। মামলা করার পর সুকুমার সরকারকে লাশ বানিয়ে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে স্বামীর কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে বলে যায় আলাউদ্দিন। স্বজনরা তাকে তাৎক্ষণিক সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তিনি দু’ সপ্তাহ চিকিৎসাধীন ছিলেন।সুকুমার সরকার জানান, তার স্ত্রীকে অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে গত ৯ মে থানায় মামলা করলেও গত ১৭ দিনেও পুলিশ কোন আসামী ধরেনি। মূল আসামী আলাউদ্দিন কয়েকদিন পলাতক থাকলেও গত পাঁচদিন ধরে সে বাড়িতে অবস্থান করছে। প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে ভয় দেখিয়ে বলছে, বাঁচতে চাইলে মামলা তুলে নে। বাড়ির পাশের কয়েকটি পরিবারকে যেভাবে ভারতে পাঠিয়েছে সেভাবেই তোদের ভারতে পাঠাবো। জমি বিক্রির সময়টুকুও পাবি না। বিষয়টি বারবার জাানানোর পরও মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক রশিদুজ্জামান কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।জানতে চাইলে উপপরিদর্শক রশিদুজ্জামান বলেন, আসামীর অবস্থান সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য বাদিকে বলা হয়েছে। যে কোন সময় আসামীদের গ্রেফতার করা হবে।

26 COMMENTS