জমি দখলে ব্যর্থ হয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

0
88
Exif_JPEG_420

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: দেবহাটার নাজিরের ঘেরের জমি জবর দখল চেষ্টায় হামলা চালিয়েছিল সুবর্নাবাদ গ্রামের বেল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে দুই শতাধিক ভাড়াটে সন্ত্রাসী। এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে তাদের আঘাতে আহত হন ঘের মালিক নুর ইসলামের পরিবার ও স্বজনরা। এ নিয়ে পত্রপত্রিকায় খবরও ছাপা হয়েছিল। এ সবের বিরুদ্ধে বেল্লালের মা রহিমা খাতুনের সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদ করেছেন ঘের মালিক  দক্ষিণ নাজিরের ঘেরের নুর ইসলাম ও তার স্বজন আলি আহমেদ। মঙ্গলবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে  এই সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।  সংবাদ সম্মেলনে নুর ইসলাম তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, তিনি ১৯৬৯ সালের ৩১ মার্চ  দুটি  খতিয়ানের ৩ একর ৭৭ শতক জমি ক্রয় করে তা ভোগ দখলে রয়েছেন। বর্তমান জরিপেও তার নাম রেকর্ডভূক্ত হয়েছে। তিনি আরও জানান, সুবর্নাবাদ গ্রামের মোক্তার সরদারের ছেলে বেল্লাল ওই জমির মধ্যে ১ একর ১১ শতক তাদের ক্রয়কৃত বলে দাবি করে। এ নিয়ে সৃষ্ট  চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় নুর ইসলাম গত ১০ এপ্রিল রায় পান ও ডিক্রিপ্রাপ্ত হন। এ সংক্রান্ত অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আরও এক মামলায় তিনি রায় লাভ করেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন।  নুর ইসলাম অভিযোগ করে বলেন এসব কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে জমি দখলের লক্ষ্যে বেল্লাল হোসেনের হুকুমে তার ভাই আবুল কালাম আজাদ, গোলাম মোস্তফা, মোক্তার সরদার, দক্ষিণ পারুলিয়ার খায়রুল সরদার,  আফছার আলি ও আবদুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে দ্ইু শতাধিক ভাড়াটে গত ৬ জানুয়ারি তার ঘেরে হামলা করে। তাদের রড, শাবল, লাবনা ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হন নুর ইসলামের স্ত্রী আশুরা, ছেলের বউ আসমা খাতুন, ভাতিজি কোহিনুর, মেহেরুননেসা, মেয়ে আসমা,ছোট ভাইয়ের স্ত্রী সাজেদা খাতুনসহ অনেকেই। স্থানীয় ইউপি সদস্য এয়ামিন মোড়ল তাদের উদ্ধার করে দেবহাটার সখিপুর হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। পরে তাদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ নিয়ে পত্র পত্রিকায় খবর ছাপা হয়। নুর ইসলাম জানান, এসব ঘটনা ধামাচাপা দিতে বেল্লালের মা রহিমা দেবহাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের কাগজপত্র জাল বলে জানিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন করেন কাগজপত্র জাল হয়ে থাকলে নুর ইসলাম দুটি মামলায়ই জয়ী হন কি ভাবে। তিনি বলেন জমি জবর দখলে ব্যর্থ হয়ে বেল্লালের হুকুমে তার মা এই সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যাচার করেছেন। তিনি বেল্লালদের নির্যাতনের কবল থেকে তাকে ও তার পরিবারকে  রক্ষা এবং নিজের জমিতে শান্তিপূর্নভাবে দখলে থাকার জন্য পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।