জনগণ কোনটা বিশ্বাস করবে?

0
57

অনলাইন ডেস্ক:

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল বলেছেন, বিএনপির ওপর জনগণের আস্থা নেই। কিন্তু একইদিনে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন জোটের এমপিরা বলেছেন শতকরা ৯০ ভাগ লোক আওয়ামী লীগের বিপক্ষে। জনগণ কোনটা বিশ্বাস করবে?’ সোমবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই প্রশ্ন রাখেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দ্বিতীয়বারের বাকশালী শাসনে ফ্যাসিবাদের নব্য সংস্করণ এখন যে বীভৎস রূপ ধারণ করেছে তাতে নির্বাচন, ভোটসহ সারাদেশের সব গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা লণ্ডভণ্ড। জনগণকে ভোগ করতে হচ্ছে এক নারকীয় দুঃশাসনের তীব্র যন্ত্রণা।’

রিজভী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দেশের জনগণের শক্তিকে কি বিশ্বাস করেন? তিনি জনগণকে তো অনেক আগেই ত্যাজ্য করেছেন, যদি তিনি জনগণের শক্তিকেই বিশ্বাস করে থাকেন তাহলে একবার দয়া করে সাধের সিংহাসন ত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন, তখনই বোঝা যাবে জনগণের আস্থা কার ওপর আছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হাতে পেলেই জনগণের অধিকারকে আর সুনজরে দেখে না। এরা জনগণের সব অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশবাসীকে হতভাগাতে পরিণত করতেই উঠেপড়ে লাগে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের চিরসত্য ঐতিহ্য হচ্ছে তারা জলাতঙ্কের মতো গণতন্ত্রের আতঙ্কে ভোগে। এরা অন্যায় ও বেআইনিভাবে ক্ষমতার চাহিদা মেটাতে জনগণকে পরাধীনতার সুদৃঢ় বন্ধনে বন্দী করে রাখতে চায়। আর সেজন্য অব্যাহত গুম, খুন, বিএনপিসহ সরকারের বাইরে রয়েছে এমন দলের নেতাকর্মীদের বাড়ি থেকে ধরে এনে অদৃশ্য করে দেয়া এখন এতোই ভয়াবহ ও চাঞ্চল্যকর মাত্রায় পৌঁছেছে যে, জাতি হিসেবে আমাদের ভাবমূর্তি একটা লজ্জাজনক অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। আর এ অপকর্মগুলো ঢাকতেই প্রধানমন্ত্রী এখন নির্বাচন, জনগণ ইত্যাদি কথার জিকির তুলছেন।

এস এম পলাশ

 

LEAVE A REPLY