চলো একটু হেসে নেই

0
65

(১) জোক্স

আবুল সাহেব ও তার স্ত্রীর secret code হলো ” পরোটা ভাজি”

প্রতিদিন সকালে খাবার টেবিলে আবুল সাহেব, তার স্ত্রী ও তাদের ৫ বছরের বাচ্চা একসাথে খেতে বসে।
আবুল সাহেব প্রতিদিন সকালে তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করে, ” কাল রাতে কয়টা পরোটা ভাজলাম?”
তার স্ত্রী কখনো উত্তর দেয় ৩টা, কখনো ৪টা, কখনো ৫টা,৬টা,৭টা ।

একদিন সকালে তার স্ত্রী বলল ৫টা।
কিন্তু আবুল সাহেব বলল ৪টা।
তারা কিছুতেই এই বিষয়ে এঁকে অপরের সাথে একমত না।
এই নিয়ে তাদের মধ্যে মহা তর্ক শুরু।

তাদের ১৭ বছরের একটা কাজের ছেলে ছিল। তখন ছেলেটি খাবার টেবিলে নাস্তা দিতে দিতে বলল,” কাল রাতে খালুরে দুধ দিতে আপনাদের রুমে ঢুকছিলাম,ঢুইকা দেখি তাওয়া ( fry-pan) গরম আছে,তাই আমিও একটা পরোটা ভাইজা ফেলসি।”
(২) জোক্স

এক ছোট বাচ্চা চিঠি লিখছে ঈশ্বরের কাছে এভাবেঃ
“হে ঈশ্বর আমার একটি বাইসাইকেলের অনেক শখ ।তাই বাইসাইকেল কেনার দশহাজার টাকা পাঠিয়ে দাও ।”
ব্যস এটুকু লিখে সে খামের উপর লিখলো ‘প্রাপক, ঈশ্বর’|
তারপর ডাকবাক্সে ফেলে এল।
এবার পিয়ন যখন এই চিঠি পেল তখন সে বেচারাতো পড়লো দারুণ বিপাকে ।কি করে,কি করে !! সে দেখালো তার কর্তাবাবুকে, তিনি আবার দেখালেন তার কর্তাবাবুকে এভাবে হাতে হাতে ঘুরতে ঘুরতে এক পর্যায়ে চিঠিটি গিয়ে পড়লো প্রধান মন্ত্রির হাতে ।
তিনি চিঠিটি পড়ে বললেনঃ তাকে হতাশ করা চলবে না ।ওর ঠিকানায় পাঁচশ টাকা পাঠিয়ে দাও ।
কিছুদিন পর সেই বাচ্চাটির আরেকটি চিঠি এসে পড়লো সেই পিয়নেরই হাতে ।এবার সে আর ভুল করলো না সোজা পাঠিয়ে দিলো প্রধানমন্ত্রির মারফত ।তো প্রধান মন্ত্রী চিঠিটি খুলে পড়ছেনঃ
হে ঈশ্বর,আমি জানি যে তুমি আমার চিঠি পেয়ে খুশি হয়ে তুমি ঠিকই আমার জন্য দশ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলে কিন্তু প্রধানমন্ত্রী জোচ্চুরি করে সাড়ে নয় হাজার টাকা মেরে দিয়ে আমায় শুধু পাঁচশ টাকা পাঠিয়েছে ।আমি এর বিচার চাই ।…….

(৩) জোক্স

একদিন একলোক অফিস থেকে বাসায় এসে বেডরুমে ঢুকতেই দেখল বিছানায় তার স্ত্রীকেসম্পূর্ণ নগ্ন, কম্পমান ও ঘর্মাক্ত অবস্থায় আবিস্কার করলো!

ভীতসন্ত্রস্থ হয়ে সে স্ত্রীকে জিগ্গেস করলো, “তোমার কি হয়েছে?”
স্ত্রী কাপতে কাপতে বলল,”মনে হয় আমার হার্ট এটাক হয়েছে!”

তাড়াতাড়ি ডাক্তার ডাকতে রুম থেকে বের হবার সময় তার কত ছেলেটি ভয়ে ভয়ে
বলল,”বাবা, ও বাবা, রোকন চাচা না তোমার আলমারিতে ল্যাংটা হয়ে ঢুকা আছে!”
তখন লোকটি আলমারি খুলে দেখলআসলেই তো তাই|

বেশ রাগ হয়ে সে বলল,”আচ্ছা রোকন তোমার আক্কেলটা কি? আমার বউ হার্ট এটাকে মারা
যাচ্ছে আর তুমি কিনা ল্যাংটা হয়ে আমার বাচ্চা ছেলেটাকে ভয় দেখাচ্ছ?”
(৪) জোক্স
ছোট্ট বাবুদের ক্লাসে ঢুকে মিস দেখলেন, বোর্ডে ক্ষুদে হরফে পুরুষদের বিশেষ প্রত্যঙ্গটির কথ্য নামটি লেখা।

ভীষণ চটে গিয়ে চেঁচিয়ে উঠলেন তিনি, `কে লিখেছে এটা?`
কেউ উত্তর দিলো না। মিস তড়িঘড়ি করে সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন।

পরদিন আবার ক্লাসে একই কান্ড, এবার শব্দটি আরেকটু বড় হরফে লেখা। আবারও ক্ষেপলেন মিস, `কে লিখেছে এটা?`

কেউ উত্তর দিলো না। মিস আবার সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন।

তার পরদিন আবারও একই কান্ড, এবার গোটা বোর্ড জুড়ে শব্দটি লেখা। মিস বহুকষ্টে মেজাজ ঠিক রেখে ডাস্টার ঘষে লেখাটা মুছলেন।

তার পরদিন ক্লাসে এসে মিস দেখলেন, বোর্ডে লেখা: যত বেশি ঘষবেন, এটা ততই বাড়বে।

(৫) জোক্স

নার্স ডাক্তারকে বলছেঃ
নার্সঃ (চিন্তিত হয়ে) স্যার, যতবার নিচু হয়ে আমি পেসেন্টের পালস দেখতে যাচ্ছি ততবার উনার পালস বেড়ে যাচ্ছে। কি করি ?

ডাক্তারঃ
“আপনার ব্লাউজের বোতামটা খোলা, ওইটা ভাল করে আটকে নিন আর মেলামাইন যুক্ত শিশু খাদ্য দূরে রাখলেই পালস ঠিক হয়ে যাবে !