ঘর ধুলোবালিমুক্ত রাখার উপায়

0
71

অনলাইন ডেস্ক :

দিনশেষে প্রিয় ঘরটিই আমাদের প্রশান্তির জায়গা। সারাদিন যত ব্যস্ততাই থাকুক, সবাই চাই নিজের ঘরে একটু স্বস্তির দেখা পেতে। কিন্তু সেই ঘরটিই যদি হয় অপরিষ্কার কিংবা ঘরের এখানে সেখানে যদি ধুলোবালি জমে থাকে, আপনার নিশ্চয়ই ঘরে থাকতে মন চাইবে না। আর প্রশান্তির দেখাও মিলবে না। এসময় বাতাসের প্রচুর ধুলোবালি ঘরে ঢুকে সবকিছু ময়লা করে ফেলে। তাই চলুন জেনে নেই কীভাবে প্রিয় ঘরটিকে ধুলোবালিমুক্ত রাখা যায়।

পরিষ্কার করে নিলে আর কোনো সমস্যা থাকে না। ধুলোবালি আমাদের নিত্য সঙ্গী। ধুলোবালি কিছুতেই যেন পিছু ছাড়তে চায় না। আসুন ঘর পরিচ্ছন্ন রাখার কতগুলো উপায় জেনে নিই।

ঘর পরিষ্কার রাখতে সবসময় ঘরের দরজা না খুলে রাখাই ভালো। বিশেষ করে আপনার ঘরটি যদি নিচতলায় হয়, বিনা কারণে দরজা খোলা রাখবেন না। কারণ যত বেশি সময় ধরে দরজা খোলা রাখবেন, ঘরে ততই বাইরের ধুলো-ময়লা এসে ঢুকবে। ঘরে মোটা পর্দা ব্যবহার করা যেতে পারে ধুলোবালি প্রতিরোধ করার জন্য। শুধু দরজাতেই নয়, জানালাতেও পর্দা ব্যবহার করলে একই সাথে যেমন ঘরের সৌন্দর্য বর্ধন হবে তেমনি ধুলোবালি থেকে ঘরকে রক্ষাও করা যাবে।

ঘর সাজানোর জন্য যেসব কৃত্রিম ফুল বা ফুলের গাছ রাখা হয়, সেগুলোতে জমতে পারে ধুলো-ময়লা। তাই সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন এগুলো পরিষ্কার করতে হবে। আর এসব পরিষ্কারের নিয়ম হলো, শ্যাম্পু বা ডিটারজেন্ট পানিতে মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে এসব ফুল বা ফুলের গাছ ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে।

ঘর মোছার কাপড়টি ভেজাতে হবে ডেটল কিংবা স্যাভলনযুক্ত পানিতে। এতে ঘরের মেঝে পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি জীবাণুমুক্তও হবে। ঘরে যদি কার্পেট থাকে তবে সেই কার্পেট নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। কার্পেট পরিষ্কারের জন্য ব্রাশ ব্যবহার করা যেতে পারে। নিয়মিত ব্রাশ দিয়ে কার্পেট পরিষ্কার করলে ধুলো-ময়লা জমার সুযোগ পাবে না।

আসবাবপত্রে যেসব ধুলোবালি জমে সেগুলো অনেকেই ভেজা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে থাকেন, যেটা একদমই ঠিক নয়। কারণ ভেজা কাপড় দিয়ে আসবাবপত্র পরিষ্কার করতে গেলে সেগুলোর রং নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই এমন কিছু দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে যাতে রঙের কোনো ক্ষতি না হয়। সেজন্যে মোরগের পালকের তৈরি ঝাড় ব্যবহার করা যেতে পারে।

বৈদ্যুতিক জিনিসপত্র পরিষ্কারের সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে শক না লাগে। কারণ ধুলো-ময়লা জমে থাকা কোনো কোনো অংশ পরিষ্কার করতে গিয়ে ছিদ্র হয়ে থাকা তারের উপর হাত পড়তেই পারে।

এস এম পলাশ