কেশবপুরে সমতা ওয়ার্ড ফাউন্ডেশন ৪ কর্মকর্তার ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পরিচালকের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

0
212

 কেশবপুর অফিস :
কেশবপুরে সমতা ওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের চক্রান্তের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে কেশবপুর সমতা ওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের পরিচালক গোলাম মোরতজা প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে বলেন, প্রতিষ্ঠানটির প্রোগ্রাম অফিসার হুমায়ুন কবির, এরিয়া ম্যানেজার ইকবাল হোসেন, খুলনা এরিয়া ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম ও সাতক্ষীরা এরিয়া ম্যানেজার ইউনুছ আলীকে এক একটি জেলার দায়িত্ব দিয়ে তাদের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে লোক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয় এবং তাদের মাধ্যমেই লোক নিয়োগ করাসহ প্রার্থীদের নিকট থেকে জামানতের টাকা গ্রহন করা হয়। তার শ্যালক রেজাউল করিম রাজু সমতা ওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের পরিচালক থাকাকালীন ২০১৬ সালের ২৩ জনু ট্রেন দূর্ঘটনায় মারা যান। তার একমাস পরে প্রতিষ্ঠানটি ধরে রাখতে তিনি পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি দায়িত্ব নেয়ার সময় তারা আমাকে জানায়, প্রতিষ্ঠানের অনেক সম্পদ টাকা পয়সা রয়েছে। আপনি শুধু হাল ধরেন। বাকিটা আমরা ম্যানেজ করব। এরপর ধীরে-ধীরে জানতে পারি প্রতিষ্ঠানের কোন সম্পদ ও টাকা পয়সা নেই বললেই চলে। বরং দায়িত্ব প্রাপ্ত এসমস্ত লোকেরা তারা নিজেদের দোষ ঢাকতে আমাকে ব্যবহার করছে মাত্র। প্রায় ৭০ লাখ টাকা দেনা দেখিয়ে আমার শ্যালক মারা গেছে একথা তারা বলতে শুরু করে। উক্ত সমুদয়  টাকা কোন খাদে ব্যয়  হয়েছে তা তারা বলতে পারেনা। শুধু দেনা আছে সেটাই জানেন। দায়িত্ব দেয়ার সময় আমাকে তারা বলে সমতা ওয়ার্ল্ডে ৬১ জন লোক রয়েছে তাদের নিকট থেকে জামানত নেয়া আছে ৭০ লাখ টাকা। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানের লোন ছাড়া রয়েছে ৩৫ লাখ, সমতা  কলেজ রয়েছে, ব্যবসা রয়েছে, ডিপিএস রয়েছে। আসলে নামেই সব কিছু রয়েছে প্রকৃত পক্ষে নয়। এমন কি তারা নিজেদের বাঁচাতে প্রতিষ্ঠানের চাকুরিরত কিছু লোক নিয়ে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ভাবে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেন। এরপরও তাদেরকে আমি আশস্ত করেছি আমার শ্যালকের দেনা আমি নিজে গ্রহন করলাম। আস্তে আস্তে সবারই টাকা ফেরত দিব একটু সময় দিলে। কিন্তু সুচতুর এসস্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা পাওনাদারদের ক্ষিপ্ত করে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে চলেছে। এসমস্ত ব্যক্তিরা নিজেদের দোষ ঢাকতে লোক মাঝে বলে বেড়াচ্ছে সমতার টাকা মানব কল্যাণ সংস্থা নামক একটি প্রতিষ্ঠানে পাচার করা হচ্ছে। যে কথা আদেও সত্য নয়। তারা আমার শ্যালকের ব্যক্তিগত ডায়েরি সহ প্রতিষ্ঠানের অনেক কাগজ-পত্র উধাও করেছে। তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে উল্লেখিত ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এস আর সাঈদ