কালিগঞ্জে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়ে ধর্ষণের শিকার

160
849

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ:

কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা ইউনিয়নের নামাজগড় গ্রামে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক মেয়েকে স্থানীয় এক বখাটে ধর্ষণ করায় বর্তমানে মেয়েটি ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। সে নামাজগড় গ্রামের মোকছেদ গাজীর মেয়ে। অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটির পরিবার জানায়, দীর্ঘ ১মাস ধরে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়েছিল, গ্রাম্য ডাক্তার দেখিয়ে অবস্থার উন্নতি হয়নি। তাছারা আকষ্মিক তার পেট ক্রমশ বড় হতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়, এজন্য ডাক্তারের পরামর্শে তারা মেয়েকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করিয়ে রিপোর্ট ডাক্তারকে দেখালে ডাক্তার বলেন মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা। এই কথা শোনার সাথে সাথেই তার পরিবারের সদস্যদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। এরপর তাদের মেয়ের কাছে জানতে চাইলে প্রকাশ করে ঘটনার মুল নায়কের নাম। সে আর কেউ নয় পার্শ্ববর্তী বাড়ীর নুর আলী গাজীর ছেলে ছালাম গাজী (২৮) এই ঘটনার মুল নায়ক।

অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটি এই প্রতিবেদককে বলেন, কয়েক মাস আগে বোনের বাড়ি থেকে রাতে একা আসার সময়  মুখ চেপে ধরে ছালাম তাদের বাড়ির পাশে একটি বাঁশ বাগানের মধ্যে  জোর করে ধরে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষনের পরে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে বিভিন্ন ভাবে ফুসলিয়ে ঘটনাটি কাউকে না জানায় এজন্য  বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এরপর মেয়েটি কাউকে কিছু না জানালেও ৫মাস পরে এসে ধর্ষণের কারনে অন্তঃসত্তার বিষয়টি সকলের সামনে চলে আসে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় ইউপি সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি মেয়ের ভাই নজরুল আমাকে জানালে আমি মেয়ের কাছে শুনলে সে ধর্ষনের বিষয়টি আমাকে খুলে বলে এবং ঘটনার সাথে জড়িত বখাটে ছালামের নাম বলে। বর্তমানে মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে বিষয়টি বিচারাধীন আছে বলে তিনি জানান।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ছালাম গাজী বলেন, আমার সাথে তাদের পারিবারিকভাবে দ্বন্দ্ব আছে। আমাকে ফাঁসাতে এগুলো করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়াদুল হক বলেন, এ বিষয় আমি অবগত নই। কেউ আমার কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে  আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করব।

দৈনিক সাতক্ষীরা/জেডিএইচ

160 COMMENTS