কলারোয়া পাইলট হাইস্কুলের অবৈধ কোচিং সেন্টার বন্ধ করলেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা

0
79
জুলফিকার আলী,কলারোয়া:
কলারোয়া জিকেএমকে মডেল(সদ্য সরকারী)পাইলট হাইস্কুলে কোচিং সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাগণ। অভিযান চলাকালে ঐ স্কুলের ৪টি কক্ষে প্রতিষ্ঠানের কর্মরত ৫ শিক্ষককে হাতেনাতে ধরেন। পরে ওই ৫শিক্ষককে সাথে নিয়ে স্কুলচত্বরে সকল শিক্ষার্থীদের কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণার জন্য অঙ্গীকার করেন।  উল্লেখ দীর্ঘদিন ধরে ঐ প্রতিষ্ঠানে কোচিং বাণিজ্য চলে আসছিল এমন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হামিদ ও সহকারী শিক্ষা অফিসার হারুনার রশিদ  বুধবার সাড়ে ৭টার সময় ঐ প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ঐ প্রতিষ্ঠানের ১০ম শ্রেণির গনিত বিষয়ের  শিক্ষক আঃ রব, আমিরুল ইসলাম গণিত শিক্ষক ৯ম শ্রেণি, রঞ্জন কুমার ইংরেজি শিক্ষক ৮ম শ্রেণি, আঃ জলিল ৬ষ্ট শ্রেণি গণিত ও ভোকেশনাল শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানকে কোচিং করাতে দেখেন। ঐ প্রতিষ্ঠানের গরীব মেধাবী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ শিক্ষকের নিকটে প্রাইভেট ও কোচিং না করলে পরীক্ষার ফলাফল ভাল হবে না। তাই তারা বাধ্য হয়ে কোচিংয়ে যাচ্ছেন। জানা গেছে, সরকারি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে সকাল-সন্ধ্যায় ঐ প্রতিষ্ঠানে একাধিক ব্যাচে প্রাইভেট পড়ানো হয়। প্রতি ব্যাচে ৩০ থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থীকে। এই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত। এতে করে গরীব শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠানে যেতে নিরুৎসাহিত করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এদিকে কলারোয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার  আব্দুল হামিদ সাংবাদিকদের জানান, কোন শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত থাকলে সেই প্রতিষ্ঠানের এমপিও,  বেতন ভাতা, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত,  সাময়িক বরখাস্ত ও চূড়ান্ত বরখাস্ত ইত্যাদি শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার বিধান রয়েছে। তিনি আরো জানান, কোনো শিক্ষক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোচিং বাণিজ্যের সাথে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃংখলা ও আপিল) বিধিমালা ১৯৮৫-এর অধীনে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।