কলারোয়ায় গৃহবধূকে পিটিয়ে গর্ভের বাচ্চা হত্যার চেষ্টা

0
43

জুলফিকার আলী, কলারোয়া:

কলারোয়ায় সন্ত্রাসীরা এক গৃহবধূকে পিটিয়ে গর্ভের বাচ্চা হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে। এ সময় ওই পরিবারের ৪জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা আদালতে ৩ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এবিষয় নিয়ে বুধবার সকালে কলারোয়া পৌরসভা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনটি করেন কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের  হিজলদী গ্রামের তবিবুর রহমানের কন্যা  মুক্তা খাতুন। তিনি সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য বলেন, গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টার দিকে তাদের কিছু পাটকাটি বাড়ীতে নিয়ে যায়। এসময় পাশ্ববর্তী নজরুল ইসলামের জমির উপর দিয়ে ওই পাটকাটি কেন নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে তাদের উপর নজরুল ইসলামের পরিবারবর্গ তেড়ে আসে। কথাকাটা কাটির এক পর্যায়ে হিজলদী ফকিরপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলাম ও তার দুই ছেলে আলমগীর হোসেন, আরিফ হোসেন লাঠিসোটা নিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় ঝাঁপিয়ে পড়ে। সন্ত্রাসীদের হামলায় আম্বিয়া খাতুন (৩৫), মুক্তা খাতুন (২২), রিক্তা খাতুন ((২১) ও শরিফ হোসেন (১৪)কে পিটিয়ে আহত করে। এক পর্যায়ে তারা  রিক্তার গর্ভের বাচ্চা হত্যার চেষ্টা করে। এসময় তাদের বাড়ী ঘর ভাংচুরসহ স্বর্ণের একটি চেইন ছিনিয়ে নেয়। তাদের ডাকচিৎকারে পাশ্ববর্তী লোকজন এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী তাদের ৪ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ওই দিন কলারোয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে কলারোয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালের ডাক্তার শফিকুল ইসলাম তাদের চার দিন ভর্তি থাকার পরে ভাল চিকিৎসা না দিয়ে ধমক দিয়ে ছাড়পত্র দিয়ে বের করে দেয়। পরে ছাড়পত্র নিয়ে দেখা যায় দুই জনের ৭তারিখ থেকে ১১তারিখ ও এক জনের ৭তারিখ থেকে ৮তারিখের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ওই শফিকুল ডাক্তারের বাড়ী হিজলদী গ্রামে। সন্ত্রাসী নজরুল ইসলামের ভাগ্নে সে। তাই কলারোয়া সরকারী হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা না দিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছে সে। এ ঘটনায় কৃষক তবিবার রহমান বাদী হয়ে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আমলী-৪নং আদালতে ৩জনের নামে একটি মামলা দায়ের করেছেন। যার মামলা নং-সিআরপি-১৯৪/১৭। সংবাদ সম্মেলনে ন্যায় বিচার প্রার্থী তারা। একই সাথে কলারোয়া সরকারী হাসপাতাল থেকে ডাক্তার শফিকুল ইসলামকে বদলির জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।